a
ফাইল ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ককটেল বানানোর সময় দুই রোহিঙ্গাকে আটক করেছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাকু, লাল স্কচটেপ, কাঁচি, রেক্সিন ও ৯টি ককটেল-সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজার ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।
আটককৃত ওই দুই রোহিঙ্গা নাগরিকরা হলেন উখিয়া বালুখালী ক্যাম্প-১৮-এর মৃত নুর হোসেনের ছেলে মো. শাহীন (২২) ও নুর হোসেনের ছেলে মো. সাহেদ (১৮)।
কক্সবাজার ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক তারিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বুধবার (১৪ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ শামলাপুর এপিবিএন ক্যাম্পের অফিসার ও ফোর্সের নেতৃত্বে ক্যাম্প-২৩ (শামলাপুর) এ/৪ ব্লকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
ফাইল ফটো
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক অবরোধ করে সামান্য ধুলাবালি থেকে রক্ষা পেতে পানি ছিটিয়েছে নৌ বাহিনীর সদস্যরা। তীব্র যানজটে আটকা পড়ে পথচারীরা কষ্ট পেলেও পানি ছিটানো শেষ না হওয়া পর্যন্ত একটি গাড়িও সামনের দিকে অগ্রসর হতে দেয়নি।
ফ্লাইওভার নির্মাণ সহ সড়ক মেরামতের কাজ চলার কারণে নগরীর ফ্রিপোর্ট থেকে শুরু করে বন্দরটিলা পর্যন্ত প্রতিদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এরিমধ্যে সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত যান চলাচলের কারণে তৈরি হয়েছে ধুলাবালি।সেই ধুলাবালিতে চলাচল করা পথচারীদের জন্য অনেক বেশি কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে সড়কের উভয় পাশের ব্যবসায়ীরাও পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।তারমধ্যে তালতলা নেভিগেট এলাকায় নৌবাহিনী ঘাঁটির যে গেইটটা রয়েছে তার সামনে নৌ বাহিনীর সদস্যরা নিজেদেরকে ধুলাবালি থেকে রক্ষা করতে প্রতিদিন কিছুক্ষণ পরপর পানি ছিটিয়ে যাচ্ছে। সেই পানি ছিটাতে গিয়ে সকল পথচারী থেকে শুরু করে পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের প্রতি শুরু করেছে অমানবিক আচরণ।
নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে পানি ছিটানোর নাম করে বন্ধ করে দিয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও এয়ারপোর্ট রোডের সেই ব্যস্ততম সড়কটি।
নৌবাহিনীর সদস্যরা সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত সদস্যরাও কিছুই করতে পারছে না। জনদুর্ভোগের কথা ভেবে মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫ টার দিকে কয়েকজন যাত্রী যান চলাচল স্বাভাবিক করে দিতে অনুরোধ করতে গেলে নৌবাহিনীর সাধারণ কিছু সদস্য তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার পাশাপাশি হুমকি দিয়েছে!
বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকল পথচারী ও যাত্রীদের কে তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
ফাইল ছবি
যে কোনো মুহূর্তে রুশ সেনারা ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন এই নির্দেশনা জারি করে। খবর- রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ‘রাশিয়ার হামলার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং করোনা মহামারির কারণে ইউক্রেনে এখন কেউ ভ্রমণ করবেন না। আর যারা এখন ইউক্রেনে অবস্থান করছেন তাদের অবিলম্বে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উপায়ে ইউক্রেন ত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, যেকোনো সময় সতর্কতা ছাড়াই রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে। সেই সময় ইউক্রেন ত্যাগে মার্কিন নাগরিকদের সহায়তা সহ কনস্যুলার পরিষেবা প্রদান করা মার্কিন দূতাবাসের জন্য কঠিন হতে পারে।
এর আগে জানুয়ারিতে ইউক্রেনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে নিযুক্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও সেসময় দেশটি ছাড়ার কথা বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছিল ওয়াশিংটন।
সেসময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেনে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে তাদের নিকট তথ্য রয়েছে। ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ‘অনিশ্চিত এবং পূর্বানুমানযোগ্য নয়। আর এ কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে কোনো সময় খারাপ হতে পারে’। সূত্র: যুগান্তর