a জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে
ঢাকা রবিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ০৪:৫৮
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে

ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি নেওয়া হবে। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে ২৮ জুলাই। অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।

গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভর্তির নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ২৮ জুলাই বিকেল চারটা থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে। অনলাইনে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।

ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে শুরু হবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার সায়েম ‘ল’ চেম্বার উদ্বোধন করেন


মো: সোহাগ, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ০২:২৬
সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার সায়েম ‘ল’ চেম্বার উদ্বোধন করেন

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা প্রতিনিধি: জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টারের ১১তলায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ল’ টেম্পল চেম্বার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক গরীব মানুষ আছে। এখানে মানুষের সেবা করার যত সুযোগ আছে, এতো সুযোগ পৃথিবীতে খুব কম দেশেই আছে। গরীব মানুষের সেবা করার মধ্যে অনেক তৃপ্তি থাকে।’ কনিষ্ঠ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেছেন সারাদেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েমের চেম্বার ‘ল’ টেম্পলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। 

শুক্রবার (২০ জুন) রাজধানীতে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বিজয়নগরে অবস্থিত জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টারের ১১তলায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চেম্বারের পথচলা শুরু।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আইন ও ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার। ব্যারিস্টার সায়েম সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই মহৎ উদ্যোগটি নিয়েছেন। আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। 

বিএনপি সবসময়ই জনগণের কল্যাণে কাজ করে। ‘ল’ টেম্পল’-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ মানসম্মত আইনি সেবা পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। মানবাধিকার রক্ষায় এ প্রতিষ্ঠান কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েম উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যা মানুষকে কেবল পরামর্শ নয়, প্রয়োজনে সুরক্ষা ও প্রতিনিধিত্বের সুযোগও দেবে। ‘ল’ টেম্পল’-এর মাধ্যমে আমরা দেওয়ানি, ফৌজদারি, করপোরেট, মানবাধিকার, পরিবার আইনসহ বিভিন্ন শাখায় আইনি সেবা প্রদান করবো। এই প্রতিষ্ঠান হবে জনগণের কণ্ঠস্বর, ন্যায়ের প্রতিচ্ছবি।’ 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষজনের উপস্থিতিতে মিলনমেলায় রূপ নেয় জেবুন ইনডেক্স ট্রেড সেন্টার। 

ব্যারিস্টার আবু সায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন এবং ইউনিভার্সিটি অব ল-এ বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব দ্য মিডল টেম্পল’-এর সদস্য হিসেবে Barrister-at-Law হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই আইনজীবীর দেশে ফেরার উদ্যোগকে স্বাগতম জানিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের দেশে মেধার বিকাশের অনেক প্রয়োজন রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ২০ নির্দেশনা মানতে হবে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২১ ফেরুয়ারী, ২০২২, ১০:১৭
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ২০ নির্দেশনা মানতে হবে

ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামীকাল ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। এদিন থেকে শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে মানতে হবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি।

প্রতিষ্ঠান খোলার পর কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গতকাল রবিবার মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ২০টি নির্দেশনা দিয়ে একটি আদেশ জারি করেছেন।
এগুলো হলো-

১. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে শিক্ষার্থীরা কোডিড-১৯ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে, তারা সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে।

২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখসহ অন্যান্য স্থানে কোভিড-১৯ অতিমারি সম্পর্কিত সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে করণীয় বিষয়সমূহ ব্যানার বা অন্য কোন উপায়ে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে নিয়মিত তাপমাত্রা মাপা ও তা পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা করা।

৪. পরিস্থিতি বিবেচনায় অনলাইন/ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শিখন-শেখানো কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৫. শিক্ষার্থীদের জন্য বিতরণকৃত অ্যাসাইনমেন্টসমূহের কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত থাকবে।

৬. শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিন ইতোপূর্বে প্রেরিত নির্দেশনা মোতাবেক প্রণয়ন করতে হবে।

৭. শিক্ষার্থীদের ভিড় এড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানের সবগুলো প্রবেশ/প্রস্থান মুখ ব্যবহার করার ব্যবস্থা করা। যদি কেবল একটি প্রবেশ/প্রস্থান মুখ থাকে সেক্ষেত্রে একাধিক প্রবেশ/প্রস্থান মুখের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা।

৮. প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে শ্রেণি কার্যক্রমে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করা।

৯. প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিন শিক্ষার্থীরা কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করবে এবং বাসা থেকে যাওয়া আসা করবে, সে বিষয়ে তাদের শিক্ষনীয় ও উদ্বুদ্ধকারী ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করা।

১০. প্রতিষ্ঠানের একটি কক্ষ প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ আইসোলেশন কক্ষ হিসেবে প্রস্তুত রাখা।

১১. প্রতিষ্ঠানের সব ভবনের কক্ষ, বারান্দা, সিঁড়ি, ছাদ ও আঙিনা যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার ব্যবস্থা করা।

১২. প্রতিষ্ঠানের সব ওয়াশরুম নিয়মিত সঠিকভাবে পরিষ্কার রাখা এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা রাখা।

১৩. প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবকসহ অন্য কেউ প্রবেশ/অবস্থান/প্রস্থানের সময় সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন করা।

১৪. প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী এবং অন্যদের সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান করার বিষয়টি নিশ্চিত করা।

১৫. প্রতিষ্ঠানে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা।

১৬. শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা। এক্ষেত্রে পারস্পরিক তিন ফুট শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা করা।

১৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, ড্রেন ও বাগান যথাযথভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা এবং কোথাও পানি জমে না থাকে তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা।

১৮. প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির সংখ্যা নিরূপণ করা।

১৯. প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আনন্দঘন শিখন কার্যক্রমের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা।

২০. প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবকদের সঙ্গে সভা করে এসব  বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - শিক্ষা