a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আনারুল হক নাজমুল, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন: প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের ৩ জন অস্ত্রসহ র্যাবের হাতে আটক হয়েছে। বুধবার দিনগত মধ্য রাতে র্যবের -১২ সিপিসি ৩ মেহেরপুরের গাংনী ক্যাম্পের এক বিশেষ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ওয়ান শুটারগান।
আটককৃতরা হচ্ছে- গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের তরিকুল ইসলাম (৩০), জেনারুল ইসলাম (২৫) ও সামিম আজাদ ওরফে বাবুল (৩৮)। র্যাবের ১২ গাংনী ক্যাম্প কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার এনামুল হক জানান, ছাতিয়ান গ্রামের রতন আলী নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ির মাটির নিচে অস্ত্র পুতে রেখে র্যাবকে গোপনে খবর দেয় আটক তিন জন। রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় র্যাব। রাতে অভিযান চালিয়ে রতনের বসতবাড়িতে পুতে রাখা একটি ওয়ান শুটারগানসহ তিন জনকে আটক করে র্যাব। এসময় তারা রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখার বিষয়টি স্বীকার করে।
র্যাব জানায়, রতন আলীর সাথে আটককৃতদের বিরোধ রয়েছে। সে বিষয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এসব বিরোধদের জের ধরেই রতনকে ফাঁসাতে তারা অস্ত্র রাখার নাটক সাজায়।
আটক তরিকুল, জেনারুল ও বাবলুর বিরুদ্ধে গাংনী থানায় অস্ত্র আইনে মামলাসহ সোপর্দ করা হয়ে হয়েছে বলে জানায় র্যাব।
সংগৃহীত ছবি
আগামী রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্পকারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।
করোনা মহামারি রোধে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পর থেকেই সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই বিধি-নিষেধ চলাকালে শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখার কথা ছিল।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, ঢাকা চেম্বার ও এফবিসিসিআইয়ের নেতারা।
ফাইল ছবি
ঢাকায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায়। প্রতিবছর গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়লেও এবার গরম শুরুর আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ার খবর আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক মো. নাজমুল ইসলাম।
রোববার অধিদপ্তরের ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি বলেন, ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ঢাকা মহানগরীতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডায়রিয়া রোধ করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক নাজমুল বলেন, ডায়রিয়া রোধ করতে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে হবে জীবাণুমুক্ত পানি।
তিনি আরও বলেন, ডায়রিয়াজনিত রোগ চলে যায়নি। আমরা একে মোকাবিলা করতে চাই। ডায়রিয়া শুরু হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।