a
ফাইল ছবি
দিনাজপুরে বজ্রপাতে চার কিশোরসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার শেখপুরা ৮নং উপশহর এলাকায় এবং চিরিরবন্দর উপজেলার সুখদেবপুর এলাকায় এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপশহরের ৮নং ফুটবল মাঠে ফুটবল খেলছিলেন কিশোররা। এ সময় বৃষ্টিপাতের সাথে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যান। বাকিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে আরও ১ জন মারা যায়।
এছাড়া দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার সুখদেবপুর এলাকায় বাড়ির পাশে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়।
দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ওসি বলেন, আহতদের মধ্যে ২ জন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
ফাইল ছবি
কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্বেচ্ছায় পঞ্চম দফায় (প্রথম অংশ) ৪৫টি বাসে ৪৬২ পরিবারের দুই হাজার ৫৫৫ রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দিয়েছেন। ষষ্ঠ দফায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন আরও চার হাজারের বেশি। এর আগে মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রোহিঙ্গারা সপরিবারে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আসতে থাকেন। পরে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ৪৫টি বাসে চট্টগ্রাম রওনা হন। তারা রাতে চট্টগ্রামের বিএন শাহীন কলেজের ট্রানিজট ক্যাম্পে থেকে বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ভাসানচরে পৌঁছাবেন।
রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমডোর রাশেদ সাত্তার বলেন, ষষ্ঠ দফায় ভাসানচরে চার হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে স্বেচ্ছায় হস্তান্তর প্রস্তুতি রয়েছে। মঙ্গলবার দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে উখিয়া ত্যাগ করেছে।
কক্সবাজারের শরণার্থী কমিশনার কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দফায় ভাসানচরে গেছেন মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গা। এর আগে গত বছরের মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করা ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।
ফাইল ছবি
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় জমজমাট হয়ে উঠেছে চোরাচালান বাণিজ্য। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবাধে কয়লা, পাথর, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, কাঠ, চাল ও অস্ত্র পাচাঁর করছে। তারপরও সোর্সদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- প্রতিদিনির মতো আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকালে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ডলুরা সীমান্তের ধোপাজান-চলতি নদী দিয়ে ভারত থেকে নৌকা বোঝাই করে পাথর ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে চোরাচালানীরা। এই খবর পেয়ে দুপুরে বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৫ ঘনফুট পাথরসহ ১টি বারকি নৌকা জব্দ করে।
এর আগে মাছিমপুর সীমান্ত থেকে ১০ বোতল ও চিনাকান্দি সীমান্ত থেকে ১১ বোতল ভারতীয় মদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। কিন্তু চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
অন্যদিকে ভোরে ৫টায় তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের বাঁশতলা তেতুলগাঁও, লালঘাট ও বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা এলাকা দিয়ে সোর্স শফিকুল ইসলাম ভৈবর, রমজান মিয়া, খোকন মিয়া, শহিদুল্লাহ, বাবুল মিয়া ও ইয়াবা কালাম পৃথক ভাবে ভারত থেকে প্রায় ৫০ মে.টন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে। পরে ৩টি স্টিলের ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে প্রায় ১৮ মে.টন কয়লাসহ মদ, গাঁজা ও ইয়াবাসহ বরশির চিপ পাচার করে ওপেন নিয়ে যায়। আর বাকি মালামাল সীমান্তের বিভিন্ন বাড়িঘরের ভিতর ও তার আশেপাশে পানিতে লুকিয়ে রাখে।
পাচারকৃত প্রতি নৌকা (৬ মে.টন) কয়লা জন্য ৫ হাজার টাকা চাঁদা নেয় বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী শফিকুল ইসলাম ভৈরব, রমজান মিয়া ও ইয়াবা কালাম। সোর্সরা দপটের সাথে প্রতিদিন এভাবেই ওপেন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচার করে। কিন্তু বিজিবি এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয় না বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক তসলিম এহসান সাংবাদিকদের বলেন- জব্দকৃত মদ ও পাথরসহ নৌকা শুল্ক কার্যালয়ে জমা করার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।