a মোহামেডান জিতল সাকিবকে ছাড়াই
ঢাকা বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মোহামেডান জিতল সাকিবকে ছাড়াই


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ০৪:০৭
মোহামেডান জিতল সাকিবকে ছাড়াই

ফাইল ছবি

বিকেএসপিতে আজ (রোববার) সাকিবকে ছাড়াই ওল্ড ডিওএইচএসের মুখোমুখি হয়েছিল মোহামেডান। এ খেলায় বৃষ্টি আইনে ৯ রানে জয় পায় সাদাকালোরা। ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ইরফান শুক্কুরের ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে স্কোর বোর্ডে ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায় মোহামেডান। এছাড়া ৫ রান আসে পেনাল্টি থেকে। 

এরপর ওল্ড ডিওএইচএসের ইনিংসের ১৪তম ওভারে বৃষ্টি নামলে তাদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১২৫ রান। যেখানে ১১৫ রানে থামে ওল্ড ডিওএইচএসের ইনিংস। এতে ৯ রানে জয় পায় মোহামেডান।
 
প্রসঙ্গত, ডিপিএলের আগে সাত রাউন্ডের মধ্যে নিজেদের প্রথম ৩ ম্যাচে টানা জয় পায় মোহামেডান। এরপর টানা তিন ম্যাচে হয় হার। তারপর সপ্তম রাউন্ডেই বাধে বিপত্তি। তবে আবাহনীর বিপক্ষে সাকিব কাণ্ডের পরেও জয় তুলে নেয় সাদাকালোরা। সে ম্যাচের পরেই নিষিদ্ধ হন সাকিব। আজ তারা ওল্ড ডিওএইচএসের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নামে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৪৯ রানে আউট হওয়ায় প্রতিপক্ষকে ব্যাট দিয়ে মাথায় আঘাত!


ক্রীড়া ডেস্ক:
সোমবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৫
৪৯ রানে আউট হওয়ায় প্রতিপক্ষকে ব্যাট দিয়ে মাথায় আঘাত

ফাইল ছবি

বয়স মাত্র ২৩ বছর। নাম সঞ্জয় পালিয়া। ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে ব্যাট হাতে স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টে খেলছিলেন। নিজের ৪৯ রানের মাথায় হঠাৎ আউট হয়ে যান। সহজ বলে ক্যাচ তুলে দেন পালিয়া। বিপক্ষ দলের ২৩ বছর বয়সী তরুণ শচীন পরাসর সহজেই ক্যাচটি তালুবন্দি করেন।

এরপরই আউট হয়ে যাওয়ায় রাগে শচীনের দিকে তেড়ে যান পালিয়া। শচীনকে ব্যাট দিয়ে মারতে শুরু করেন তিনি। মাথাতেও সজোরে আঘাত করেন তিনি। 

মাঠেই লুটিয়ে পড়েন শচীন। এরপর সতীর্থরা এসে তাকে উদ্ধার করলে মাঠ থেকে পালিয়ে যান ঘাতক ব্যাটসম্যান সঞ্জয় পালিয়া। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আহত ক্রিকেটার শচীন পরাসরকে। পলাতক পালিয়ার খোঁজে রীতিমত তল্লাসি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে অজ্ঞান হয়ে আছেন শচীন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসলামপুর, জামালপুরের কাঁসাশিল্প বিলুপ্তির পথে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১৯ আগষ্ট, ২০২২, ০৫:৫৮
ইসলামপুর, জামালপুরের কাঁসাশিল্প বিলুপ্তির পথে

ফাইল ছবি

বিলুপ্তির পথে ইসলামপুর, জামালপুর জেলার কাঁসাশিল্প। উপজেলার দরিয়াবাদ গ্রামের এ শিল্পটি এক সময় বিশ্ব জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিল। তত্কালীন ব্রিটিশ সরকার ১৯৪২ সালে লন্ডনের বার্মিংহামে সারা বিশ্বের হস্তশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। সেই প্রদর্শনীতে ইসলামপুরের প্রয়াত কাঁসাশিল্পী জগত্চন্দ্র কর্মকারের কারুকার্যখচিত কাঁসার কাজ বিশ্বখ্যাত শিল্প হিসাবে স্বর্ণপদক লাভ করেছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিল্পটি এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

বাংলায় এ মিশ্র ধাতব শিল্পটি কখন কোথায় কীভাবে শুরু হয়েছিল সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন উল্লেখ না থাকলেও ইতিহাসবিদদের মতে দেশে সর্বপ্রথম ঢাকার ধামরাই এলাকায় কাঁসার শিল্পীরা এসে বসতি স্হাপন করে কারখানা গড়ে তোলেন। কালক্রমে নানা কারণে তারা দেশের বিভিন্ন স্হানে ছড়িয়ে পড়েন।

কাঁসাশিল্পীরা তাদের পেশাগত জীবন পারিবারিকভাবে গড়ে তোলার কারণে একই পাড়া-মহল্লায় বসবাস করতেন। তাই তাদের বসবাসকারী এলাকা কাঁসারি পাড়া নামে পরিচিতি লাভ করে। কাঁসা মূলত একটি মিশ্র ধাতু। তামা ও টিন দিয়ে এটি তৈরি হয়ে থাকে। তবে এই মিশ্রনের ওপর নির্ভর করে শিল্পের স্হায়িত্ব, মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা। বিষয়টি কারিগর সম্প্রদায়ের অতি গোপনীয় বিষয় বলে জানিয়েছে।

স্হানীয় একটি কাঁসা কারখানার মালিক উত্তম কুমার কর্মকার বলেন, শিল্পটি বাঁচিয়ে রাখতে মসলিন শিল্পের মতো সরকারি সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন। বিশেষ করে টিন (রাং) মালেশিয়া থেকে আমদানি করতে হয়। পাশাপাশি স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্হা করে উত্পাদিত কাঁসার পণ্য বহির্বিশ্বে বাজারজাত করতে হবে। কাঁসাশিল্পী লাল মিয়া, শরিফ উদ্দিন, সাহেব আলী, অবিজল এনামুল হক জানান, উত্পাদিত পণ্য কম বিক্রির কারণে কারখানার মালিকগণ স্বল্পসংখ্যক পণ্য তৈরি করে থাকেন। দৈনিক ৫০০ টাকা বেতনে তাদের পোষায় না।

ইসলামপুরের কাঁসাশিল্প সমিতির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক অঙ্কনচন্দ্র কর্মকার জানান, তারা বংশগত ঐতিহ্য এবং পেশাগত দিক থেকে এই শিল্পটি ধরে রেখেছেন। বর্তমানে তামা ও টিনের দাম অত্যধিক বেশি। তাই ১ কেজি কাঁসা তৈরিতে খরচ পড়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বিক্রি করতে হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা।

প্লাস্টিক-মেলামাইনের তৈজসপত্রের ভিড়ে ক্রেতারা এত উচ্চমূল্যের কাঁসার তৈজসপত্র কিনতে চান না। এ কারণে কারিগরদের সঠিকভাবে বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই তাদের বর্তমানে দুর্দিন চলছে। অনেকেই বাঁচার তাগিদে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ শিল্পটিও মসলিন শিল্পের মতো বিলীন হয়ে যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক

শিল্প সংশ্লিষ্টদের আবেদন, কাঁচামালের দাম কমিয়ে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্হা করলে শিল্পটি ধরে রাখা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে স্হানীয় সংসদ সদস্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ কাঁচামাল আমদানির ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উদ্যোগ নিলে শিল্পটি বিলুপ্তি থেকে রক্ষা পাবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর