a ৫মে থেকে মালিক-শ্রমিকদের গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত
ঢাকা শুক্রবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৫মে থেকে মালিক-শ্রমিকদের গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০২ মে, ২০২১, ০৮:৫৬
৫মে থেকে মালিক-শ্রমিকদের গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত

ফাইল ছবি

চলমান লকডাউনের কারনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনের ব্যাপারে ৪মের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে ৫ মে থেকে গণপরিবহণ চালু করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণের মালিক-শ্রমিকেরা। 

চট্টগ্রামের  বিআরটিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ ২মে রবিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চলের সভাপতি বাবু মৃণাল চৌধুরীও বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহনের নেতারা গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণে বিভিন্ন সময়ের চিত্র তুলে ধরেন। লকডাউনে শুধু গণপরিবহণ বাদে কলকারখানা, শপিংমলসহ সব প্রতিষ্ঠান খুলে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে এবং গণপরিবহণ চালু না থাকায় মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে  মোটরসাইকেল, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে  গাদাগাদি করে যাত্রীরা যাতায়াত করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে লকডাউনের কারনে লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে বসে আছে। এতে তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হাঁটার রাস্তার দু'পাশে আইলবাতর কাঁটার কারণে চলাচলে ভীষণ দূর্ভোগ!


বিশেষ প্রতিনিধি, সরিষাবাড়ি
শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৩০
হাঁটার রাস্তার দু'পাশে আইলবাতর কাঁটার কারণে চলাচলে ভীষণ দূর্ভোগ!

রাস্তাটির খন্ডিত ছবি

 

সরিষাবাড়ি প্রতিনিধিঃ সরিষাবাড়ি ৪ নং আওনা ইউনিয়নের স্থল প্রাইমারী স্কুল থেকে প্রায় ১০০ গজ দক্ষিণ-পশ্চিমে রাস্তাটি গ্রামের কিছু অসৎ লোকের কারণে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার পার্শ্বে জমির মালিকরা আইলবাতর কেঁটে ছেটে ফেলার কারণে রাস্তার প্রশ্বস্থতা কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে ভীষণ কষ্ট হয়।

বিশেষ করে, ঝড়-বৃষ্টির সময় এই রাস্তা দিয়ে মানুষ একেবারেই চলাচল করতে পারেনা। গ্রামের মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ লাগবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইতিমধ্যে রাস্তাটি কিছু চওড়া করতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা, উক্ত রাস্তার পাশে একজন ব্যতিক্রমধর্মী জমির মালিক ও ৪ নং আওনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি বেল্লাল  হোসেনের বিয়াইন ও মহিলা লীগ নেত্রী জমিলা বেগমের কারণে। মহিলা লীগ নেত্রী জমিলা বেগম তার লোকজন, সাবেক চেয়ারম্যান বেলালের দাপটে সবাইকে ধরাকে সরা জ্ঞান করে। প্রতিবছর রাস্তার পাশ কেটে রাস্তাটি ছোট করার কারণে গ্রামের শত শত মানুষের চলাচলে দারুণ বিঘ্ন ঘটে।

তাই রাস্তাটি সংস্কারে দেড় লক্ষ টাকা অনুদানটি যেন বাতিল না হয় এবং এলাকার মানুষের চলাচলে সমস্যা সমাধানে এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

অত্র এলাকার জন-সাধারণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, উপরোক্ত সমস্যাগুলো সমাধানকল্পে প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে, রাস্তাটি সংস্কারের দেড় লক্ষ টাকার অনুদানটি কাজে লাগিয়ে রাস্তার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা হোক।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কারিগরি ত্রুটিতে আবারও বন্ধ রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৪ জুলাই, ২০২৩, ০১:০৫
কারিগরি ত্রুটিতে আবারও বন্ধ রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

ফাইল ছবি

কয়লাসংকট কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই গত শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে কেন্দ্রটির ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়। ত্রুটি সনাক্তের পরপরই উৎপাদন বন্ধ করে দেন প্রকৌশলীরা। বর্তমানে মেরামতকাজ চলছে। ঠিক হতে আরো তিন দিন সময় লাগতে পারে। এর আগেও বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়া এবং কুলিং হিটারে ছিদ্রসহ কিছু কারিগরি কারণে একাধিকবার কেন্দ্রটি বন্ধ হয়েছে। তবে কয়লা নিয়ে আপাতত কোনো সংকট নেই।

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল)। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি)  সমান মালিকানা রয়েছে। 

কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে সমান ৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে গঠিত বিআইএফপিসিএল। এর নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল)। ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ভারতের এক্সিম ব্যাংক।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ একরামুল্লাহ জানান, ইন্সপেকশন ও মেইনটেন্যান্সের কাজের জন্য ৩০ জুন রাতে আমরা উৎপাদন বন্ধ করেছি। ৪, ৫ অথবা ৬ জুনের দিকে আবারও উৎপাদন শুরু করা যাবে।

বিআইএফপিসিএল সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ঐ দিনে গ্রিডে ৯১ দশমিক ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কেন্দ্রটি। তবে বেশি দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন রাখা যায়নি। গত ২৪ অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাত থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। প্রায় এক মাসশেষে গত ২৪ নভেম্বর পুনরায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। 

ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টার (এনএলডিসি) রিলায়েবিলিটি রান টেস্টের অনুমোদন দেয় ১১ ডিসেম্বরে। ১৭ ডিসেম্বরে এতে পূর্ণ সক্ষমতায় অর্থাত্ ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রথম উৎপাদিত হয়। কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারবে কি না তা যাচাইয়ের জন্য টানা ৭২ ঘণ্টা ফুল লোডে চালু রেখে যাচাই করার শর্ত ছিল। ১৯ ডিসেম্বর  রাত ১২টা থেকে ২৩ ডিসেম্বর রাত ৪টা পর্যন্ত পূর্ণ সক্ষমতায় টানা ৯০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে কেন্দ্রটি। দ্বিতীয় ইউনিট এখনো উৎপাদনে আসেনি। সরকারের ফাস্ট ট্র্যাকে থাকা নির্মাণ প্রকল্পটির কাজ ২০১৮ সালে শেষ করার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - সারাদেশ