a এনবিআর ২ ভাগে ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ জারি: এনবিআর চেয়ারম্যান
ঢাকা বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

এনবিআর ২ ভাগে ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ জারি: এনবিআর চেয়ারম্যান


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ১০:৩৯
এনবিআর ২ ভাগে ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ জারি এনবিআর চেয়ারম্যান

ফাইল ছবি: এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান

 

নিউজ ডেস্ক: ঈদের আগেই রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুই ভাগ হয়ে যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা নতুন অর্থবছরের প্রথম থেকে কাজ শুরু করবে।

আজ বুধবার ‘আয়কর আইন, ২০২৩: সংস্কার ও প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

তিনি বলেন, ‌প্রধান উপদেষ্টা গতকালও (মঙ্গলবার) আমাকে ডেকেছেন, তিনি বলেছেন ঈদের আগেই অধ্যাদেশ হয়ে যাবে। আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে। যত দ্রুত সম্ভব এটা অপারেশনাল করব। আমরা সেদিকেই যাচ্ছি। শুরুটা করতে হবে এবং বিবাদ যা থাকবে সে জায়গাটা আমরা পরে অ্যাড্রেস করব।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এনবিআর ২ ভাগে বিভক্ত হলে সেখানে কারা থাকবেন ও কাজ করবেন সেটিও তুলে ধরেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কিছু বাইরের এক্সপার্টও থাকবে, বিশেষ করে ইকোনমিক, ফাইন্যান্স ও রিসার্চ থেকে কিছু লোক থাকবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় যারা অভিজ্ঞ তারাই মূলত এ কাজগুলো করবেন। তার সঙ্গে অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে অন্যরাও থাকবেন। আমরা নৈর্ব্যত্তিকভাবে কোনো কিছু না দেখে আইনে যা আছে, এটা আমরা প্রয়োগ করতে পারব। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ১১:২০
ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত

ফাইল ফটো

করোনার প্রভাব যতই বাড়ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা আবারও নতুন করে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের টিকে থাকা কষ্টকর হবে।

ইতিমধ্যে প্রণোদনার নামে ঋণসুবিধা দেওয়া হলেও তা সবাই পায়নি। এমনকি সংবাদপত্রকে শিল্প বলা হলেও এই শিল্পের জন্য কোনো সুবিধাই ঘোষণা করা হয়নি। করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংবাদপত্রশিল্পে। করোনায় ঝুঁকি নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ করলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিল উপেক্ষিত।

এখানকার কর্মীদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ডও আইনগত কারণে বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলেন, সংবাদপত্রশিল্পের বিনিয়োগও কম নয়। করোনায় অন্যান্য খাতের মতো সংবাদপত্রশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব খাতের সমস্যা সংবাদপত্রগুলো সামনে নিয়ে এলেও সংবাদপত্রের সমস্যা সমস্যাই রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্রের কাঁচামালের দামও বেড়েছে। 

একইভাবে অসংগঠিত খাত, ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পসহ মাঝারি শিল্পগুলোও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত মাঝে পড়েছে। চাকরি হারিয়ে বেকার জনগোষ্ঠীও অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের হাতে টাকা নেই। বিশ্বের অপরাপর দেশ ব্যক্তি পর্যায়েও টাকা দিয়েছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও নগদ অর্থ দিয়েছে এবং দিচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, করোনার কষাঘাতে স্থবির অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে সমাজের সবার হাতেই টাকার সরবরাহ থাকতে হবে। যেমনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও করা হচ্ছে। কারণ, শুধু উত্পাদকদের হাতে টাকা গেলে হবে না। উত্পাদিত পণ্য কিনবেন যিনি, তার হাতেও টাকা থাকতে হবে। নইলে পণ্য কিনবেন কে? উত্পাদক-ভোক্তা কাউকে এখানে খাটো করে দেখার কোন রকম সুযোগ নেই।

একইভাবে একজন চা-দোকানি থেকে শুরু করে মাঝারি উদ্যোক্তা পর্যন্ত—সবার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সবাইকে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা খাত শ্রমঘন। প্রচুর কর্মী এসব খাতে কাজ করেন। ফলে শুধু বড় উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিলেই অর্থনীতি ঠিক থাকবে এমন ধারণা ভুল। সব খাতকেই প্রণোদনার আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা দিলে সব খাত যখন চাঙ্গা হবে, তখনই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। 

তদুপরি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভোগব্যয়ের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল। ভোগব্যয় বাড়াতে হলে ক্রেতাশ্রেণির হাতে অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে বিশাল এক কর্মীবাহিনী। ইতিমধ্যে অনেকেই আয়ের সংস্থান না থাকায় শহর থেকে গ্রামমুখী হয়েছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সরকারকে সুবিধা প্রদান করতে হবে।

এদিকে, অনেকেই ব্যাবসায়িক মন্দায় ব্যাংকের কিস্তি দিতে পারছেন না। অনেকে একটু নাড়াচাড়া দিলেও করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঝুঁকিতে পড়ে গেছেন। এ অবস্থায় ঋণ পরিশোধে সময় বর্ধিতকরণের দাবি জানিয়ে উদ্যোক্তারা বলেছেন, অতীতেও ক্ষেত্রেবিশেষে ঋণ পরিশোধে লম্বা সময় দেওয়া হয়েছিল। অনেক উদ্যোক্তাই এই সুবিধা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিস্তি পরিশোধ করেছেন। ঋণ পরিশোধে সময়সীমা বাড়িয়ে দিলে উদ্যোক্তা যেমন বাঁচবেন, ব্যাংকও আটকা পড়বে না। ব্যাংকের বিনিয়োগের টাকা ফেরতে এটিই হতে পারে কার্যকর পদক্ষেপ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি প্রদানে শিথিলতা ছিল। পরে মার্চ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে বাড়ানো হলেও সবাই এই সুবিধা নিতে পারেননি। তাই আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করার জোর দাবি উঠেছে।

এই দাবিকে যৌক্তিক বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই সময়ে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে নমনীয় হতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুযোগ দিতে হবে, যাতে কলকারখানা চালু রাখা যায়। কর্মসংস্থান ঠিক রাখা যায়। সবকিছু কঠিন করে ফেললে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাতে করে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চিত্রনায়িকা একা দুই মামলায় কারাগারে


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০২ আগষ্ট, ২০২১, ১১:০৩
চিত্রনায়িকা একা দুই মামলায় কারাগারে

ফাইল ছবি

গৃহকর্মী নির্যাতন ও মাদকদ্রব্য আইনে করা পৃথক দুই মামলায় চিত্রনায়িকা একার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালত শুনানি শেষে নায়িকা একাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার (৩১ জুলাই) গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী একাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে তাকে আটক করার পর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় নেওয়া হয়। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিউদ্দিন। তিনি জানান, ‘গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩০) নির্যাতনের অভিযোগে চিত্রনায়িকা একাকে আটকের সময় রামপুরার বন্ধুনিবাসে অবস্থিত তার বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একার বিরুদ্ধে মাদক ও গৃহকর্মী নির্যাতন আইনে দু’টি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

এর আগে, নায়িকা একা তার গৃহকর্মীকে নির্যাতন করেছেন বলে ৯৯৯-এ অভিযোগ যায়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ তাকে বাসা থেকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যায়। সেখানে বেশকিছু সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর একাকে আটক করে পুলিশ।

হাতিরঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর নায়িকা একার বাসার গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাজেরা বেগম থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে ‘রঙিন রাখাল রাজা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে চিত্রনায়িকা একার। তিনি ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াতের ‘ধর’ ও ‘তেজি’ সিনেমা দু’টির মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। দুটিতেই তার নায়ক ছিলেন প্রয়াত মান্না।

এরপর রুবেল, আমিন খান, আলেকজান্ডার বো ও অমিত হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধেও সফলতা পান একা। সর্বশেষ ২০০৮ সালে তাকে ‘বাহাদুর সন্তান’ সিনেমায় দেখা গেছে। এরপর অনেক দিন ধরে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি নায়িকা একাকে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি