a
ফাইল ছবি
আজ সারাদেশে ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পূর্বের নিয়মানুযায়ী ৩০ মিনিট আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা।
এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন।
সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ১৮৩ এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ তিন হাজার ৫৩০ জন।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৬৯৫ ছাত্র এবং ৪৩ হাজার ৬৮ জন ছাত্রী।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে ৮৮ হাজার ৯১৮ ছাত্র এবং ৩৪ হাজার ১৩ জন ছাত্রী।
আগামী ১৩ ডিসেম্বর এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ ডিসেম্বর, যা শেষ হবে ২২ ডিসেম্বর। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলায় ২৬ জুন সকাল ১০টায়, সারা দেশের ন্যায়, এইচএস সি ও আলিম সম্মান ও ভোকেশনাল পরীক্ষা শুরু হয়। মোটকেন্দ্র সংখ্যা - ০৩ কলেজ কেন্দ্র -০২ টি মাদ্রাসা কেন্দ্র - ০১টি।
মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কলেজে - ৫৩০ জন, মাদ্রাসা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা - ১০৭ জন ভোকেশনাল পরীক্ষার্থী ০৯ জন। এরমধ্যে কলেজে অনুপস্থিত - ১৩ জন, মাদ্রাসা অনুপস্থিত - ০৩ জন।
প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরায় আওতাভুক্ত রয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াছ শিকদার, সকাল ১০টা থেকে বেলা ০১টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পরীক্ষা চলছে যথাযথভাবে তৎপরতা ছিল প্রশাসনের কার্যক্রম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
ফাইল ছবি
গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের ‘পৃষ্ঠপোষক’ বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা ভারতে আটক হয়েছেন।
শুক্রবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফের) সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে আটক করে।
শনিবার ভারতীয় এক গণমাধ্যমে খবর পাওয়া যায় যে, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে শুক্রবার কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে সোহেল রানা নামে এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বলেছে, আটকের সময় তার কাছ থেকে বিদেশি পাসপোর্ট, একাধিক মোবাইল এবং এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। তাকে মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করেছে বিএসএফ।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিজ অফিস করেছেন সোহেল রানা। এরপর থেকে আর থানায় আসেননি, রিপোর্টও দেননি, ছুটিও নেননি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগে উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান। তার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যম সূত্রে খবর পাচ্ছি তিনি নেপাল-ভারত সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন। তবে আমরা এখনো তা নিশ্চিত হতে পারিনি। বনানী থানার ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা ও আটক সোহেল রানা একই ব্যক্তি কি না তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আজম মিয়া বলেন, এখন তিনি কোথায় আছেন সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। বিজিবির পরিচালক (অপারেশন্স) লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেন, ভারত- নেপাল সীমান্তে সোহেল রানা নামে এক বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বলে শুনেছি। কিন্তু আমরা বিএসএফের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাইনি। সোহেল রানা আটক হয়ে থাকলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হবে।
বিএসএফের হাতে আটক সোহেল রানা গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী বহুল আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বোন ও ভগ্নিপতি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ই-অরেঞ্জ’পরিচালনা করতেন। তাদের ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।