a
ফাইল ছবি
পাকিস্তানের জার্সি গায়ে ১৬৭ টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে অংশ নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। তিন ফরম্যাটে ২৫৯ উইকেট নিয়েছেন এই কয়েক মাস আগে পাকিস্তানি পেসার দলের প্রধান কোচ মিসবাহ ও ওয়াকারের সাথে অভিমান করে হুট করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটক থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। আগে থেকেই লাল বলে খেলার আগ্রহ নেই বলে জানিয়েচজেন আমির। ৩৬ টেস্টে ১১৯ উইকেট শিকার করা করেছেন আমির।
এজন্য বেশ কটু মন্তব্য শুনতে হয়েছিল তৎকালীন প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুসের কাছ থেকে। ফলে সাদা বলেও না খেলার সিদ্ধান্ত নেন।
২৯ বছর বয়সে জনপ্রিয় এই বোলারের সিদ্ধান্ত বেশ নাড়া দিয়েছিল ভক্তদের। তবে পাকিস্তানের কোচের পদ থেকে ওয়াকার মিসবাহর পদত্যাগের পর পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট আবারো পাকিস্তানের জার্সিতে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আমির।
ডেইলি পাকিস্তান জানিয়েছে আমির বলেছেন, ‘আমি জাতীয় দলে খেলার জন্য প্রস্তুত আছি।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে এখন আনুষ্ঠানিক বার্তা আসেনি। এদিকে কোচিং স্টাফের দুই প্রধান ব্যক্তির পদত্যাগের দিনই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করে পাকিস্তান। যদিও জিও টিভি বলছে ঘোষণা করা দল পছন্দ হয়নি অধিনায়ক বাবর আজমের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে আজম খান ও শোয়েব মাকসুদ রয়েছেন। এতেই নাখোশ বাবর।
অন্যদিকে স্ট্যান্ড-বাই তালিকায় রাখা হয়েছে ফখর জামান, উসমান কাদির ও শাহনাওয়াজ ধাহানির নাম। বাবর আজমের অধিনায়কত্বে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও এ স্কোয়াড খেলবে। ২৫ সেপ্টেম্বর লাহোরে শুরু হবে, নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজ।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সাকলাইন মুস্তাক ও আব্দুর রাজ্জাক।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান দল: বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ অধিনায়ক), আসিফ আলি, আজম খান, হারিস রউফ, হাসান আলি, ইমাদ ওয়াসিম, খুশদিল শাহ, মোহম্মদ হাফিজ, মোহম্মদ হাসনাইন, মোহম্মদ নাওয়াজ, মোহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহিনশাহ আফ্রিদি, শোয়েব মাকসুদ। রিজার্ভ - ফকর জামান, শাহনাওয়াজ দাহানি, উসমান কাদির।
ফাইল ছবি
চলতি বিপিএলে কয়েকটি ঝড়ো ইনিংস খেলা পাকিস্তানি ব্যাটার ইফতিখার আহমেদ দেশে ফিরে গিয়ে আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠলেন। একটি প্রদর্শনী ম্যাচে খুনে ব্যাটিংয়ে ওয়াহাব রিয়াজের ওভারের ৬ বলই ছক্কা হাঁকালেন বিস্ফোরক এই ব্যাটসম্যান।
শেষ ওভারের আগে ইফতিখারের রান ছিল ৪৪ বলে ৫৮। ইনিংস শেষে যখন তিনি অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ছেন, তার নামের পাশে তখন জ্বলজ্বল করছে ৫০ বলে ৯৪ রান। তার নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে ১৮৪ রানের পুঁজি গড়ে কোয়েটা।
ম্যাচটি স্বীকৃতি কোনো টি-টোয়েন্টি না হলেও রেকর্ডের খাতায় থাকবে না ইফতিখারের নাম। স্বীকৃতি টি-টোয়েন্টিতে ৬ বলে ৬টি ছক্কা মারার কীর্তি আছে পাঁচ জনের-যুবরাজ সিং, রস হোয়াইটলি, হজরতউল্লাহ জাজাই, লিও কার্টার ও কাইরন পোলার্ড।
চলমান বিপিএলে ইফতিখার ফরচুন বরিশাল হয়ে এবং ওয়াহাব খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছিলেন। পেশাওয়ার-কোয়েটার এই প্রদর্শনী ম্যাচটি খেলতে দেশে ফেরেন পাকিস্তানের আরও কয়েকজন।
ইফতিখার অবশ্য কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে আগামী মঙ্গলবারের ম্যাচটি খেলতে আবারও যোগ দেবেন বরিশাল শিবিরে। এরপর ফের দেশে ফিরে যাবেন তিনি। আগামী বুধবার পর্যন্ত পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারবেন কর কর্মকর্তারা।
আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে সে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কর কর্মকর্তাদের।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের যে আয়কর নির্দেশিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, তাতে রিটার্ন জমা না দিলে পাঁচ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো পরিষেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
আয়কর নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে করদাতার যেসব বিষয়ের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, সেগুলো হলো—১. আয়কর আইনের ২৬৬ ধারা অনুসারে জরিমানা, ২. ১৭৪ ধারা অনুসারে কর অব্যাহতির ক্ষেত্র সংকোচন, ৩. মাসিক ২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর পরিশোধ, ৪. পরিষেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া ও ৫. বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে জটিলতা ইত্যাদি।
অর্থাৎ করযোগ্য আয় থাকার পরও যদি কোনো করদাতা রিটার্ন জমা না দেন তাহলে কর কর্মকর্তারা চাইলে ওই ব্যক্তির বাসাবাড়ি কিংবা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস-বিদ্যুৎসহ পরিষেবার লাইন কেটে দিতে পারেন। একই সঙ্গে বেতন-ভাতাতি প্রাপ্তিতে অসুবিধা তৈরি হতে পারে।
রিটার্ন জমা দেবে কারা:
দুই শ্রেণির কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীদের (টিআইএন) আয়কর রিটার্ন দিতে হয়। তারা হলেন যাদের করযোগ্য আয় বছরে সাড়ে তিন লাখ টাকা পেরিয়ে গেছে।
অপর শ্রেণি হলো যাদের আয়কর রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক। এখানে বলা প্রয়োজন, ৩৯ ধরনের সেবা নিতে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দেখাতে হয়।
এনবিআর জানায়, কোনো ব্যক্তি করদাতা ই–রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্ট যৌক্তিকতাসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তিনি কাগুজে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
গত বছর সীমিত আকারে ব্যক্তি করদাতাদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হলে ১৭ লাখের বেশি ব্যক্তি করদাতা অনলাইনে ই–রিটার্ন দাখিল করেন।
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিজেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই–রিটার্ন দাখিলের রসিদ প্রিন্ট নিতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখপূর্বক স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্তি স্বীকার ও আয়কর সনদ প্রিন্ট করতে পারেন। সূত্র: যুগান্তর