a বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর মৃত্যু
ঢাকা মঙ্গলবার, ৬ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর মৃত্যু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২১, ০৩:৩৯
বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর মৃত্যু

সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে অন্তত ১৬ জন বরযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। আহতদের সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

শিবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণপুর এলাকা থেকে পদ্মা চর নারায়ণপুরে বিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে ১৬ জন মারা গেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেছেন নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি এবং প্রত্যেকের লাশ উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভোলার চরফ্যাশনে অজ্ঞাতরোগে মহিষ মারা যাচ্ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৭
ভোলার চরফ্যাশনে অজ্ঞাতরোগে মহিষ মারা যাচ্ছে

ফাইল ফটো:

ভোলার দক্ষিণে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নে চর ইসলাম, চর ফারুকীসহ বিভিন্ন চরে অজ্ঞাত রোগে  মারা গেছে প্রায় অর্ধশত মহিষ। এখনো প্রায় অর্ধশতাধিক আক্রান্ত আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব চরে গবাদিপশু রয়েছে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার।

স্থানীয় পশু চিকিৎসক সাঈদ সিকদার জানান, সর্দি, পেট ফোলা, মুখ দিয়ে লালা পড়া ও খাবারে অনীহা দেখা দেওয়ার ছয় থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহিষ মারা গেছে প্রায় ৫০টি । যাদের মহিষ মারা গেছে তারা হলেন—চরমানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ আইচা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বারেক হাওলাদারের ১টি, চরমানিকা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুল হাওলাদারের ৬টি, মিনাল রায়ের ৮টি, রবি হাজারীর ৩টি, তপন বিশ্বাসের ৪টি, আলমের ৪টি, কাঞ্চন মাতুব্বরের ৪টি, মুনসুর মুন্সীর ৮টি, দক্ষিণ চর আইচা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাশু সর্দারের ৩টিসহ প্রায় ৫০টি মহিষ অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে।

এরা নদী শিকস্তি পরিবার। মনপুরা ও তজুমদ্দিন এবং চরফ্যাশনের মূল ভূখণ্ড থেকে নদীভাঙনের শিকার হয়ে নতুন করে বাঁচার জন্য আশ্রয় নিয়েছেন এরা এসব চরে। এ আকস্মিক ও ভয়ানক দুর্যোগ তাদের স্বপ্নকে বিলীন করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, এখনো মহিষ মারা যাওয়ার কারণ  আমরা শনাক্ত করতে পারেনি, তবে আমাদের পরীক্ষানিরীক্ষা চলমান আছে।

ভোলা জেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন মহিষ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বলেন , যে সমস্ত মহিষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি সেগুলো হয়তো মারা যাচ্ছে বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে। তিনি এ ব্যাপারে মহিষ মালিকেরা প্রাণিসম্পদ বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ১০:১৪
বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

ফাইল ছবি

কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে। রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএফইউজে ও ডিইউজে’র আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধ এ দাবি করেন।

গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিচার বিভাগকে মুক্তসাংবাদিকতার পক্ষে ভূমিকা নেয়া উচিত। তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালত আজ মুক্ত সাংবাদিকতার পক্ষে রায় দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো সংবিধান বিরোধী আইন বন্ধে আদালতের ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। 

সাংবাদিকরা গ্রেফতার হচ্ছেন এবং তারা বছরের পর জেল আছেন অথচ জামিন দেয়া হচ্ছে না।  দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন বলা হয়। কিন্তু কতটুকু স্বাধীন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারলে রুহুল আমিন গাজী মুক্তি পেতেন।

সমাবেশে বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, এ সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ গণমাধ্যম। আর সত্য হচ্ছে প্রধান শত্রু । সত্য প্রকাশের জন্য অনেক সাংবাদিককে আটক করে রাখা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক খুন হয়েছেন। মামলা-নির্যাতনে হয়রানি করা হচ্ছে।

রুহুল আমিন গাজীসহ সকল কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, মামলার মেরিট দেখে আর সংবিধান প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করে বিচার বিভাগ রায় দিলে এসব মামলা টিকতে পারে না। 

এ প্রসঙ্গে শওকত মাহমুদ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে প্রেস ফ্রিডম নেই। অথচ ওই দেশের বিচারপতিরা সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অনেক মামলার আসামিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাংবাদিক আটককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার মূল লক্ষ্য তাদের অপশাসনকে দীর্ঘায়িত করা। তিনি মুক্ত সাংবাদিকতা বিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সকল কালা কানুন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, কোনো সভ্যদেশে এমন ভয়ংকর আইন কল্পনাও করা যায় না। 

আমেরিকার সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয় মিডিয়ার স্বাধীনতা রক্ষায়। এতে বলা হয়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে এমন কোনো আইন কখনো মার্কিন কংগ্রেসে পাস করবে না। এরাই হলো সভ্য। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও সংশোধনী এনে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হোক।

বিএফইউজে মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ৭৫ পূর্বে সংবাদপত্র বন্ধ করে এবং নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে তৎকালীন সরকার নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ অবস্থান নিলেই রুহুল আমিন গাজীসহ কারাবন্দি সকল সাংবাদিকের মুক্তি সম্ভব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, এ সরকার অবৈধ। এ সরকার কর্তৃত্ববাদী। টিকে থাকার জন্য এ সরকার সব কিছু করতে পারে।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং শওকত মাহমুদসহ অন্যদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, রুহুল আমিন গাজী কিডনি সমস্যাসহ অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত। অথচ তার চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা নেই।

ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী, রফিকুল ইসলাম আজাদ সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজের সহসভাপতি মোদাব্বের হোসেন, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ খায়রুল বাশার, ডিইউজের সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের সহকারি মহাসচিব শহীদুল্লাহ মিয়াজী, ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য একেএম মহসীন, ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু, দেওয়ান মাসুদা, সাখাওয়াত হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদ আলম, দপ্তর সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ডিইউজের সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ আলী আসফার, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য জেসমিন জুঁই প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার ও কোষাধ্যক্ষ গাজী আনোয়ারুল হক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