a
ছবি সংগৃহীত: সুপ্রিম কোর্ট, ভারত
ভারতের উত্তর প্রদেশে মাদরাসা বন্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্ব গঠিত একটি বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। সুপ্রিম কোর্টের এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেয়েছে ওই রাজ্যের ১৬ হাজার মাদরাসার ১৭ লাখ শিক্ষার্থী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ শুক্রবার বলেন, মাদরাসা বোর্ডের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ লঙ্ঘন করছে বলে এলাহাবাদ হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তা সঠিক নয় বলে জানান।
ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় আরও বলেন, মাদরাসায় মানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়া হয় না, এমনটি বলা ভুল। আবার মাদরাসা সর্বজনীন ও বিস্তৃত নয় এমনটিও বলা যাবে না। এছাড়া মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়ার যে নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্ট দিয়েছেন, সেটি বৈষম্যমূলক রায় বলা হয়।
এদিকে, মাদরাসা বন্ধে কেন এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তর প্রদেশ সরকারকে জবাব দিতে নোটিশ পাঠিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে শুনানির জন্য জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই পর্যন্ত এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে ও মাদরাসাগুলো স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে কোন সমস্যা নেই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বিশ্বের ধনী দেশগুলোর স্বার্থপরভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ন্ত্রণকে অনৈতিক এবং অন্যায্য বলেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দরিদ্র দেশগুলোকে ভ্যাকসিন লাভের সুযোগ না দেয়ায় মহামারির বিরুদ্ধে দেশগুলো সুরক্ষা হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকিতেই থাকছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, প্রত্যেক দেশে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশী লোককে টিকাদান করতে হবে। কিন্তু কোভিড-১৯ সংকট কাটাতে কাজ খুব কম হয়েছে। ধনী দেশগুলোকে এসব দরিদ্র দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
হু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রতিটি দেশের ১০ শতাংশ লোককে ভ্যাকসিন প্রদান সম্পন্ন করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল, তবে ৫৬ টি দেশে এই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। হু প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসিস বলেন, এ ক্ষেত্রে এসব দেশের নিজেদের কোন দোষ ছিল না।
সংস্থা বলেছে, প্রতিমাসে ১.৫ বিলিয়ন ভ্যাকসিন তৈরি করা হচ্ছে, অথচ এক সপ্তাহের কম সময়ের উৎপাদন দিয়ে এই ১০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যেতো।
হু প্রধান টেড্রোসের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “ভ্যাকসিন সরবরাহে বৈষম্য কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় প্রতিবন্ধক হয়ে রয়েছে।”
ফাইল ছবি: মাশরাফি বিন মুর্তজা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই কথা বলে আসছেন সাবেক ওয়ানডে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শুক্রবার একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেছিলেন, ‘বিসিবি প্রেসিডেন্ট বক্সে আসলে একজন ক্রিকেটারকে উলঙ্গ করা হয়। পুরো উলঙ্গ করা হয়। এটা উনারাও জানেন। উনারা অস্বীকার করতে পারবেন না। ওখানে আমাদের মানুষরাও থাকেন। ক্রিকেটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত, ভালো সম্পর্কের মানুষও থাকেন। আমরা শুনি।’
এবার আরেকটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বললেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে এমন মানুষ কারা আছেন, যে ক্রিকেট খুব বোঝে? কজন আছেন এরকম মানুষ, আপনি আমাকে দেখান। এমন মানুষও ড্রেসিং রুমে ঢুকে আমাদের অর্ডার করেন, আমাদের ক্যারিয়ারের ১০ বছর হওয়ার পরও যাদের আমরা ক্রিকেটে দেখিনি।
আমাদের সঙ্গে বোল্ডলি কথা বলে তারা। আমি তো ২০০১ সালের খেলোয়াড়। আতহার ভাই তখন অবসর নিলেন। এ ছাড়া সব সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে আমি খেলেছি, আকরাম ভাই, বুলবুল ভাই, মনি ভাই, রফিক ভাই, এমন কোনো ক্রিকেটার নেই, যাদের সঙ্গে খেলিনি। তখন থেকেই দেখে আসছি। যারা ক্রিকেট বোঝে, তারা অনেকেই নেই। যারা বোঝে, তাদের নিয়েও এমনিতে সমস্যা নেই।
বোর্ডের সুবিধায় যাকে খুশি নিতে পারে। কিন্তু তারা যখন বড় বড় কথা বলে, তাদের ছাড়া কাজ হবে না বলে, তাদের দেখে কষ্ট লাগে কী, এরা তো কোনোদিন ক্রিকেটই খেলেনি!’
‘তো কথা হচ্ছে, এই মানুষগুলো ড্রেসিং রুমে ঢোকে, মাঠে ঢুকে বা বিসিবিতে এমন ভাবে কথা বলে, তখন নিজের কাছে মনে হয়, নিজের জুতো বেঁধে গলায় ঝুলিয়ে হেঁটে বেড়াই। এ ছাড়া আর বলার কিছু থাকে না।
এই মানুষগুলি যখন আমাদের নিয়ে সমালোচনা করেন, তখন মনে হয়, ক্রিকেট না খেলে, তেলবাজি করে বেড়ালে আমার জীবনে অনেক ভালো কিছু হতো।’ সূত্র:বিডি প্রতিদিন