a ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০১:১১
ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে আগামী ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই ৮ দিনের ‘কঠোর লকডাউনে’ দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংক বন্ধ থাকবে। 

ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকের লেনদেন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন শুরুর আগে শেষ কার্যদিবস হওয়ায় ব্যাংকে লেনদেনে চাপ বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকে সোমবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়। 

এদিকে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকলেও ব্যাংকগুলোর এটিএম বুথ থেকে দিনে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করা যাবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এদিন রাতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দেশে করোনার মাঝে ১ বছরে সাড়ে ১১ হাজারের বেশি কোটিপতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ০৩:০৭
দেশে করোনার মাঝে ১ বছরে সাড়ে ১১ হাজারের বেশি কোটিপতি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস মহামারীর সময় গত ১ বছরে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর ব্যাংক হিসাব বেড়েছে সাড়ে ১১ হাজারেরও অধিক, যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেশি। গত মার্চ শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ২৭২, যার মধ্যে ৭২ হাজার ৭৮০ জন বা ৭৭ শতাংশই বেড়েছে গত ১২ বছরে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে গত বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক কোটিপতি আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫ জন। চলতি বছরের মার্চ শেষে তা বেড়ে হয়েছে ৯৪ হাজার ২৭২ জন। ফলে করোনার গত ১ বছরে দেশে নতুন কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন। এর মধ্যে চলতি মাসের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বেড়েছে ৩৮২ জন।

আর স্বাভাবিক সময়ে ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছিল মাত্র ছয় হাজার ৩৪৯ জন। আর ২০২০ সালের পুরো সময়ে বেড়েছিল এক হাজার ৫১ জন। এর মানে করোনাকালেই কোটিপতি আমানতকারীর হিসাবের প্রবৃদ্ধি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। 

অন্যদিকে ২০০৯ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ২১ হাজার ৪৯২ জন। এ হিসাবে গত ১২ বছরে দেশে নতুন কোটিপতি বেড়েছে ৭২ হাজার ৭৮০ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, গত মার্চ শেষে দেশে মোট আমানত হিসাব দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৭টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর সর্বকালের তলানীতে পৌঁছেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:৩২
ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর সর্বকালের তলানীতে পৌঁছেছে

ফাইল ছবি: ভারতীয় মুদ্রা রুপি ও ডলার

 

নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর সর্বকালের তলানীতে এসে পৌঁছেছে। গতকাল মঙ্গলবার ভারতে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য বেড়ে ৮৪.৭৫ রুপিতে পৌঁছেছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে।

জানা গেছে, ভারতের অর্থনীতি নিয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল- চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হবে। কিন্তু সেই পূর্বাভাসকে সম্পূর্ণরূপে ভুল প্রমাণিত করে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৪ শতাংশ, যা গত ১৮ মাসে সর্বনিম্ন। প্রবৃদ্ধির এই অধোগতির প্রভাব পড়েছে দেশটির মুদ্রা রুপির উপর।
      
এদিকে, রুপির আশঙ্কাজনক দরপতন হতে থাকলে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরবিআইয়ের হস্তক্ষেপে তা কিছুটা থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরবিআই রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ডলার বিক্রি করে বাজার থেকে কিছু রুপি তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে কিছুটা হলে দরপতন কমানো গেছে।  

রুপির এই ধারাবাহিক দরপতনকে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগজনক জানিয়েছে। রুপির দরপতনের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়ে গেছে। আমদানি-রফতানি থেকে শুরু করে বিদেশে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের, সকলের উপর প্রভাবে পড়েছে। রুপির দরপতনের খেসারত ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদেরও।  

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহে টান পড়ার ফলে রুপি দাম কমেছে। অন্যদিকে সম্ভাব্য ব্রিকস মুদ্রার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুমকির প্রভাবেও রুপির দাম কমেছে। পাশাপাশি টানা ৮ সপ্তাহ যাবৎ ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে বলে বিশেষ এক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে, উগ্রবাদী হিন্দুরা, বাংলাদেশ ঘিরে ভারতের মিডিয়ায় যে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে তারও একটা প্রভাব পড়তে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি