a কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে
ঢাকা শনিবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২১ আগষ্ট, ২০২১, ০৭:৫৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে

ফাইল ছবি

করোনা মহামারীতে স্থগিত হওয়া চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। মিডটার্ম ও ক্লাস টেস্ট দিয়ে শুরু হবে অনলাইন পরীক্ষা। গত ১৭ আগস্ট মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

রেজিস্টার বলেন, করোনার কারণে স্থগিত হওয়া পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিভাগগুলো চাইলে অনলাইনে মিডটার্ম ও ক্লাস টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু করতে পারবে। বিভাগ সিদ্ধান্ত নিবে কিভাবে পরীক্ষা নেয়া যাবে। 

চূড়ান্ত পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, অর্ডিন্যান্সে অনলাইনে চূড়ান্ত পরীক্ষার নেয়ার নীতিমালা আছে। অনুষদের ডিনবৃন্দ বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বসে অনুষদ অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি নীতিমালা তৈরি করবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু করব। পাশাপাশি আইকিউসির মাধ্যমে ট্রেনিং চলবে।

সশরীরে পরীক্ষা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। এখনো করোনার সংক্রমণের হার অনেক বেশি। সবাই ভ্যাকসিন নেয়া শেষ হলে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিব।
এদিকে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান ফেসবুকে বলেন, প্রশাসনকে সমালোচনা করতে পারলে, ভালো কাজে সাধুবাদও জানানো উচিত। ধন্যবাদ কুবি প্রসাসনকে অনলাইন পরীক্ষা নেয়ার কার্যক্রম শুরু করা এবং আমাদের টিকার আওতায় আনার জন্য। 

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম হৃদয় বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সব কিছুতেই থমকে আছি আমরা। তবে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা এবং ক্লাসও হচ্ছে অনলাইনে। তবে কুবি কর্তৃপক্ষ অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাই। এরফলে শিক্ষার্থীদের সেশনজটের আশঙ্কাও কমে আসবে। গত ৯ আগস্ট স্থগিত হওয়া চূড়ান্ত পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাবে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর হতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া শুরু করে। পরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি চলমান সব পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ৩ জুন একাডেমিক কাউন্সিলের সভা থেকে পুনরায় ১৩ জুন থেকে সশরীরে পরীক্ষা শুরু হলেও ২৫ জুন স্থগিত করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী অটোপাস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১, ০৫:৩৫
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী অটোপাস

ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদের সবাইকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমোট  ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন। আর অনিয়মিত শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৫০ জন। এরা সবাই অর্থাৎ ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী অটোপাস পেয়ে ২য় বর্ষে উত্তীর্ণ হচ্ছেন।

এদিকে, এর বাইরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা মানান্নোয়ন পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। তাদের অটোপাস প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। পরে যখন আবার প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষা হবে তখন তারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেবেন।
 
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল মোট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। 

প্রমোশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড' হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমোশন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd এ পাওয়া যাবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে জনগণকে তাদের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিন: ডা: জাহিদ


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫, ০৭:০৩
দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে জনগণকে তাদের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিন: ডা: জাহিদ

ছবি সংগৃহীত



ঢাকা প্রতিনিধি: বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘আজকে অনেকে সংস্কারের কথা বলে কিন্তু অতীতের দিকে তাকিয়ে দেখেন সংস্কারের দলই হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)। সংস্কার দিয়েই যার যাত্রা শুরু। বাকশাল থেকে বহুদলীয় গনতন্ত্র এই দেশে প্রথম যিনি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য অর্থনীতির শৃঙ্খলা ও সংস্কার শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং জনগণের অধিকার আদায়ের এই ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতি থেকে পার্লামেন্ট্রি ফর্ম অব গর্ভমেন্ট এটি অত্যন্ত বড় সংস্কার ছিল। সেটিও কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কৃতিত্ব।
ডা: জাহিদ বলেন, ‘আজকে নারী শিক্ষায় অগ্রগতি বলেন,নারীদের ক্ষমতায়ন বলেন প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের। কাজেই সংস্কারে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আর জনগনের ভোটাধিকারের বিশ্বাস করে দেখেই সংসদে প্রস্তাব পাশ করে সংবিধানে ইন কর্পোরেট করা হয়েছিল যার কারণে ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী পরবর্তীতে ৯৬ এ আরেকটি নির্বাচন হয়েছিল তত্বাবধায়ক সরকার প্রথা সংবিধানে সন্নিবেশিত করে। অর্থাৎ বিএনপি কোন অবস্থাতেই নিজের দলের কথা স্বার্থের কথা চিন্তা করে নাই। বিএনপি সব সময় চিন্তা করেছে,দেশের কথা,দেশের মানুষের কথা,জনগনের কথা। সংস্কারের কথা। সেজন্যই মানুষের অধিকারে বিশ্বাস করা যে দল সেটি হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। যে দল মানুষের পাশে থাকে। যে দল দেশের মানুষকে ফেলে পালিয়ে যায় না। যে দলের নেত্রী অনেক প্রলোভন অনেক সুযোগ সুবিধার প্রস্তাবনা আসার পরেও শত বাধাবিপত্তির মুখেও বাংলাদেশে থেকেছেন। নিজের অসুস্থতাকে গ্রহণ করেছেন। স্বীকার করেছেন। কিন্তু কোন ধরনের নতি স্বীকার করেন নাই। আপোষ করেন নাই। সেই দল হচ্ছে,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’। 

তিনি আরও বলেন,‘সংস্কারের প্রস্তাব ৩১ দফা যেটি এটিও বিএনপি’র সংস্কারের ধারাবাহিকতার কর্মসূচীর একটি অংশ। তাই যতো দ্রুততার সঙ্গে আগামীদিনে জনগনের অধিকার প্রয়োগে সুযোগ সৃষ্টি হবে,জনগন তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এবং আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব জনগণ যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে দিতে পারে সেই জন্যই অন্ত:বর্তী সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে,তাদের নামই হচ্ছে,অন্ত:বর্তীকালীন। অর্থাৎ তাদের মেয়াদ খুবই ক্ষণস্থায়ী র্দীঘস্থায়ী নয়। তাদেরকে বুঝতে হবে জনগনের অধিকার জনগণকে ফেরত দেয়ার জন্য অতিদ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে জনগণকে তাদের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ গ্রহণ করবে। জনগন যাকে খুশি তাদের ইচ্ছামতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে এবং জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আগামীদিনের সিদ্ধান্ত নিবে দেশ কোন দিকে এগোবে’।

আজ বুধবার (১৪ মে) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের অভিজাত বেঙ্গল কনভেনশন হলে আয়োজিত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহবায়ক ফয়জুল করিম ময়ুনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুর রিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জিকে গউছসহ সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন,মিফতাহ সিদ্দিকী, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এম নাসের রহমান। এতে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী,জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। 

ডা: জাহিদ হোসেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর ইউনিটের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ কিভাবে সুন্দর করা যায় সেজন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। আগামীর বাংলাদেশ সুন্দর করার জন্য,সুন্দর ভাবে গড়ে তোলার জন্যদেশের মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এবং সূখী সমৃদ্ধশালী সার্বভৈৗম একটি বাংলাদেশ যেখানে সুশাসন থাকবে। আইনের শাসন থাকবে। মানবাধিকার থাকবে। জনগণের অধিকার থাকবে। সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকবে এবং সকল শ্রেণী পেশোর মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে সামনেরদিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ৩১ দফা কর্মসূচী প্রণয়ন করে তারেক রহমান সহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শুধু নয়, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামি অন্যান্য রাজনৈতিকদল ৩১ দফাকে জনগণের দফায় এবং জনগণের দাবিতে পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, ‘এ ৩১ দফাকে সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের জন্য মৌলভীবাজারকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একটি দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে অতীতেও কাজ করেছেন এখনও কাজ করছেন এবং সংগঠনকে আরও কিভাবে সুসংগঠিত করা যায়, সংগঠনকে কিভাবে আরও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায় এবং আগামীদিনে জনগনের অধিকার আদায়ের যে সুযোগ আসবে সেই সময় ৩১ দফার পক্ষে জনগনকে কিভাবে ঐক্যবদ্ধ করে জনগনের সমর্থন আদায় করা যায় সেই লক্ষেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। 

ডা: জাহিদ আরও বলেন,জনগনের দাবী আদায়ের জন্য ঐক্যের বিকল্প কিছু নেই। ঐক্যবদ্ধ যদি থাকি তাহলে আমরা বিশ্বাস করি তারেক রহমানের ৩১ দফাকে দেশের দেশের জনগণ যেভাবে গ্রহণ করেছে একইভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া টু জিরো ত্রি জিরো ভিশনের মাধ্যমে যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, এর পূর্বে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসুচীর মাধ্যমে দিয়েছিলেন। যেটি আজ জনগনের দাবিতে পরিণত হয়েছে। 

মনে রাখতে হবে আমাদের দলের সবার মধ্যে কিভাবে ঐক্যকে ধারণ করা যায় এবং ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে পারলেই ৫ ই আগষ্ট ২০২৪-এ যেরকম স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে ঐক্যের কারণে একইভাবে ৩১ দফার পেছনেও জনগনের সমর্থন আদায় করা যাবে যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে জনগনের সামনে যেয়ে দাঁড়াতে পারি’।

বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে সংগৃহীত। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা