a জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ০৪:৫৮
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে

ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি নেওয়া হবে। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে ২৮ জুলাই। অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।

গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভর্তির নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ২৮ জুলাই বিকেল চারটা থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে। অনলাইনে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।

ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে শুরু হবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

'ভূতের সেলফি'র পর সাড়া ফেলেছে কুমার অরবিন্দের নতুন বই 'দাদুর ডায়েরি'


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মু্ক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ০৮:৫৯
ভূতের সেলফির পর সাড়া ফেলেছে কুমার অরবিন্দের নতুন বই দাদুর ডায়েরি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ জুড়ে চলছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৪। দিন দিন বাড়ছে পাঠক সমাগম এবং দর্শনার্থী। বিক্রি যেমনই হোক, পাঠক-দর্শকে মুখরিত বইমেলা প্রাঙ্গণ। প্রতিদিনই মেলার ভেতর লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন তরুণ কবি-লেখকরা। সাথে প্রতিনিয়তই আসছে নতুন নতুন বই। অমর একুশে বইমেলা হল নতুন পুরাতন লেখকদের মহা মিলনমেলা। গত কয়েক বছর ধরে নতুন লেখকদের বেশ কয়েকটি বই নজর কেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় তরুন লেখক, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক কুমার অরবিন্দের নতুন বই 'দাদুর ডায়েরি' সাড়া ফেলেছে এবারের বইমেলায়। গতবার এই লেখকের 'ভূতের সেলফি' ছিল দারুন সমাদৃত। ইস্তামিন প্রকাশক নিয়ে এসেছে লেখক কুমার অরবিন্দের ‘দাদুর ডায়েরি’। এটি মূলত একটি গল্পগ্রন্থ যা পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা, স্টল নং- ১৭২-১৭৩-১৭৪ এ। গল্পকার কুমার অরবিন্দ মানুষকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। সমাজ-মন্থনে তিনি গল্প তুলে আনেন। প্রাঞ্জল ভাষায় যথোচিত শব্দ-সহযোগে চরিত্রের অবয়ব দান করেন। ফলে তার গল্পের চরিত্রগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে। তিনি এ সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের একজন।‘দাদুর ডায়েরি’ বইটি সম্পর্কে কুমার অরবিন্দ বলেন, অসম্ভব ভালো লাগার একটি বই। গল্পগ্রন্থটি অনেক তথ্যবহুল এবং অনেক শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে যা মানুষের মনে নাড়া দিবে। আশা করছি আমার লেখনি সবার ভালো লাগবে। এছাড়া লেখকের 'ভূতের সেলফি' উৎসব চলমান রয়েছে এবার বইমেলায়ও। ‘ভূতের সেলফি’ কিশোর উপন্যাসটি সম্পর্কে কুমার অরবিন্দ বলেন, ‘এটি ভূত বিষয়ক উপন্যাস হলেও ভয়ের কিছু নেই। আছে মজা ও বিজ্ঞান। স্কুল পড়ুয়া তিন বন্ধুকে নিয়ে উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে।’ বইটির প্রকাশক বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ একটি বই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভূতের উপন্যাস হলেও মোটেও এটি গা শিউরে ওঠা ভয়ের গল্প নয় বরং আনন্দের। নিশ্চয়ই বইটি খুদে পাঠকেরা পছন্দ করবে। বই গুলো পাওয়া যাবে ইন্তামিন প্রকাশনের ১৭২-১৭৩-১৭৪ নং- স্টলে। লেখকের প্রকাশিত উপন্যাস: ভাগের জীবন (ইন্তামিন প্রকাশন), বেকারবেলার বিরহ (ইন্তামিন প্রকাশন), গল্পগ্রন্থ: সে রাতে চাঁদ ছিল না (কালি কলম প্রকাশন), অসমাপ্ত বিকেল (ইন্তামিন প্রকাশন), বাবা এবং অন্যান্য গল্প (ইন্তামিন প্রকাশন)। গত কয়েকদিন ব্যাপক লোক সমাগম হলেও পাঠকের সংখ্যা ছিল খুবই কম। বেশির ভাগই ছিলেন দর্শনার্থী। যারা বইয়ের মেলায় এসেও বই না কেনে আড্ডায় মেতেছেন। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বিক্রি ভালো হবে বলেও তারা প্রত্যাশা করছেন। প্রকাশকরা বলছেন, করোন মহামারীর পর আগের মেলাগুলোতে বিক্রি ভালো হয়েছে। তবে এবার মানুষ বেশি হবে প্রত্যাশা করে তারা বলছেন, দর্শনার্থী বেশি হলেও বিক্রি কেমন হবে তা মেলার মধ্য সময়ে বুঝা যাবে। বইমেলা প্রতিদিন শুরু হয় বেলা ৩টায় আর চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। ‘পড় বই, গড় দেশ : বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে -এর চত্বর এবং সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৃথিবীর বৃহত্তম বার্ষিক এই বই মেলার আয়োজন করেছে।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একজন সাইফুল আজমের প্র‍য়োজনবোধ করছে ফিলিস্তিন


