a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামালের ৭২ তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৫ আগস্ট সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস-চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফাহিমা ছাবুল, মোরেলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম।
এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খান, বীর মুক্তিযোদ্ধ মো. শাহআলম হাওলাদার সহ মোরেলগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার কুঠিবাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপন এবং করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সোনালী ব্যাংকের সি.এস.আর এর অর্থায়নে কোভিড ১৯ ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ২৫ পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে দুই হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান ও শহীদ শেখ কামালের রুহের মাগফিরত কামনায় বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থণা করা হয়।
ফাইল ছবি
লাভের আশায় খামারি ও ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার পশু বিক্রির জন্য ঢাকার হাটে নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রত্যাশিত দামে বিক্রি না হওয়ায় খামারি ও ব্যবসায়ীরা তাদের এসব পশু দেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু পথ ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পশু নিয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন উত্তরবঙ্গের খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার পশু বিক্রির জন্য নিয়েছিলেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে। করোনাভাইরাসের প্রভাবে মানুষের কাছে অর্থের সংকট থাকায় অনেকেই এবার কোরবানি দেননি। এজন্য গরুর চাহিদা কম ছিল। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে নেওয়া অর্ধেক গরুও বিক্রি হয়নি।
বুধবার ঈদের দিনেও অসংখ্য পশুবাহী ট্রাককে উত্তরবঙ্গে যেতে দেখা যায়। খামারি ও ব্যবসায়ীদের চোখে-মুখের দিকে তাকালে বোঝা যায়, কতটা হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর এলাকায় কথা হয় একাধিক খামারি ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তারা বলেন, এবার গরুতে লাভ হয়নি, ক্ষতি হয়েছে। হাটে ক্রেতা ও দাম কম থাকায় খুব বেশি পশু হয়নি। লকডাউনের কারণে ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও পকেটে টাকার অভাবে তারাও পশু কিনতে পারেননি।
টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল থেকেই পশুবাহী ট্রাক ফিরছে উত্তরবঙ্গে। ঈদের দিনেও সড়কে পশুবাহী ট্রাকের চাপ রয়েছে। বেশিরভাগ গাড়িগুলোই গরুবোঝাই রয়েছে।
ফাইল ছবি
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার অনুমতি দিচ্ছে না কেন? তিনি যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য যান সেখানে চিকিৎসায় ধরা পড়তে পারে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল কি না। বিদেশে উন্নত ল্যাবে এটা ধরা পড়তে পারে। এই কারণেই বেগম জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না।
শনিবার (১৯ আগস্ট) বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তার উন্নত চিকিৎসার দাবিতে ঢাকা জেলা বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির শুরুতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রিজভী এই অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, আমাদের ধারণা হয়, আশঙ্কা হয় বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যা করার অভিপ্রায়ে ২০১৮ সালে নির্বাচনের আগে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছিল। কারণ শেখ হাসিনার একতরফা নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে বড় ভয় ছিল খালেদা জিয়া। পথের কাটা দূর করতে, নির্বাচনি মাঠ শূন্য করতে রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করে, আইন আদালত ব্যবহার করে বন্দি করা হয়েছিল।
যে সুস্থ মানুষটি কারাগারের ভেতরে গেলেন, আজকে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কেন? কারণ, শেখ হাসিনার বিরাট চক্রান্ত খালেদা জিয়াকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। উনি এমন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী যে, এক দল থাকবে, এক নেত্রী থাকবে। কেউ কোনো সত্য উচ্চারণ করবে না। যে করবে সে গুমের শিকার হবে বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হবে। এই কারণেই বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখেছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে যে দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, সেটা তিনি নিজেই প্রমাণ করেছেন। তার নির্বাচনে বিরোধী দল থাকে জেলখানায়। নির্বাচনি মাঠ শূন্য করার জন্য একের পর এক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয় না। তাই নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন মাস্টার, তমিজ উদ্দিন, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু প্রমুখ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন