a
ফাইল ছবি
চলমান লকডাউনের কারনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনের ব্যাপারে ৪মের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে ৫ মে থেকে গণপরিবহণ চালু করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণের মালিক-শ্রমিকেরা।
চট্টগ্রামের বিআরটিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ ২মে রবিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চলের সভাপতি বাবু মৃণাল চৌধুরীও বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহনের নেতারা গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণে বিভিন্ন সময়ের চিত্র তুলে ধরেন। লকডাউনে শুধু গণপরিবহণ বাদে কলকারখানা, শপিংমলসহ সব প্রতিষ্ঠান খুলে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে এবং গণপরিবহণ চালু না থাকায় মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে মোটরসাইকেল, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে গাদাগাদি করে যাত্রীরা যাতায়াত করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে লকডাউনের কারনে লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে বসে আছে। এতে তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে "ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক নাগরিক সংলাপ ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাইদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
নাগরিক সংলাপে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মনজু, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, রিহ্যাবের পরিচালক ড. মো: হারুন অর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নুর মোহাম্মদ আজমী, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ড. আহমেদ কামারুজ্জামান মজুমদার, ফেনী সমিতি ঢাকার সহ সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন সাঈদ, স্টার লাইন গ্রুপের পরিচালক মাইন উদ্দিন, ইসলামী ব্যাংকের সিএফও আবদুর রহিম, বিশিষ্ট সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন ফয়সাল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারুফ ফাহিম ও পরিষদের লিয়াজো সমন্বয়ক মু. আবিদুর রহমান আবেদ। নাগরিক সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিষদের মুখপাত্র ওমর ফারুক।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ এখন সময়ের দাবি। এটি এখন কোন জেলাভিত্তিক ইস্যু নয়, এটা জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় উন্নয়নের জন্য করা জরুরী।
মজিবুর রহমান মনজু বলেন, ফেনীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ না হওয়ার পিছনে রাজনৈতিক কারণই বড় কারণ। তাই পলিসি লেভেলে যোগাযোগ এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এই দুটি প্রতিষ্ঠান আমরা বাস্তবায়ন করবো।
গাজী মানিক বলেন, ফেনীর মানুষের অনেক দিনের এই আকাংখা বাস্তবায়নের এখনই উপযুক্ত সময়। তাই সকলকে সাথে নিয়ে আমরা এই দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করবো। প্রয়োজনে এর জন্য আবার ফেনীর মানুষকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামবো।
ড. আহমেদ কামারুজ্জামান বলেন, ফেনীর বন্যার সময় আমরা একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক মিস করেছি। সকল বড় ইস্যুতে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যে ভুমিকা পালন করতে পারে, তা অন্য কিছু দিয়ে কাভার করা যায়না।
ড. হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা এখন সবকিছুকে বাদ দিয়ে এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে কাজ করতে হবে। এখনই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ করার উপযুক্ত সময়।
মাইন উদ্দিন বলেন, মেডিকেল কলেজ আমাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা নিরলস কাজ করে যাবো।
সাইদুল ইসলাম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষা নয়। পাশাপাশি উন্নয়নের বিকেন্দ্রীকরণ, ভু-রাজনৈতিক কারন ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের স্বীকৃতির জন্যও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অপরিহার্য।
এছাড়াও সংলাপে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, ডুসাফ সভাপতি সাজিন চৌধুরী, ছাত্রদলের ফেনী জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজুমদার রশিদ, ফয়জুল্লাহ নোমানী, রফিকুল ইসলাম কিরন, আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সাংবাদিক আবদুল্লাহ প্রমুখ।
ফাইল ছবি
বায়তুল মোকাররম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের জিমনেসিয়াম মাঠে শান্তি সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে আগারগাঁওয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পুরনো মাঠে সমাবেশের সিদ্ধান্ত নিল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ। তবে মাঠ প্রস্তুত না থাকায় বৃহস্পতিবারের বদলে শুক্রবার সমাবেশ করবে জানায় তারা।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া জানান, আগারগাঁওয়ের বাণিজ্য মেলা মাঠটি সমাবেশের জন্য উপযোগী না হওয়ায় সমাবেশ একদিন পিছিয়ে শুক্রবার করা হবে।
প্রথমে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সংগঠন। শুরুতে তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হলেও পরে মানা করা হয়।
ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম মাঠে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়। প্রক্টরিয়াল বডি এ নিয়ে বৈঠকেও বসে কিন্তু পরে শান্তি সমাবেশ আগাঁরগাওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে আয়োজনের কথা জানানো হয়।
একই দিনে রাজধানীতে আওয়ামী লীগের এই তিন সংগঠনের শান্তি সমাবেশ ছাড়াও বিএনপির মহাসমাবেশ রয়েছে। ফলে শুক্রবার ঢাকার রাজপথে বড় দুই দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: ইত্তেফাক