a
ছবি: মৃত ব্যক্তিদ্বয় আব্দুল কালাম (৫০) ও আব্দুল আজিজ (৫৫)
নবীগঞ্জ উপজেলায় ওরসে অতিরিক্ত মাদক সেবন করে মাতলামির সময় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোঃ নোমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর পুর্বে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যে রাতে এ দুজনের মৃত্যু হয়।
মৃতরা হল, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁকড়া গ্রামের আব্দুল কালাম (৫০) ও পার্শ্ববর্তী গোলডুবা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৫৫)।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নোমান হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত কাঁকড়া গ্রামে নবীন শাহের মাজারে ওরস অনুষ্ঠান হয়। অনেকে সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করেছেন। কালাম ও আজিজ অতিরিক্ত মদ পান করে মাতলামি করছিলেন। এক পর্যায়ে একজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অপর একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী বলেন, দুই জনের মৃত্যুর খবর শুণেছি। তবে বিষয়টি নিয়ে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। মৃত দুইজনই আগে থেকেই শাররীক ভাবে অসুস্থ ছিল বলে জানতে পেরেছি।
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাঁকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার গুরগাঁওয়ে মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকায় গত ৩০ আগস্ট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল দুপুরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় পাশের রাজ্য হরিয়ানার ওই হাসপাতালে।
মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. অরুণ গার্গ বলেছেন, ‘তাঁর (তোফায়েল আহমেদ) অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা তাঁকে আরও পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউতে রেখেছি।’ সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের নয়াদিল্লির ব্যুরো চিফের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে ডা. গার্গ বলেছেন যে, তিনি তাঁর চিকিৎসক দলের সঙ্গে অসুস্থ নেতাকে পরীক্ষা করে কিছু মেডিকেল চেক-আপের পরামর্শ দিয়েছেন।
ডা. গার্গ আরো বলেন, ‘দুশ্চিন্তার কিছু নেই, আশা করি আগামী দুই/এক দিনের মধ্যে আমরা সবকিছু ঠিকঠাক হলে তাঁকে (তোফায়েল আহমেদ) কেবিনে পাঠাতে পারবো।’
সংগৃহীত ছবি
চার প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে পালিয়েছিল ভারতের এক তরুণী। এরপর খোঁজাখুজির পর ধরাও পড়ে। শাস্তি হিসেবে লটারির মাধ্যমে চার প্রেমিকের মধ্যে একজনকে বিয়ে করতে হয় সেই তরুণীকে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের অম্বেডকরনগরের একটি গ্রামে অদ্ভূত এ ঘটনা ঘটে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
খবরে বলা হয়, অম্বেডকরনগরের টান্ডা থানা এলাকার এক তরুণী চলতি মাসের শুরুতে চার যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান। ওই যুবকরা সবাই পার্শ্ববর্তী আজিমনগর থানা এলাকার বাসিন্দা। এই চার যুবকের সঙ্গেই প্রেম করতেন তরুণী। প্রথমে নিজের বাড়ি থেকে পালিয়ে এক যুবকের আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ওই তরুণী। তবে বেশিদিন পালিয়ে থাকতে পারেননি। পরে চার যুবকসহ গ্রামে ফিরতে বাধ্য হন তরুণী।
বাবা-মা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিলে গ্রামবাসীর বাধায় তা আর হয়ে ওঠেনি। গ্রাম্য পঞ্চায়েতের বিচার ও সমাধানের আশ্বস্ত করা হয় তাদের। পরে পঞ্চায়েত সভায় এই সিদ্ধান্ত হয় যে, সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া চার যুবকের মধ্যে কোনো একজনকে বর হিসেবে বেছে নিতে হবে তরুণীকে। তার সঙ্গেই বিয়ে হবে তরুণীর। এমন সিদ্ধান্তে তরুণীর পরিবার সম্মতি দিলেও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকেন তরুণী।
কারণ চার প্রেমিককেই পছন্দ তার। কাকে বিয়ে করবেন তরুণী? এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে ফের পঞ্চায়েত সভা এগিয়ে আসে। লটারির মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করে দেন পঞ্চায়েতের কর্তারা।
সভার কর্তাদের কথা মতো একটি পাত্রে চার যুবকের নাম লেখা কাগজ রাখা হয়। এরপর গ্রামের একটি শিশুকে সেখান থেকে কাগজ তুলতে বলা হয়। সেই কাগজে যে যুবকের নাম ওঠে তাকেই বিয়ে করেন তরুণী।