a
সংগৃহীত ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে অন্তত ১৬ জন বরযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। আহতদের সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শিবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণপুর এলাকা থেকে পদ্মা চর নারায়ণপুরে বিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে পদ্মা নদীতে বজ্রপাতে ১৬ জন মারা গেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেছেন নিবার্হী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি এবং প্রত্যেকের লাশ উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: গতকাল গোপালগঞ্চে এনসিপির কর্মসূচীতে নিষিদ্ধ দল ছাত্রলীগসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠন হামলা ও সভার মঞ্চ ভাংচুর ও আগুণ লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়াসহ নানান অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার কারণে গতকাল বুধবার রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে চলমান কারফিউ আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করে।
ইতিপূর্বে গতকাল বুধবার রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারির কথা জানিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গতকাল দুপুরে হামলার ঘটনার পর গোপালগঞ্জ জেলাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান।
প্রসঙ্গত, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির পূর্বনির্ধারিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। বুধবার দুপুরের পর অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে পালটাপালটি ধাওয়া শুরু হলেও পরে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, সাধারণ পথচারীসহ আহতের সংখ্যা কয়েকশ বলে জানা যায়। ঘটনার পর পুরো জেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।
ফাইল ছবি
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানের ভাড়াবাসা ‘ফিরোজা’র সামনের রাস্তার দুই দিকেই হঠাৎ করেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হঠাৎ করে রাত সাড়ে ৯টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর বাসভবনে (ফিরোজায়) অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এই রোডের দুই পাশেই চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
দুই মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে এবং বর্তমানে তিনি শর্তসাপেক্ষে কারাগারের বাইরে গুলশান-২ বাসা ফিরোজায় বসবাস করছেন। সূত্র: ইত্তেফাক