a
ছবি সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি থেকে সরকারি সাত কলেজ বাতিল হওয়ার পর থেকেই ২০২৪-২৫ সেশনের (স্নাতক) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়ে নানা জল্পনা ছিল। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। অধিভুক্তি কলেজগুলোর স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা তাদের নিজ নিজ কাঠামোয় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাবির অধিভুক্তি কলেজের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া ঢাবির অধীন চলমান ঢাকার বড় সাতটি কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনগ্রহণ প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
গত ৬ জানুয়ারি সাত কলেজে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকে ভর্তির আবেদন শুরু হয় এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শেষ তারিখ ছিল। আর ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা আগামী এপ্রিল মাসে।
এদিকে ঢাবি অধিভুক্তি কলেজের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত ও অধিভুক্ত ১৮২টি কলেজ-ইনস্টিটিউটের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা ধরণের ঢাকায় অবস্থিত সরকারি সাতটি কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
এছাড়াও বলা হয়েছে, কলেজগুলোর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির পরবর্তী নির্দেশনা মোতাবেক তাদের নিজ কাঠামোর (বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্যকিছু) ওয়েবসাইটে আবেদন সম্পন্ন করা হবে। এই ওয়েবসাইটে আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য ও ভর্তি পরীক্ষার জমাকৃত ফি (মোট ৩৩,১০১টি আবেদন) নতুন কাঠামোর ভর্তি পরীক্ষার আয়োজকদের সরবরাহ করা হবে। একইসঙ্গে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আগ্রহী হয়ে আবেদন করেছেন, কিন্তু নতুন কাঠামোতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আগ্রহী নয়, তাদের ভর্তি পরীক্ষার ফি ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে জানানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়টি দেখভাল করবে।
তবে, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি’ এবং ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ ধরনের বিশেষায়িত কলেজসমূহের ভর্তি আবেদন গ্রহণ চলমান রয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠানের কিছু উল্লেখযোগ্য ছবি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইবনে সিনা মডেল স্কুলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
করোনা বিবেচনায় শিক্ষার্থী শূণ্য স্কুলে শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করে স্ট্যান্ডার্ড ফোর-এর ছাত্র এ.এন.এম শাফকাত আলম ইশমাম। স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন সম্মানিত ভাইস প্রিন্সিপাল জনাব ফেরদৌসী বেগম।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মিসেস মিলিয়া জাহান। কবিতা আবৃত্তি করেন মিসেস রাজিয়া সুলতানা এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিসেস সেলিনা ও মিসেস রাজিয়া সুলতানা।
এরপর শিক্ষকদের মাঝে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন জনাব মো: মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস হাসনা বেগম এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস আফরোজা সুলতানা রুমি।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে রচিত বই থেকে পাঠ করেন শোনান সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল মিসেস রওশন আকতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিসেস তাজরীনা আক্তার জলি।
সমাপনী বক্তব্য পেশ করেন ইবনে সিনা মডেল স্কুলের প্রিন্সিপাল জনাব এ. কে. এম আনিসুজ্জামান রাসেল।
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো বার্তায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভুয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের মানবাধিকারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করেন বাইডেন।
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও তিনি জানান। এছাড়া, জলবায়ু সংকট নিরসনে কাজ করতে বাংলাদেশর প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে।