a
ফাইল ছবি
দিনাজপুরে বজ্রপাতে চার কিশোরসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার শেখপুরা ৮নং উপশহর এলাকায় এবং চিরিরবন্দর উপজেলার সুখদেবপুর এলাকায় এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপশহরের ৮নং ফুটবল মাঠে ফুটবল খেলছিলেন কিশোররা। এ সময় বৃষ্টিপাতের সাথে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যান। বাকিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে আরও ১ জন মারা যায়।
এছাড়া দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার সুখদেবপুর এলাকায় বাড়ির পাশে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়।
দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ওসি বলেন, আহতদের মধ্যে ২ জন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
ফাইল ছবি
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড় গ্রামের ধর্মীয় সাধক দেওয়ান শাগের শাহে্র (রহ.) মাজারের বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় মেলা। বাংলা সনের ১২ চৈত্র শাগের শাহে্র মৃত্যু বার্ষিকী ওরসের পাঁশাপাশি বসে এই মেলা। মেলায় মাজারের ভক্ত নারী পুরুষ ছাড়াও আশপাঁশের এলাকা থেকে কয়েক হাজার লোকের আনাগোনা হয়।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও তার ব্যতীক্রম ঘটেনি। হাজার হাজার লোকের আনাগোনায় মেলা তার পরিপূর্ণতা লাভ করে।
জানা যায়, প্রায় চারশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কাটাগড়ের দেওয়ান শাগির শাহ্ মেলা ১২ই চৈত্র শুক্রবার (২৬ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে। শুরু হওয়া তিনদিনের এই আয়োজন ১৪ চৈত্র শেষ হলেও এর রেশ থাকবে ১৫ দিনব্যাপি।
সাত দিনব্যাপী ব্যতিক্রমী এ মেলায় রকমারি পণ্য, নানা প্রজাতি আর হাতের কারুকাজ বিভিন্ন ধরনের পালঙ্গ দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ছে। মেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে পুরো এলাকায়।তবে সবকিছু ছাপিয়ে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে মেলায় বসা মিষ্টির দোকান ।
জানা গেছে, প্রায় ৫০০ বছর আগে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার কাটাগড় নামক এলাকায় আসেন দেওয়ান শাগের শাহ। তিনি ছিলেন একজন সাধক। আধ্যাত্মিক সাধক শাগের দেওয়ান এর শাহ মাজারে ওরসকে ঘিরে প্রতি বছর বাংলা ১২ চৈত্র থেকে সপ্তাহব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। খেলনা, বাতাসা, মুড়ি-মুড়কি, প্রসাধনী, কাঠের আসবাবপত্র, হাড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে সব কিছুই মিলবে এ মেলায়।
মেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউল আজম বাবু মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, কাটাগড় মেলা এই এলাকায় নাম করা একটি মেলা। মেলায় এক সময় ঘোড়া দৌঁড় হতো এখন আর তা হয় না। ১২ চৈত্র মেলা অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু ১২ চৈত্রর ৫-৬ দিন আগে থেকে মেলা শুরু হয়ে যায়। গত বছর করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বছর প্রশাসন থেকে এখনও কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি বলে তিনি জানান।
ফাইল ছবি
এই মাত্র পাওয়া খবরে জানা যায়, নিবন্ধনের পরও যারা করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পায়নি তাদের চীনের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতর। বিস্তারিত...