a
ছবি: সংগৃহীত
অবশেষে চতুর্থবারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। সোমবার প্রস্তাবটির ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ সদস্যের মধ্যে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৪টি। তবে ভোট দানে বিরত ছিল রাশিয়া। খবর আল-জাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত ৩১ মে গাজায় তিন ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এ প্রস্তাব দেন। সোমবার প্রস্তাবটির ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটি হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড ইসরায়েল ও হামাসকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।
যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবকে তিনি নতুন সুযোগ বলেও অভিহিত করেছেন। নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি কীভাবে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ করার সদিচ্ছার কথা জানিয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল সরকার।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের দেওয়া প্রস্তাবই ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
এর আগে তিনবার গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছিল কিন্তু প্রতিবার আমেরিকা সব সময় ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রদান করে ইসরায়েলকে খুশি করতে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব বিরত রেখেছে।
সংগৃহীত ছবি
সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের জনসংযোগে গিয়ে এক ব্যক্তির হাতে থাপ্পড় খাওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে দেশটিতে। এ বিষয়ে এতোদিন মুখ না খুললেও এবার মুখ খুলেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
এ বিষয়ে ইমানুয়েল ম্যাকরন বলেছেন, “গণতন্ত্রে ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ আছে, তবে নির্বুদ্ধিতার সাথে সহিংসতা যুক্ত হলে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যায় না। আমি বরাবরই সাধারণ মানুষের কাছাকাছি আসাটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। অনেক সময়ই তারা ক্ষোভ-হতাশা প্রকাশ করেন।”
ম্যাকরন জানান, তার চলমান জনসংযোগ কর্মসূচিতে এ ঘটনা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সব দলের আইনপ্রণেতারা ওই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ ক্যাসেক্স এ বিষয়ে বলেন, দেশের প্রধানের ওপর হামলার অর্থ হল গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। গণতন্ত্রের অর্থ হল বিক্ষোভ, বিতর্ক, আর আলোচনার মাধ্যমে মতামত আদান-প্রদান। মতভেদ থাকতে পারে। সেটা জানানোর বৈধ উপায়ও আছে। কোনোভাবেই মৌখিকভাবে হেনস্তা বা শারীরিক আঘাত গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে দেশটির একটি বামপন্থী দলের আইনপ্রণেতা আদ্রিয়েন কোয়াটেনেন্স এ বিষয়ে বলেন, যে হামলার শিকার হয়েছেন ম্যাকরন তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। গণতন্ত্রে যে কোনো সমস্যা আলোচনা আর ব্যালটের মাধ্যমে সমাধান করতে হয়। সহিংসতার মাধ্যমে নয়।
উল্লেখ্য, ফ্রান্সের ড্রোম প্রদেশের ছোট শহরটির রেঁস্তোরা ও স্কুল পরিদর্শনের পর প্রেসিডেন্ট ম্যাকরন অপেক্ষমান সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময়ে এগিয়ে গেলে হঠাৎই তাকে চড় মেরে বসেন এক ব্যক্তি। তার দেহরক্ষীরা ঘটনাটি দ্রুত সামলে নিলেও মুহূর্তের মধ্যেই ওই দৃশ্যটি ভাইরাল হয়ে যায়।
ফাইল ছবি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
করোনা সংক্রমণ ভয়ংকরভাবে বাড়ছে আর তা নিয়ন্ত্রণে আওয়ামী লীগ সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের ঘোষিত ১৮ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
করোনা এ দুর্যোগে সুবর্ণজয়ন্তীর বৃহৎ আয়োজনের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর অনেক আগেই স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছিলো যে, করোনা খুব মারাত্মকভাবে আসছে, অবিলম্বে জনসমাগম বন্ধ করা দরকার। কিন্তু সরকার তা করেনি। এখন যেহেতু উৎসব শেষ হয়েছে, তাদের মহান অতিথিরা চলে গেছেন। এখন তারা এই বিষয়টা আবার সামনে এনেছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নয়, সরকারের পক্ষ থেকে যে দৃশ্যমান ক্যাম্পিং থাকবে, প্রচার-প্রচারণা থাকবে, উদ্যোগ থাকবে সেসব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার ফ্যাক্টসগুলোকে গোপন করছে, ডাটাগুলোকেও গোপন করছে। এর আগে টেস্টই করেনি। যে করতে পেরেছে তার ওপর তারা নির্দেশনা দিয়েছে। এখনো যে টেস্ট হচ্ছে তা খুবই কম।
করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষায় দলের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি স্থগিত করার কথা পুনরুল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি স্থগিত করেছি। আমরা রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে বাধ্য হয়েছি যখন তারা (সরকার) আমাদের জনগনের উপর এভাবে আক্রমণ করেছে, হামলা করেছে তার জন্য।
সম্মেলনে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু ও চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।