a
ফাইল ছবি: এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান
নিউজ ডেস্ক: ঈদের আগেই রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুই ভাগ হয়ে যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা নতুন অর্থবছরের প্রথম থেকে কাজ শুরু করবে।
আজ বুধবার ‘আয়কর আইন, ২০২৩: সংস্কার ও প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গতকালও (মঙ্গলবার) আমাকে ডেকেছেন, তিনি বলেছেন ঈদের আগেই অধ্যাদেশ হয়ে যাবে। আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে। যত দ্রুত সম্ভব এটা অপারেশনাল করব। আমরা সেদিকেই যাচ্ছি। শুরুটা করতে হবে এবং বিবাদ যা থাকবে সে জায়গাটা আমরা পরে অ্যাড্রেস করব।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এনবিআর ২ ভাগে বিভক্ত হলে সেখানে কারা থাকবেন ও কাজ করবেন সেটিও তুলে ধরেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কিছু বাইরের এক্সপার্টও থাকবে, বিশেষ করে ইকোনমিক, ফাইন্যান্স ও রিসার্চ থেকে কিছু লোক থাকবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় যারা অভিজ্ঞ তারাই মূলত এ কাজগুলো করবেন। তার সঙ্গে অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে অন্যরাও থাকবেন। আমরা নৈর্ব্যত্তিকভাবে কোনো কিছু না দেখে আইনে যা আছে, এটা আমরা প্রয়োগ করতে পারব। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধে এ সময় সীমিত পরিসরে চলবে ব্যাংকিং কার্যক্রম। আজ রবিবার ঈদের ছুটি শেষে গ্রাহক চাহিদামতো শাখা খোলা থাকবে।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে।
এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে) বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক। এ সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হবে।
লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিতসংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।
বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদী
ভারতে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এর মাঝে ব্যাহত হচ্ছে ভ্যাকসিন উৎপাদন। কাঁচামালের অভাবে দেশটির টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করতে পারছে না। এমতাবস্থায় বিভিন্ন রাজ্যে দেখা দিয়েছে টিকার স্বল্পতা।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত আবেদন করেছিল যাতে করোনা টিকা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তবে ভারতের আবেদন গ্রহণ না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার পক্ষেই যুক্তি যেন।
এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বক্তব্য, ভারতের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা ওষুধ কতটা জরুরি, তা বুঝতে পারলেও ডিপিএ অ্যাক্ট অনুযায়ী কিছু বিধিনিষেধ মানতে হয় মার্কিন সরকারকে। তাই আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে দেশের অভ্যন্তরের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
কয়েকদিন আগেই ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের জোগানের আবেদন জানিয়ে মার্কিন সরকারকে একটি টুইট করেন সেরাম ইনস্টিটউটের সিইও আদার পুনাওয়ালা। এরপরই আমেরিকায় ভারতের অ্যাম্বাসাডর তরণজিৎ সিং সান্ধু বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন, সেখানে ভারতে দ্রুত ওষুধ পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়।
এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিনকেন আর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাঝে ফোনালাপে করোনাভাইরাস মহামারীর বর্তমান অবস্থা এবং তা মোকাবেলা করার বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এদিকে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন উৎপাদন আর সরবরাহের জন্যে কোয়াড গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। সেখানে ভারত-মার্কিন যৌথ উদ্যোগে আমেরকিায় তৈরি ভ্যাকসিন নোভাভ্যাক্স আর জনসন অ্যান্ড জনসন তৈরি করার কথা। আর সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের বক্তব্য, ভারতের কথা মাথায় রয়েছে মার্কিন সরকারের। তবে সেখানে হোয়াইট হাউজ ওষুধ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস