a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পাবে কি না- সে বিষয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জিএম আবুল কালাম আজাদ।
আবুল কালাম আজাদ জানান, আইএমএফের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আজ (বুধবার) মিটিং করেছে। আগামী ৩০ ও ৩১ অক্টোবর এবং ২ ও ৮ নভেম্বর আবারও বৈঠক হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বিকাল ৩টা পর্যন্ত তিনটি বৈঠক হয়েছে। আরও তিনটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম পর্বের বৈঠকে বাংলাদেশকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার বিষয়ে আইএমএফ আশ্বাস দিয়েছে, সেটি নিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনায় ঋণ দেওয়ার বিষয়ে আইএমএফ কোনো শর্ত দেয়নি। তবে আর্থিক খাতের সংস্কার, নীতি ও ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার প্রসঙ্গ নিয়েও কথা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
করোনার অভিঘাত আর ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা খারাপ অবস্থা। এরমধ্যেও বাংলাদেশ প্রবাসী আয় আলোর মুখ দেখাচ্ছে।
২০২২-২৩ নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস (জুলাই) থেকেই প্রবাসী আয়ে ঢল নেমেছে। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে চলতি আগস্ট মাসেও। এই মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) এই অর্থের পরিমাণ ১১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। প্রতিদিন এসেছে ৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট) ৩২৮ কোটি ৮০ লাখ (৩.২৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স এসেছে। যা বাংলাদেশি টাকায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) ৩১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।
গত অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট) ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৮৮ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, ইসরায়েল যদি পবিত্র জেরুজালেম শহরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে হামলার চেষ্টা করলে তাদের কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে হামাস।সংগঠনের অন্যতম মুখপাত্র আবদুল লতিফ কানু রবিবার সাওয়া রেডিও চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন “পবিত্র জেরুজালেম শহরের শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবিরের লোকজনকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করা হলে, আল-আকসা মসজিদ ভাগ করার চেষ্টা হলে কিংবা এই মসজিদের পরিচয় মুছে ফেলা এবং একে ইহুদিকরণের চেষ্টা হলে আমরা তার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছি।”
পবিত্র রমজান মাস শুরু থেকে ইসরায়েল আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা জোরদার করে এবং জেরুজালেম শহর শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির থেকে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কয়েকটি পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালায়।
এক্ষেত্রে আদালতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে ইসরায়েল সরকার। সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হলে হামাস ইসরায়েলকে চূড়ান্ত সময় সময় বেঁধে দেয় এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যাপকভিত্তিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
১২ দিন যুদ্ধের পর মিশরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও কার্যকর হলেও ইসরায়েলের পুলিশ মাঝে মধ্যে আল আকসা মসজিদে অভিযান চালিয়ে আসছে ও ধর-পাকড় করছে। এসব কারণে হামাসের পক্ষে এসব হুঁশিয়ারি উচ্চারিত হল।