a
ফাইল ছবি
রাজধানীর ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ব্যাংকের ওই শাখার ক্যাশ ইনচার্জসহ দুজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৮ জুন) সকালে বংশাল থানার ডিউটি অফিসার মাসুম বিল্লাহ বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, বৃহস্পতিবার রাতেই টাকা উধাওয়ের বিষয়টি বুঝতে পারে ব্যাংকের ওই শাখার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে ক্যাশ ইনচার্জসহ দুই কর্মকর্তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। দুই ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন- রিফাত ও ইমরান। এ ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি।
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
৪ জুলাই পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টের কাছ থেকে নেওয়া ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে টাকা আত্মসাৎ কিংবা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ডাব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ইভ্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে যেসব বিষয় ওঠে এসেছে আমরা সেগুলোই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি। ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রতিযোগিতা কমিশন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরেও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।
ইভ্যালির কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা।
সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ২৮ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এএন-২৬ নামের উড়োজাহাজটি দেশটির পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়।
বার্তা সংস্থা তাস ও ইন্টারফ্যাক্স দেশটির আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়া সময় উড়োজাহাজটির কামচাটকায় কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
উড়োজাহাজটিতে ৬ জন ক্রু এবং ২২ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে দুইজন শিশুও রয়েছে। এদিকে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ব্যাপারে দেশটির কর্মকর্তাদের মধ্যে দুই ধরণের মত পোষণ করেছে। একটি সূত্র জানায়, উড়োজাহাজটি সমুদ্রে বিধ্বস্ত হতে পারে। আবার অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে, এটি পালানা শহরে অবস্থিত একটি কয়লা খনিতে অবতরণ করেছে।
এদিকে দেশটির উদ্ধারকর্মীরা কমপক্ষে দু’টি হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। পাশাপাশি আরও উদ্ধারকর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।