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ০৪:৩৬
একজন সাইফুল আজমের প্র‍য়োজনবোধ করছে ফিলিস্তিন

ফাইল ছবি । সাইফূল আজম

 

সাইফুল আজম শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র যোদ্ধা, যিনি আকাশপথে লড়াই করেছেন তিন তিনটি, আলাদা দেশের বিমানবাহিনীর সদস্য হয়ে। তিনিই একক ব্যক্তি হিসেবে আকাশপথে যুদ্ধের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিলেন। ইতিহাসে নজির সৃষ্টিকারী ২২ জন ‘লিভিং ঈগলের’ অন্যতম একজন ছিলেন এই বীর বাঙালি বিমান সৈনিক'

১৯৭১ সালের পূর্বে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কাজ করেছিলেন সাইফুল আজম। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে অংশ নেন। পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ আরম্ভ হলে সশরীরে যুদ্ধে অংশ নিতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইরাকি বিমানবাহিনীতে স্থানান্তরিত হন সাইফুল আজম। পশ্চিম ইরাকে অবস্থান নিয়ে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তিনি।

যুদ্ধ আরম্ভ হবার মাত্র ৫ দিনের মাথায় গাজা এবং সিনাইয়ের কর্তৃত্ব নিয়েছিল ইসরাইল। জুনের ৫ তারিখে সিরীয় বিমানবাহিনীর দুই-তৃতীয়াংশ শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছিল সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলি বিমান সেনারা। তেমন কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই ইসরাইল পশ্চিম তীর এবং জেরুজালেম তারা দখল করেছিল। করায়ত্ব করেছিল সিরিয়ার গোলান মালভূমিও। তাদের সামনে বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ তৈরি করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ। এ সময় ইসরাইলিদের যমদূত হয়ে জর্ডানে যান সাইফুল আজম।

৬ জুন আকাশ থেকে প্রচণ্ড আক্রমণে মিসরীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধ-সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিল ইসরাইলি বাহিনী। একই দিনে চারটি ইসরাইলি সুপারসনিক ‘ডাসল্ট সুপার মিস্টেরে’ জঙ্গি বিমান আক্রমণের জন্য ধেয়ে আসে জর্ডানের মাফরাক বিমান ঘাঁটির দিকে। এবার তাদের উদ্দেশ্য ছিল জর্ডানের বিমানবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া।

সে সময় ইসরাইলি শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করার মতো সমতুল্য বিমান আরবীয়দের ছিল না। তবু ইসরাইলিদের আটকাতে মাফরাক বিমান ঘাঁটি থেকে 'হকার হান্টার’ জঙ্গি বিমান নিয়ে বুক চিতিয়ে উড়াল দিয়েছিলেন সাইফুল আজম।

