a
ফাইল ছবি
মাদারীপুরের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে কাঁঠালবাড়ি ঘাট (পুরাতন ফেরিঘাট) এলাকায় বালু বোঝায় কার্গোর সাথে স্পিডবোটের সংঘর্ষের হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন। নৌ পুলিশের টিম উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
কাঁঠালবাড়ি ঘাট নৌপুলিশের বরাতে জানা গেছে, আজ (সোমবার) সকাল পৌনে ৭টায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই করে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসছিল। সে সময় কাঁঠালবাড়ি ঘাট সংলগ্ন নদীতে নোঙর করে রাখা একটি বালুবোঝাই বাল্কহেডের সাথে দ্রুতগামী স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়।
খবর পাওয়ার সাথে সাথেই কাঁঠালবাড়ি নৌপুলিশ সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে তাই এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি
ঢাকা মহানগর পুলিশের ১৮ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (ফিন্যান্স) অতিরিক্ত দায়িত্বে অ্যাডিশনাল আইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি আদেশ দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে-যাত্রাবাড়ী থানার বিএম ফরমান আলীকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, শাহবাগ থানার মো. মোস্তাজিরুর রহমানকে বরিশালের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, তেজগাঁও থানার মোহাম্মদ মহসীনকে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, গুলশান থানার মো. মাজহারুল ইসলামকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, পল্টন থানার মনির হোসেন মোল্লাকে রংপুর রেঞ্জে বদলির আদেশ বাতিল করে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মতিঝিল থানার মো. আবুল কালাম আজাদকে পিরোজপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে ও পল্লবী থানার অপূর্ব হাসানকে ঠাকুরগাঁওয়ের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া মো. আবু সাঈদ আল মামুনকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বান্দরবানে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, আনিচুর রহমান মোল্লাকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের শেরপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কাজী মাইনুল ইসলামকে নেত্রকোনার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শেখ শাহানুর রহমানকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, আবু আনসারকে জামালপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মোহাম্মদ রিজাউল হককে সিলেটের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে এসবি ঢাকার বদলির আদেশ বাতিল করে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, কাজী আবুল কালামকে ঢাকা রেঞ্জে বদলির আদেশ বাতিল করে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, মুন্সী সাব্বির আহমদকে লালমনিরহাটের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মো. মাহাবুব রহমানকে গাইবান্ধার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, বিএম মশিউর রহমানকে রাঙামাটির এপিবিএন পিএসটিএস বেতবুনিয়ায় বদলি করা হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ঝিনাইদহ সদর পৌরসভার পবহাটি গ্রামের শিক্ষিত যুবক সোহেল রানা। আব্দুল খালেক ও আলেয়া বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড়। পিতার ৮ শতক জমির উপর বসতবাড়ি ছাড়া কিছুই ছিলো না। শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে একটি মুদি দোকান আছে তাদের। সেই আয় দিয়ে ৭ সদস্য’র সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন পিতা আব্দুল খালেক।
টানা পোড়েন সংসারে ২০০৮ সালে এসএসসি ও ২০১৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেও অসচ্ছলতার কারণে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালে বিএসএস কোর্স ও ২০১৮ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ কোর্স সম্পন্ন করেন।
পিতাকে সহযোগিতা করতে লেখাপড়ার পাশাপাশি ২০১২ সালে গ্রামের মাঠে ১০০ শতক জমি লিজ নিয়ে শুরু করেন পেঁপে চাষ। ৬ মাসের মধ্যে পেতে শুরু করেন সফলতা। ৩ বছরে ভালো ফলন পান তিনি। কিন্তু টাকার জন্য আবাদ বৃদ্ধি করতে পারছিলেন না। ২০১৫ সালে কৃষি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পুরোদমে শুরু করেন পেঁপের আবাদ। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কয়েক বছরে ভালো লাভ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ৭৫০ শতক জমিতে পেঁপের আবাদ করছেন। উৎপাদিত পেঁপে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাচাবাজারে পাঠান তিনি। আবাদ করে যা লাভ হয়েছে তা দিয়ে করেছেন বাড়ি, বোনদের বিয়ে দিয়েছেন। এখন তিনি স্বাবলম্বী। বর্তমানে প্রতিবছর তিনি ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করেন।
সোহেল রানা বলেন, ‘আমি এক সময় খুবই কষ্ট করেছি। অভাবের সংসারে ভালোমত লেখাপড়াও করতে পারিনি। তারপরও অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শেষ করেছি। এর মাঝেই পেঁপের আবাদ করি। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় আজ আমি পেঁপে চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। শুধু চাকরির পেছনে না ঘুরে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে চাষাবাদ করলেও ভাগ্য ফেরানো সম্ভব।’
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, সোহেল রানা বিভিন্ন জাতের পেঁপে আবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তাকে বিভিন্ন ভাবে আমরা সহযোগিতা করেছি। আগামীতেও যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার জন্যে এগিয়ে আসেন, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করা হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন