a
সংগৃহীত ছবি
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে আগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের কারখানার দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা সাংবাদিকদের জানান, তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে তা খুব দ্রুতই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ৬ তলা ভবনজুড়ে। তখন ভবনের বিভিন্ন তলায় কর্মচারী ও কর্মকর্তারা আটকা পড়ে। কেউ কেউ প্রাণ বাঁচাতে লাফিয়ে নিচে পড়ে আহত হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট একেক করে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কিন্তু বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেনেন্স বিভাগের উপপরিচালক দেবাসীস রঞ্জন।
নিখোঁজদের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে কারো সাথে কোন যোগাযোগ হয় নাই।
সংগৃহীত ছবি
সোমবার থেকে সারাদেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এসময় পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া আর কোন যানবাহন চলতে দেয়া হবে না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রোববার (২৭ জুন) বিকেলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৮ জুন) থেকে আগামী ৩ দিনের জন্য (বুধবার-৩০ জুন) এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সোমবার (২৮ জুন) থেকে সব শপিংমল, মার্কেট, পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রও বন্ধ থাকবে।
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আতঙ্ক বিরাজ করে নগরবাসীর মাঝে। তবে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। সমাধান হয়েছে লাইনের সমস্যাও। গ্রাহকরা এখন চুলা ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তিতাসের জিএম (অপারেশন) সেলিম মিয়া জানান বলেন, গ্যাস লিকেজ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। এখন গ্রাহকরা চুলা জ্বালাতে পারবেন। লাইনে যে সমস্যা হয়েছিলো তার সমাধান করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এর আগে সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় বিভিন্ন এলাকার মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্যাসের চুলা না জ্বালানো এবং দেশলাই না জ্বালানোর অনুরোধ জানানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকা থেকে আমরা ফোনকল পেয়েছি। তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেছি।
তিনি আরও জানান, আমাদের টিম প্রাথমিকভাবে জানতে পারে গ্যাসের অতিরিক্ত চাপের কারণে বিভিন্ন জায়গায় লিকেজ হচ্ছে। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ঢাকা শহরের ফায়ার সার্ভিসের সবগুলো ইউনিট।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস আরও জানায়, ঈদে শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায়, সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে (ওভার-ফ্লো) গন্ধ বাইরে আসছে। তিতাসের জরুরি ও টেকনিক্যাল টিম বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের লাইনে লিকেজের ঘটনা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাত ১ টায় প্রতিমন্ত্রীর নিজস্ব ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। সূত্র: ইত্তেফাক