আর সেই হকার হান্টার দিয়েই চিতার ন্যায় তীব্র গতিতে দুটি ইসরাইলি সুপারসনিক বিমানকে ভুপাতিত  করে মাটিতে আছড়ে ফেলেছিলেন  সাইফুল আজম। তার অব্যর্থ আঘাতের পর আঘাতে ভূপাতিত হচ্ছিল এক  একটি ইসরাইলি ‘সুপার মিস্টেরে’। 

সে দিন ভয়ডরহীন বৈমানিক সৈনিক সাইফুল আজমের অকল্পনীয় সাহস আর বীরত্বের কাছে ইসরাইলের সকল পরিকল্পনাই হারিয়ে যায়। উল্টো নিজেদেরই দুটো বিমান হারাতে হয়েছিল তাদের। এমন সাহসী বীরত্বের জন্য পুরস্কারস্বরূপ সাইফুল আজমকে ‘হুসাম-ই-ইস্তিকলাল’ সম্মাননায় ভূষিত করে জর্ডান সরকার।

সাইফুল আজমের কাছে ইসরাইলি বৈমানিকদের ধরাশায়ী হওয়া এটাই প্রথম। পরদিনই তার কৃতিত্বে ইরাকি বৈমানিক দলের কাছে চরমভাবে পরাজিত হয় ইসরাইলিরা। ৭ জুনে ইরাকের ‘এইচ-থ্রি’ ও ‘আল-ওয়ালিদ’ ঘাঁটি রক্ষা করার দায়িত্ব পড়ে এক ইরাকি বৈমানিক দলের কাঁধে। আর সাইফুল আজম সেই দলের অধিনায়ক। সে দিন চারটি ‘ভেটোর বোম্বার’ ও দু’টি ‘মিরেজ থ্রিসি’ জঙ্গি বিমান নিয়ে আক্রমণ চালায় ইসরাইল।

একটি ‘মিরেজ থ্রিসি’ বিমানে ছিলেন ইসরায়েলি ক্যাপ্টেন গিডিওন দ্রোর। দ্রোরের গুলিতে নিহত হন আজমের উইংম্যান। তার হামলায় ভূপাতিত হয় দুটি ইরাকি বিমান। পরক্ষণেই এর জবাব দেন আজম। তার অব্যর্থ টার্গেটে পরিণত হয় দ্রোরের ‘মিরেজ থ্রিসি’। সে আঘাতের পর বাঁচার উপায় না পেয়ে যুদ্ধবন্দি হিসেবে ধরা দেন ক্যাপ্টেন দ্রোর। ওই যুদ্ধবন্দির বিনিময়ে জর্ডান ও ইরাকের সহস্রাধিক সৈন্যকে মুক্ত করে দেয় ইসরাইল।

আরব-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সাইফুল আজম একটি অনন্য রেকর্ড তৈরি করেন। ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভূপাতিত করেছেন সর্বোচ্চ তিনটি ইসরাইলি বিমান। যে জন্য ‘নাত আল-সুজাহ’ সামরিক সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

ইতিহাসে তার অন্যান্য নজিড় স্থাপনকারী এই কাজের জন্য তাকে  পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘সিতারা-ই-জুরাত’-এ ভূষিত করা হয়। সাইফুল আজমই পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র বৈমানিক যিনি চারটি দেশের বিমানবাহিনীর সৈন্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই চারটি দেশ হল পাকিস্তান, জর্ডান, ইরাক ও মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

এই চার দেশ ব্যতিত ও তিনি আটটি আলাদা দেশের আট বাহিনীর বিমান পরিচালনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, জর্ডান, ইরাক, রাশিয়া, চীন ও নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশের হয়ে বিমান চালিয়েছেন তিনি। যুদ্ধক্ষেত্রে অনন্য সব অর্জন আর ইতিহাস গড়া সাইফুল আজমকে ২০০১ সালে ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স বিশ্বের ২২ জন ‘লিভিং ইগলস’-এর একজন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

কিংবদন্তি এই বীর বাঙালি আমাদের মাঝে আর বেচে নেই। গত বছর জুনে ঢাকার মহাখালী ডিএসএইচওর তার নিজ বাস ভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন তিনি নানা জটিল ও কঠিন রোগে ভুগছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা