a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পাবে কি না- সে বিষয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জিএম আবুল কালাম আজাদ।
আবুল কালাম আজাদ জানান, আইএমএফের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আজ (বুধবার) মিটিং করেছে। আগামী ৩০ ও ৩১ অক্টোবর এবং ২ ও ৮ নভেম্বর আবারও বৈঠক হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বিকাল ৩টা পর্যন্ত তিনটি বৈঠক হয়েছে। আরও তিনটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম পর্বের বৈঠকে বাংলাদেশকে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার বিষয়ে আইএমএফ আশ্বাস দিয়েছে, সেটি নিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনায় ঋণ দেওয়ার বিষয়ে আইএমএফ কোনো শর্ত দেয়নি। তবে আর্থিক খাতের সংস্কার, নীতি ও ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার প্রসঙ্গ নিয়েও কথা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ব্যাংক নোট ও রৌপ্য স্মারক মুদ্রা আগামী ২৮ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিতরণ করবে।
প্রথমদিন মতিঝিল এই সব মুদ্রা পাওয়া যাবে কার্যালয় থেকে। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য শাখা থেকেও সংগ্রহের তারিখ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষণা করবে। একইসঙ্গে প্রথমবারের মতো দেয়া হবে ৫০ টাকা মূল্যমানের রৌপ্য স্মারক মুদ্রা।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের মই দেয়া জল রং এর চিত্র স্মারক ব্যাংক নোটে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে স্মারক নোটে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা শীর্ষক ছবি দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পাবলিকেশনসের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংগৃহীত ছবি
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বেশ কয়েকটি বজ্রপাতের ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে, এবছর বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এদিকে ৬ জুন রবিবার একদিনে সারাদেশে বজ্রপাতে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এমন অবস্থায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বজ্রপাতে মৃত্যু বা হতাহতের ঘটনা এড়াতে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক মোহাম্মদ রোবেদ আমিন এ বিষয়ে বলেন, "বজ্রপাত একটি আকস্মিক ঘটনা, যা প্রতিরোধ করা বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন। যদি (বজ্রপাত) হয়ে যায় তাহলে অনেকের মৃত্যু হতে পারে।"
তিনি আরো বলেন, খেয়াল রাখতে হবে বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে মাসে সর্বোচ্চ হলে জুন মাস পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এই সময়ে চলাফেরা বেশ কিছু সতর্ক অবলম্বন করলে এই ভয়ানক বিপদ থেকে নিজেকে সুরক্ষা সম্ভব হবে তিনি মনে করেন।
এই সময়গুলোতে মৃত্যু ও আক্রান্ত এড়াতে তিনি কিছু সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেন।
নির্দেশনাগুলো হলঃ
১। বজ্রঝড় সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময়টুকু ঘরে অবস্থান করুন। অতি জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে হলে রাবারের জুতা পরে বাইরে যাবেন, এটি বজ্রঝড় বা বজ্রপাত থেকে অনেকটা সুরক্ষা দেবে।
২। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা খোলামাঠে যদি থাকেন তাহলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসে পড়তে হবে।
৩। বজ্রপাতের আশংকা দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিতে হবে। ভবনের ছাদে বা উঁচু ভূমিতে যাওয়া ঠিক না।
৪। বজ্রপাতের সময় যে কোন ধরনের খেলাধুলা থেকে শিশুকে বিরত রাখতে হবে এবং ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে হবে।
৫। খালি জায়গায় উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, ধাতব পদার্থ বা মোবাইল টাওয়ারের কাছে থাকা যাবে না। বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে থাকা বিপজ্জনক ।
৬। বজ্রপাতের সময় ছাউনিবিহীন নৌকায় মাছ ধরতে না যাওয়াই উচিৎ হবে। সমুদ্রে বা নদীতে থাকলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে আশ্রয় নিতে হবে।
৭। যদি কেউ গাড়ির ভেতর অবস্থান করেন, তাহলে গাড়ির ধাতব অংশের সাথে শরীরের সংযোগ রাখা যাবে না।