a
ফাইল ছবি
বাউফল থানার বিতর্কিত ওসি মোস্তাফিজুর রহমানকে ক্লোজ করা হয়েছে। আসামিদের সঙ্গে সেলফি তোলার অপরাধে মঙ্গলবার তাকে ক্লোজ করে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মাহফুজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি মোস্তাফিজুর রহমান গত বছরের (২০২০ সালে) ফেব্রুয়ারি মাসে বাউফল থানায় যোগদান করেন। তাকে ক্লোজ করার খবরে নানা মহলে স্বস্তি প্রকাশ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বাউফল থানায় যোগদানের পর থেকেই নানান কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত হয়ে উঠেন। তিনি যোগদানের কয়েক দিন পর বাউফল থানার সামনে যুবলীগ নেতা তাপস খুন হন। এর কয়েক দিন পর কেশবপুর ইউনিয়নে সরকারি দলের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ইমন তালুকদার ও তার চাচাতো ভাই ইশাত তালুকদার খুন হন।
এসব খুনের ঘটনার আগের দিন একপক্ষ অপরপক্ষের ওপর হামলা করে। ঘটনাটি লিখিতভাবে ওসি মোস্তাফিজুর রহমানকে জানানো হলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। যার ফলে পরদিন ওই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে পৌর শহরে সরকারি দলের একটি পক্ষকে মদদ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে বাউফলে সরকারি দলের দুইপক্ষের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি যোগদান করার পর পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও খুনসহ আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটতে থাকে।
গত কয়েক দিন আগে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে দায়েরকৃত মামলাসহ একাধিক মামলার আসামিদের সঙ্গে সেলফি তুলে বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম হন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।
এদিকে ক্লোজ হওয়ার পর ওসি মোস্তাফিজুর রহমান তার ফেসবুক পেজে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন- বাউফল থানায় যোগদানের পর অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। পরবর্তী কর্মস্থলে এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চেষ্টা করব।
ছবি: কথিত সাংবাদিক শাহনাজের বিভিন্ন কৌশলী ছবি
তথাকথিত সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, বহুবিবাহে আবদ্ধ, চাঁদাবাজ, ধান্ধাবাজ, প্রতারক বরগুনা জেলার পাথারঘাটা থানার তালুকের চরধনি গ্রামের মৃত শাহাদাৎ শিকদারের মেয়ে শাহনাজ পারভীন (৪৫)। প্রতারণা করাই তার মুল পেশা।
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে শাহনাজ পারভীন রাজধানী ভাটারা, বাড্ডা, খিলক্ষেত ও গাজীপুর মহানগরে বিভিন্ন এলাকায় অনৈতিক সকল কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় যে, ফরিদপুর জেলার ইউনুসের সাথে তার প্রথমে বিবাহ হয়। ঐ স্বামীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হলে পরবর্তীতে সাগর নামে আরেক ব্যাক্তিকে বিবাহ করে, কয়েক বছর পরে এই স্বামী সাগর শাহনাজের ছোট বোনকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করে। তারপর মাসুদ নামে আরো এক ব্যক্তিকে বিবাহ করে ঢাকা কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় চলে আসে। বেশি লেখাপড়া না থাকলেও সে মোবাইল চালানো বেশ দক্ষ ও প্রতারণার কৌশলে বেশ অভিজ্ঞ।
উল্লেখ্য, ঢাকায় এসে কুড়িল চৌরাস্তায় প্রথমে বাড়ি বাড়ি কাজ করতো, হোটেলে প্লেট ধোওয়ার কাজ, ব্যাটারীর দোকানে কাজ, ফুটফাতে চা বিক্রি করতো। আবার একসময় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে তারপর হয়ে উঠে সাংবাদিক।
নিজের নাম ঠিকানা ঠিক মত লিখতে না জানা শাহনাজকে একটা মহল তাদের প্রয়োজন মেটাতে সাংবাদিক বানায়। আর এই সাংবাদিক কার্ড ও ক্যামেরা গলায় ঝুলিয়ে সেই চক্রের সাথে চাঁদাবাজী শুরু করে। এই চাঁদাবাজী করতে গিয়ে কয়েকবার ধরা পরে এবং চাঁদাবাজীর মামলায় জেলখাটে। বর্তমানে তার নামে প্রতারণা ও চাঁদাবাজীর একাদিক মামলা চলমান।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, শাহনাজ ২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল মাসে বাবুল মিয়া নামে একজনের সাথে তার বিয়ে হয় এবং ঠিকমত ভরণ-পোষণ ও খোঁজ-খবর না নেওয়ার অভিযোগে বাবুল মিয়ার ঠিকানায় ১৫/০৫/২০১৯ সালে উকিল নোটিশ পাঠানো হয় । সূত্রে আরো জানা যায়, গাজীপুর চৌরাস্তায় আরেক প্রতারক ও চাঁদাবাজ মো: আব্দুস সোবহান নামের এক ব্যাক্তির যোগসূত্রে হাজী নুরুল হকের ৭২ শতাংশ মার্কেট জমি ভুয়া ক্ষমতাপত্র তৈরি করে জোড় পূর্বক চাঁদাবাজী করে আসছে। এমনকী হাজী নুরুল হকের নামে একটি অবৈধ কাবিন নামা তৈরি করে নিজেকে হাজী নুরুল হকের স্বামী দাবী করে প্রতারণা করে আসছে।
অনুসন্ধান টীম আরও কিছু ভয়ংকর তথ্য উদ্ধার করে। শাহনাজ নিজের মেয়েকে দিয়ে অনৈতিক কাজ করিয়ে বিভিন্ন পুরুষকে ফাসিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়, শাহনাজের বোন রুপসী হিজরা, সাথে আরো হিজরা নিয়ে গ্যাং তৈরি করে তাদেরকে নিয়েও বিভিন্ন অন্যায় কার্যকলাপ করে যাচ্ছে।
শাহনাজ তার নিজের মেয়েকে দিয়ে একাদিক পুরুষের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে এক সময় তাদের সাথে অনৈতিক সর্ম্পক করিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজী করে। যাহার একাদিক প্রমাণ অনুসন্ধান টিমের হাতে সংরক্ষিত আছে। মাত্র ২০ বছর বয়সে সে তার মেয়েকে চার বিয়ে করিয়ে কিছু দিন পর পর তালাক দিয়ে কাবিনের টাকা আদায় করে নেয়। একাদিক বিয়ে করে কাবিনের টাকা হাতিয়ে নেওয়া শাহনাজ এবং শাহনাজের মেয়ে চালিয়ে আসছে।
সামপ্রতিক শাহনাজ সাহায্যের নামে বিভিন্ন ব্যানার বানিয়ে প্রবাসীদের কাছে ফেসবুকে বুস্ট করে, মিথ্যে অভিনয়ে নতুন প্রতারণায় অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এখানে সে উল্লেখ করে বলে যে, সে কিডনী রোগী, মেরুদন্ডের হাড় ভেঙ্গে গেছে আবার সে ব্রেস্ট ক্যানসার, ব্লাড ক্যন্সারে আক্রন্ত। আবার এতিম শিশুদের নামে সাহায্য চেয়েও আবেদন করে। এই বিষয়ে শাহনাজের মোবাইলে ফোন দিয়ে এর সতত্যর একাদিক রেকডিং পাওয়া গেছে ও বেশ কিছু ব্যানার ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ছড়িয়ে পড়েতে দেখা যায়।
শাহনাজ কথায় কথায় মানুষকে মিথ্যে মামলার হুমকী প্রদান করে বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করে। তার কাজে তাকে সাহায্য করার জন্য কিছু উকিল ও সাংবাদিক নিয়োগ দিয়ে রেখেছে এবং এসব উকিল ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় সে প্রতারণা করার উৎসাহ পেয়ে আসছে।
কিছুদিন আগে সে জনপ্রিয় ব্যাক্তি বেরিষ্টার সুমন, অভিনেতা ডিপজলসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্যের নামে ধরণা দিয়েছে এবং তার নিজের ফেসবুকে এই বিষয়ে একাদিক ভিডিও শেয়ার করেছে।
তার সর্ম্পকে তার বাসায় আশে-পাশে তথ্য জানতে গেলে, নাম না প্রকাশে কয়েকজন বলেন বড় ফ্লাট নিয়ে সে একা বাসায় থাকে, প্রতিদিন বিভিন্ন পুরুষ-মহিলা তার বাসায় আসা-যাওয়া করে। প্রতিবেশীরা জানান যে, কিভাবে একা একটি ফ্লাট ভাড়া নিয়ে থাকে, তার আয়ের উৎস কি আমাদের জানা নেই । আসা-যাওয়া লোকদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে সাংবাদিক শাহনাজের কাছে তাদের ভিন্ন ভিন্ন কাজ থাকে তাই তারা আসে।
অনুসন্ধান টিম উক্ত বিষয়ে শাহনাজের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে বলে, কত সাংবাদিক লাগবে সে নিয়ে আসবে, পরবর্তীতে যেন তাকে আর ফোন না দেওয়া হয়। আর ফোন দিলে সে দেখে নিবে বলে হুমকী দেয়। সে আরো হুমকি দেয় যে, তার হিজরা বোন রুপসীকে দিয়ে কাপড় খুলে রেখে এক একজনকে রাস্তায় ছেড়ে দেবে। সূত্র: ডে-নাইট নিউজ, সীমান্ত বার্তা
ফাইল ছবি
নোয়াখালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (TECN) প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফোরামের ২০২৩-২৫ইং মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে Noakhali Textile Engineering College EX-Students Forum (ESF) কর্তৃক আয়োজিত Executive Committee For 2023-2025 কমিটির Charge Takeover-Handover অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নবনির্বাচিত কমিটিতে জনাব ইঞ্জি: মো: মিলনকে সভাপতি এবং ইঞ্জি: মো: কামরুল হাসান বাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে ইঞ্জি: শাহাবুদ্দিন মাসুদ (বিদায়ী সভাপতি) সাহেবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করছেন নোয়াখালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সন্মানিত প্রিন্সিপাল ইঞ্জি: মো: সাইফুর রহমানসহ উক্ত কলেজের সন্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, এ.টি.ই.টি এর সন্মানিত সভাপতি জনাব ইঞ্জি: মো: আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: এ.এস. এম সোহেল রানা।
এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে নোয়াখালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বর্তমান শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সামাজিক, রাজনৈতিকসহ দেশের বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।