a
সংগৃহীত ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে অন্তত ১৬ জন বরযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। আহতদের সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শিবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণপুর এলাকা থেকে পদ্মা চর নারায়ণপুরে বিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে ১৬ জন মারা গেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেছেন নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি এবং প্রত্যেকের লাশ উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল মোড় এলাকায় মার্কেট খোলার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় বিভিন্ন মার্কেটের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেন। বেলা ১১ থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা।
বিক্ষোভ অনুষ্ঠানে বিল্লাল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে দোকান খুলে দেওয়া হয়। নইলে ব্যবসায়ীদের না খেয়ে মরতে হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মাজহারুল ইসলাম বলেন, এ লকডাউন আমরা মানি না। গত বছর লকডাউনে আমরা ব্যবসায়ীরা বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমাদের দাবি না মানলে সামনে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে সুশৃংখলভাবে রাস্তা থেকে সরে যান। বিক্ষোভের আগে-পরে পুলিশের কোন উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি।
উল্লেখ্য, গতকাল মার্কেট খোলার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা।
ফাইল ছবি
ইভ্যালির ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য তিনটি পথ খোলা আছে। এর একটি হচ্ছে, ক্ষতিপূরণ চেয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের, দ্বিতীয়টি, দাবি আদায়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে অভিযোগ দিতে হবে। তৃতীয়, প্রতারণার জন্য বাংলাদেশ প্রতিযোগী কমিশনে অভিযোগ দিতে হবে গ্রাহকদের।
একই সঙ্গে তিনটি পথই তাদের অনুসরণ করতে হবে। ই-কমার্স সংক্রান্ত আলাদা কোনো আইন নেই। তাই বিদ্যমান আইনে তাদের সাজা এবং এই তিন কৌশলে টাকা ফেরত পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে রোববার সচিবালয়ে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ই-কমার্সে যারা প্রতারণা করবেন, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ইভ্যালির মতো আরও কয়েকটা প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, গ্রাহকদের টাকা ফেরত চেয়ে আদালতে আবেদন করতে হবে। বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে হবে। এরপর হয়তো আদালত বিবেচনায় নেবেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কেউ প্রতারিত হলে সে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করতে পারে। তবে এর আগে একটি আইন করা দরকার। কারণ ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে পৃথক কোনো আইন আমাদের দেশে নেই।