a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে যেন একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র। আজ শুক্রবার তেহরানে নির্বাচনে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে এসব কথা বলেন।
জেনারেল সালামি আরও বলেছেন, ইরানের শত্রুরা এবারের নির্বাচনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের স্টাইলে ওঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু ইরানের জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে শত্রুদেরকে জবাব দিচ্ছে। একেকটি ভোট শত্রুর ওপর একেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আঘাত হানছে, এ যেন শত্রুদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র-বৃষ্টি।
তিনি বলেন, ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি শত্রুদের সব অসৎ চিন্তা ও পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেবে। আইআরজিসির প্রধান বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা পুলিশ বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।
আজ ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সিটি কাউন্সিলসহ স্থানীয় পরিষদের মূল নির্বাচন, পার্লামেন্ট ও বিশেষজ্ঞ পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণও চলছে।
সকাল ৭টা থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটার উপস্থিতি বেশি হলে প্রয়োজনে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে জানানো হয়েছে। সূত্র: বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
কাতারে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বৈশ্বিক শান্তির বিষয়ে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিন্তু তার সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি ফিফা।
সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এ বিষয়ে ফিফা ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনা এখনও চলমান রয়েছে।
সূত্র বলেছে, কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল ম্যাচ শুরুর আগে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে জেলেনস্কির ভাষণ প্রচারের প্রস্তাব দিয়েছিল ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের দপ্তর। কিন্তু ফিফা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করায় অবাক হয়েছে তারা।
ইউক্রেনীয় সূত্রটি সিএনএন’কে বলেছে, আমরা ভেবেছিলাম ফিফা তার প্ল্যাটফর্মকে বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করতে চায়।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো বলেছেন, বিশ্বকাপ থেকে রাজনৈতিক বার্তা দূরে রাখা হচ্ছে, যেন ফুটবলপ্রেমীরা ‘একটু আনন্দ ও খুশির মুহূর্ত’ উপভোগ করতে পারেন।
সংগৃহীত ছবি
অবশেষে একযুগ পর সারা দেশে ‘এক রেটে’ ইন্টারনেট সেবামূল্য (ট্যারিফ) নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে কম দামে ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। এই নতুন দাম আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেন, বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আল ইসলাম, আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম, আইআইজি ফোরামের মহাসচিব আহমদে জুনায়েদ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, যে সেবামূল্য বেঁধে দেওয়া হলো- তা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য। এ মূল্য নির্ধারণের ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশের আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো। আজকের এ ঘোষণার ফলে সারা দেশে ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট বাস্তবায়ন আরও সহজ হলো। ৬ জুন ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট ঘোষণা দেওয়ার পর- তা বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছিল। এখন এটা আর থাকবে না।
এ সময় কল ড্রপ নিয়েও কথা বলেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে কল ড্রপ, নেটওয়ার্ক সমস্যা নিয়ে শত শত অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা বেশি থাকার কারণে সরাসরি অভিযোগ করেন অনেকে।
ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ও ভূগর্ভস্থ ক্যাবল সেবা এনটিটিএন চালু হওয়ার ১২ বছর পর নতুন এই সেবামূল্য নির্ধারণ করা হলো।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিটিআরসি আইআইজির জন্য বিভিন্ন ভলিউমে ১১টি স্ল্যাবে ব্যান্ডউইথের দাম ও এনটিটিএনগুলোর জন্য ট্রান্সমিশন ক্যাপাসিটির ভলিউম অনুযায়ী ১৫টি স্ল্যাবে সেবামূল্য বেঁধে দেওয়া হয়। এটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানে আইআইজি এবং আইএসপিএদের জন্য বেসরকারি এনটিটিএন’র ব্যাকহল (ক্যাপাসিটিভিত্তিক) ট্যারিফ। এ ছাড়া আগেই আইএসপির দাম তিনটি স্ল্যাবে (৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৮০০ এবং ২০ এমবিপিএস এক হাজার ২০০ টাকা) বেঁধে দেওয়া হয়।
এর আগেও এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের সেবামূল্য ছিল। কিন্তু তা কখনই সরকারিভাবে বেঁধে দেওয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা একটা দাম নির্ধারণ করে তা গ্রাহকের সামনে উপস্থাপন করত।
সংবাদ সম্মেলনে আইআইজি ফোরামের মহাসচিব আহমদে জুনায়েদ বলেন, সারা দেশে এখন এক দামে ব্যান্ডউইথ বিক্রি হবে। এতদিন ঢাকার বাইরে একেক আইএসপি একেক দামে ব্যান্ডউইথ কিনত। কিন্তু ট্যারিফ ঠিক করে দেওয়ার ফলে সারা দেশে এখন থেকে এক রেটে কিনবে। সূত্র: যুগান্তর