a
সংগৃহীত ছবি
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে আগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের কারখানার দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা সাংবাদিকদের জানান, তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে তা খুব দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ৬ তলা ভবনজুড়ে। তখন ভবনের বিভিন্ন তলায় কর্মচারী ও কর্মকর্তারা আটকা পড়ে। কেউ কেউ প্রাণ বাঁচাতে লাফিয়ে নিচে পড়ে আহত হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট একেক করে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কিন্তু বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেনেন্স বিভাগের উপপরিচালক দেবাসীস রঞ্জন।
নিখোঁজদের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে কারো সাথে কোন যোগাযোগ হয় নাই।
ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জামালপুর প্রতিনিধিঃ বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ.এস.এম আব্দুল হালিম, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুর জেলার ইসলামপুরে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভা ও রেলিতে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জামালপুর -২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী জনাব এ এস এম আব্দুল হালিম। পৌর বিএনপি'র সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন সরকারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানি বিপুলসহ উপজেলা,পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠান হলেও বিপুল সংখ্যক বিক্ষুব্ধ নারী শিশু তরুণ যুবক বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ মিছিল সহকারে সমাবেশে উপস্থিত হয়।
উল্লেখ্য, যে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি'র সম্ভাব্য প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকায় জনাব হালিমের নাম না থাকায় পর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে কিন্তু জনাব হালিমের দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোন কাজ না করার কঠিন নির্দেশনার ফলে তারা ক্ষোভ চেপে রাখে তবে আজ ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি পেয়ে শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ তাদের পরিবার সহ রাস্তায় নেমে আসে এবং তারা চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় হালিম সাহেবকে জামালপুর ২ ইসলামপুর আসনে মনোনয়নের দাবী জানায়, একপর্যায়ে অনুষ্ঠানটি জনসভায় রূপ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জনাব হালিম দলীয় নেতাকর্মীসহ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং ৭ নভেম্বরের চেতনায় আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের ভোট বিপ্লব ঘটানোর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন দলীয় নীতি নির্ধারকগণ জামালপুর- ২ আসনের ব্যাপারে নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করবেন এবং সত্য উদঘাটিত হলে চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় তার নাম থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য সহকারে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ ও ৩১ দফার কর্মসূচি জনগণের দৌর গোরায় পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
ইসলামপুর অডিটোরিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভা শেষে এক বর্ণাঢ্য রেলি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় গিয়ে শেষ হয়।
ফাইল ছবি
নতুন নির্বাচনের দাবিতে রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ করছেন সদ্য ক্ষমতাচ্যুত পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। বুধবার রাজধানীতে গিয়ে পৌঁছায় সেই লংমার্চ।
এদিকে, লংমার্চে বাধা না দিতে এবং সেখান থেকে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করতে বুধবার নির্দেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। তবে সুপ্রিম কোর্ট পিটিআইকে ইসলামাবাদের এইচ-৯ এবং জি-৯ এলাকার মধ্যে পেশোয়ার মোড়ের কাছে ‘আজাদি মার্চ’ও বিক্ষোভ সমাবেশের অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেন।
এদিকে, সব বাধা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামাবাদের ‘রেড জোনে’ ঢুকে পড়েছে ইমরান খানের লংমার্চ।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানী ইসলামাবাদে ‘আজাদি মার্চ’ থেকে নতুন নির্বাচনের জন্য দেশটির সরকারকে ৬ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ইমরান খান। অন্যথায়, পরবর্তীতে গোটা জাতিকে সঙ্গে নিয়ে আবারও রাজধানীতে আসার হুঁশিয়ারি দেন।
ইমরান খান বলেন, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম- সরকার সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন ঘোষণা না করা পর্যন্ত এখানে বসে থাকব, কিন্তু আমি গত ২৪ ঘণ্টায় যা দেখেছি, তারা (সরকার) জাতিকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তারা জাতি ও পুলিশের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টাও করছে।”
ইমরান খান বলেন, “সরকার খুশি হবে যদি আমি ইসলামাবাদে অবস্থান ধর্মঘট পালন করি। কারণ এতে জনগণ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হবে।”
এ সময় তিনি পিটিআই-এর মিছিল ঠেকাতে অভিযান এবং গ্রেফতারসহ ‘আমদানি করা সরকার’ দ্বারা ব্যবহৃত ‘কৌশলের’ নিন্দা জানান। একই সঙ্গে লংমার্চের বিষয়টি আমলে নিয়ে নির্দেশনা দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টকেও ধন্যবাদ দেন তিনি।
ইমরান খানের এই আল্টিমেটামের পরই ‘রেড জোনে’ ঢুকে পড়ে তার দলের কর্মী–সমর্থকরা। পাকিস্তানের প্রভাবশালী ডন পত্রিকার অনলাইনের খবরে বলা হয়, পুলিশি বাধা উপেক্ষা করেই রেড জোনে ঢুকে পড়েছে পিটিআই সমর্থকরা।
ডনের খবরে আরও বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের ‘রেড জোনের’ নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমতিও দিয়েছে সরকার। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ একটি প্রজ্ঞাপন টুইট করে বলেছেন, সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের অধীনে রেড জোনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। তবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পরও ‘রেড জোনে’ ঢুকে পড়েছে ইমরান খানে কর্মী-সমর্থক ও নেতারা।
ইসলামাবাদ পুলিশের মুখপাত্রের জারি করা এক বিবৃতি বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের পুলিশ, রেঞ্জার্স এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধা দেয়। তিনি বলেন, ইসলামাবাদের পুলিশের মহাপরিদর্শক ডক্টর আকবর নাসির খানও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং বিক্ষোভকারীদের রেড জোন ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সূত্র: ডন/বিডি প্রতিদিন