a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে চলমান ৫ ম্যাচ টিটুয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে আজ টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখতে আজকেও একই একাদশ নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ তবে আজ ও বরাবরের মত ব্যর্থ ওপের সৌম্য সরকার, আজ ব্যক্তিগত খাতায় যোগ করতে পেরেছে মাত্র আট রান। এরপর কিছুটা ধীর গতিতে ব্যাটিং করতে থাকেন নাইম শেখ দলীয় ৪৮ রানে সাকিব ফিরে গেলে এর পর আর কেউ দলের হার ধরতে পারেনি সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ২৮ রানের মন্থর ইনিংস খেলেন নাইম শেখ শেষ দিকে শেখ মাহাদির ১৬ বলে ২৩ রান না হলে শত রান ও করতে পারতো না বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে মাত্র ১০৪ রান যোগ হয় বাংলাদেশের খাতায়।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ম্যাথু ওয়েডের উইকেট হারায় সফরকারীরা তারপর সতর্ক ব্যাটিং করতে থাকে অজিরা ওয়ানডাউনে নামা ক্রিসচিয়ান সাকিবের এক ওভারে ৫টি ছক্কা মেরে সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন তারা। যদিও আজ মুস্তাফিজুর রহমানের চোখ ধাধানো বোলিং হার ঠেকাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত এক ওভার বাকি থাকতে ৩ উইকেট হাতে রেখেই সফরের প্রথম জয় তুলে নেয় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড করেছেন সাকিব ৪ ওভারে দিয়েছেন ৫০ রান মূলত সেখন থেকেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
স্কোরকার্ডঃ
বাংলাদেশঃ ১০৪/৯ (নাইম ২৮, মাহাদি ২৩, সুইপ্সন ৩/১২, টাই ৩/১৮)
অস্ট্রেলিয়াঃ ১০৫/৭( ক্রিসচিয়ান ৩৯, এশটন আগার ২৭ মুস্তাফিজ ২/৯, মাহাদি ২/১৭)
ফাইল ছবি
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১২ বলে ২৭ রান তুলে দলকে জয় উপহার দিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন আসিফ আলি। এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র সাত বলে তুললেন ২৫ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বে আফগানদের পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান।
শুক্রবার (২৯) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিদায় নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১০ বলে ৮ রান তুলেন। ৪৭ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন বাবর আজম। ২৫ বলে ২০ রানের তুলেন ফখর জামান। মোহাম্মদ হাফিজ ১০ বলে ১০ রান তুলেন। ১৫ বলে ১৯ রান করেন শোয়েব মালিক।
শোয়েবের পর ১৩ বলে ২৪ রানের প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। শাদাব খান এক বল খেললে ওভার শেষ হয়। স্ট্রাইকে যান আসিফ প্রথম, তৃতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে ছক্কা মারেন এই লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটার। ছয় বল বাকি থাকতেই জয় পায় পাকিস্তান। আসিফের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন এক বলে রান করতে না পারায় শাদাব খান।
ফাইল ছবি
অন্য সব বছরে অক্টোবর মাস আসলে ডেঙ্গুর দাপট কমে এলেও এ বছর উল্টো বাড়ছে। মশারিতে ঘেরা ডেঙ্গু রোগীতে ভরে উঠছে হাসপাতালগুলো। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হার তিন দিন ধরে নিম্নমুখী রয়েছে।
গতকাল সারা দেশে ২৭৮ জন করোনা রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে গত এক দিনেই ৬৭৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রাণ গেছে চারজনের। আর মোট ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৪৯৩ জন, যা হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা রোগীর প্রায় ৯ গুণ।
এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বাংলাদেশ গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণত সেপ্টেম্বরের পর ডেঙ্গু মশার উপদ্রব কমে আসে। এ জন্য আমরা আগস্ট-সেপ্টেম্বরে মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানোর পরামর্শ দিয়ে থাকি। এবার দেরিতে বৃষ্টি হওয়ায় অক্টোবরেও ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে। এটা পুরো মাসই বাড়বে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হটস্পট ম্যানেজমেন্ট করতে হবে। আমরা রাজধানীর হাসপাতালে আসা ডেঙ্গু রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন হটস্পট চিহ্নিত করেছি। এর মধ্যে ১ নম্বরে আছে মিরপুর, ২ নম্বরে উত্তরা, ৩ নম্বরে মুগদা ও ৪ নম্বরে আছে ধানমন্ডি। এ ছাড়া কেরানীগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুর এলাকায়ও ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে। এসব স্থান থেকে সর্বাধিক রোগী হাসপাতালে আসছেন। হটস্পটগুলোতে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালিয়ে উড়ন্ত এডিস মশা মেরে ফেলতে হবে। সেই সঙ্গে জনগণকেও সচেতন ও ডেঙ্গুবিরোধী কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল। বছরের প্রথম দিনে ৪ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। জানুয়ারিতে ভর্তি হন মোট ১২৬ জন। তবে ১২৫ জন সুস্থ হওয়ায় ১ ফেব্রুয়ারি ভর্তি ছিলেন ১ জন। এপ্রিল পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। এই তিন মাসে হাসপাতালে মোট ভর্তি হন ৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী।
মে মাস থেকে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে থাকে। মে মাসে ১৭২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। জুনে ৭৫০ জন, জুলাইয়ে ১ হাজার ৬৩৬ জন, আগস্টে ৩ হাজার ৬১০ জন, সেপ্টেম্বরে ১০ হাজার ৩৭০ জন ও অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনেই ৫ হাজার ১৪৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চলতি বছর প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ২১ জুন। গতকাল পর্যন্ত মোট প্রাণ হারিয়েছেন ৭৪ জন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন