a
ফাইল ছবি
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার পূর্বেই ক্ষয়-ক্ষতি ও মৃত্যুহানির আশংকায় দেশের সব নদীবন্দর থেকে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
আজ মঙ্গলবার ২৫ মে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জনসংযোগ দফতর।
কতৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পুনরায় নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের নৌ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
তীব্রতাপদাহের পর ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারনে ঢাকাসহ সারাদেশে থেমে থেমে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াও বইছে। ঝড়টি আগামীকাল দুপুরের দিকে উত্তর উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল পারি দিতে পারে। অতিক্রমের সময় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট , ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলাগুলো এবং তার আশপাশের দ্বীপ ও চরগুলোতে দমকা হাওয়াসহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। একইসাথে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুটে বেশির উচ্চতার জোয়ারের আশঙ্কা আছে।
একইসাথে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয় পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। তাদেরকে গভীর সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
৪৮ ঘন্টার মধ্যে টমটমের ভাড়া পুন:নির্ধারন না করলে মানববন্ধন, অবস্হান কর্মসূচী এবং অবরোধের মত বৃহত্তর কর্মসূচী দেওয়া হবে বলে জানান হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যাণ পরিষদ।
গতকাল হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গনে হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে প্রচারপত্র বিলি এবং পথসভায় এই ঘোষনা দেন সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল। পথসভা শেষে যাত্রী কল্যাণ পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের ইশরাত জাহানের নিকট তাদের তৈরি ভাড়ার চার্ট এবং তিনটি রোডে টমটম নিয়ন্ত্রনের পরিকল্পনা পেশ করেন নেতৃবৃন্দ । খুব শীঘ্রই টমটমের সমস্যা সমাধান করার আশ্বাস দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক।
যাত্রী কল্যাণের পক্ষ থেক্ টমটম ভাড়া উঠানামা ৫ টাকা করাসহ চৌধুরী বাজার থেকে সরাসরি যারা শায়েস্তনগর যাবে তারা ১০ টাকা দিবে, আবার চৌধুরীবাজার থেকে বাসষ্টেশন যারা সরাসরি যাবে তারা ১০ টাকা দিবে এবং চৌধুরী বাজার থেকে যারা পোদ্দার বাড়ি যারা যাবে তারা ১৫ টাকা দিবে এভাবে ব্যাক রোড, বাইপাস রোডের ভাড়া নির্ধারন করে প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং রাস্তার যানজট নিরসনে, লোডশেডিং থেকে মুক্তি পেতে মেইন রোড, ব্যাক রোড এবং বাইপাস রোডে লাল, সবুজ, সাদা কালারে তিনশত করে গাড়ি চলাচলের সুযোগ দেওয়া এবং নয়শতের উপরে বাকি টমটমগুলো শহরের বাহিরে সুযোগ করে দেওয়া এবং ড্রাইভারদের লাল,সবুজ, সাদা কালারের শার্ট পরিহিত আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে বলে লিখিত আকারে ফর্মুলা তুলে ধরেন যাত্রী কল্যাণ পরিষদ।
হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়, মেয়র এবং সচিবকে না পেয়ে অফিসে জমা দেন বলে জানান সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল। গতকাল রবিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গনে হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েলের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক এস এম হেলালুর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা বশিরুল আলম কাউছার, মো: আলমগীর রেজা, শফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু, জেলা এডভোকেট সমিতির নির্বাচিত সিনিয়র সদস্য এডভোকেট মোঃ ফয়সল আহমেদ চৌধুরী প্রমখ।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য সমুদ্রপথে জাহাজ নামাতে চায় কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দাবন্দরে যেতে জাহাজে সময় লাগবে ১০ দিন।
যাওয়া-আসা ও হজের আনুষ্ঠানিকতা মিলিয়ে একজন হজযাত্রীর মোট সময় লাগবে ৩৭ দিন। জাহাজে গেলে উড়োজাহাজের চেয়ে এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ কম হবে।
সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। গত ২৯ জানুয়ারি প্রস্তাবটি নিয়ে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নৌপরিবহণ সচিব মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভায় সমুদ্রপথে হজযাত্রী নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত আসে। কেউ কেউ জাহাজে করে হজ করতে যাওয়াকে ইতিবাচক বলেছেন। নানামুখী চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেছেন কেউ কেউ। সমুদ্রপথে সৌদি আরব সরকার অনুমতি দেবে কিনা, তা-ও নিশ্চিত নয়।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলে সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে। দেশটি রাজি হলে তখন অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র:যুগান্তর