a চট্টগ্রামে করোনার টিকা মিলবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি
ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চট্টগ্রামে করোনার টিকা মিলবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:৫০
চট্টগ্রামে করোনার টিকা মিলবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি

বহুল প্রতীক্ষিত করোনার টিকা ফেব্রুয়ারীতে দেশে আসার কথা থাকলেও চট্টগ্রামে সেটা মিলতে পারে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৮ জনের জন্য পাঁচ লাখ ডোজ টিকা চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।

এদিকে চট্টগ্রামে করোনার ভ্যাকসিন প্রদান ও সংরক্ষণের ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের সকল ধরনের প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।
তিনি বলেন,সরকারি গাইডলাইন মেনে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য চসিকের মোট সাতটি স্টোর ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য এবং ইপিআই কর্মী রয়েছে। করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যাপারে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসারে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় নিয়োজিত স্বাস্থ্য কর্মী, সম্মুখ সারির কর্মী, রোগ প্রতিরোধহীন ও ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠী এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য,অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং আ্যাস্ট্রোজেনেকা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুতকৃত করোনার ভ্যাকসিন বংলাদেশে সরবরাহ করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। এ লক্ষে বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ভ্যাকসিনটি উৎপাদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশ সরকারকে ৩ (তিন) কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১২:৩৮
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস

ফাইল ছবি

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’।

বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের শিশু বলা হয়। শিশু শ্রম বাংলাদেশের আইনে যেমন গর্হিতকাজ তেমনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। প্রতিবছর ১২ জুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দিবস পালিত হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর সহযোগিতায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনাসভা, সারা দেশে পোস্টারিং এবং লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় এই দিবসকে ঘিরে । এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখের ও বেশি শিশু কাজে জড়িত তাদের ভিতর প্রায় ১৭ লাখই শিশু বাকিরা অনুমোদনযোগ্য।

১৯৫৯ সালে জাতিসংঘে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। বর্তমান আইনে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশু অধিকার সনদে ৫৪টি ধারা এবং ১৩৭টি উপ-ধারা আছে। এই উপ-ধারাগুলোতে বলা হয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। ২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১ থেকে ১৪ এবং ১৯৭৫ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ভারী কাজ করানো যাবে না।

আজকের শিশু আগামীদিনের কর্ণধার, তাই শিশুদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে শিশু শ্রমপ্রতিরোধ করতে হবে এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের। যেখানে শিশুদের হাতে থাকার কথা খাতা কলম সেখানে শিশুদের হাতে ভারীযন্ত্রপাতির ভার কখনো কাম্য নয় আমাদের সমাজ থেকে।

শিশুশ্রম নিরসনে নিরলস ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রচেষ্টা সফল করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য। শিশুরা হলো নিস্পাপ ফুলের মতন তাদেরকে দিয়ে ইটভাটা, ইটভাঙা, হোটেলে কাজ করানো, বাসের হেল্পার, লেগুনার হেল্পার হিসেবে কাজ করানোর মত ঝুকি বন্ধ করতে হবে তাহলে অতি শীগ্রই আমরা পাবো একটি সুন্দর সমাজ। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ০৮ জুলাই, ২০২৪, ০৩:৫৭
কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ছবি সংগৃহীত: রাবি ক্যাম্পাস


সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডি ফ্লাইওভারের নিচে রেললাইনের ওপর অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় একটি বাইপাস সড়কেও যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘সংগ্রাম না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’—এমন স্লোগানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার প্রদর্শন করেন।

এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও সারা দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে আজ এক দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আমানুল্লাহ খান বলেন, আমরা এর আগে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করেছি। কিন্তু আজ থেকে চার দফা বাদ দিয়ে সারা দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে, এক দফা দাবিতে আমাদের সংগ্রাম চলবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি একটাই, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি নয়, সকল ধরনের সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কার করতে হবে এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে, মেধাবীদের দ্বারা সেই পদ পূরণ করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন আঙ্গিকে আমাদের এই ধারাবাহিক আন্দোলন চলবে। সূত্র:ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সম্পাদকীয়

সর্বোচ্চ পঠিত - সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয় এর সব খবর