a
ফাইল ছবি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে না।
এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে শনিবার (২৯ মে) এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার।
এসময় ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ফাইল ছবি
সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ (বৃত্তি) ঘোষণা করেছে। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে এই স্কলারশিপ দেওয়া হবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।
বিজ্ঞান, মানবিক, চারুকলা ব্যবসায় প্রশাসন, প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশলসহ বেশকিছু একাডেমিক প্রোগ্রামে বৃত্তি দেওয়া হবে। চার বছরের স্নাতক, দুই বছরের স্নাতকোত্তর এবং তিন বছরের পিএইচডি ডিগ্রির জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হবে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সব খরচ বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিমানের টিকিট (রিটার্নসহ), পিএইচডি ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য ৪,০০০ রিয়াল ও ৩,০০০ রিয়াল থিসিস প্রিন্টিং ভাতা, বই কেনার ভাতা, থাকা-খাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা, প্রস্তুতি ভাতাসহ মাসিক ভাতাও থাকবে।
আবেদনে যোগ্যতা
ভালো একাডেমিক রেকর্ডের পাশাপাশি প্রার্থীদের বয়স মাস্টার্সের জন্য ১৭-২৫ বছর এবং পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আবেদনকারীদের আরবি ভাষায় দক্ষতা লাগবে। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে (https://dsa-scholarships.kau.edu.sa/404.htm) ক্লিক করুন।
সংগৃহীত ছবি
আলোচিত নায়িকা পরীমণি রাজধানীর বিভিন্ন সামাজিক ক্লাব ও বারে নিষিদ্ধ হচ্ছেন। সবাই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে। এর মধ্যে সামাজিক ক্লাবগুলোর কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে পরীমণিকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার।
পরীমণি কিংবা তার মত কাউকে ক্লাবে কোনো সদস্য নিয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, কোন অনাকাংঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সদস্যপদ খারিজ করা হবে। ক্লাব ও বারগুলোর এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী ও প্রদর্শকরাও।
তারা বলছেন, ব্যক্তি বিশেষের দায়ভার কোনোভাবেই পুরো চলচ্চিত্র জগত নিতে পারে না। পরীমণি বাংলাদেশের সিনেমার বড় ধরণের ক্ষতি সাধন করেছে। নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেছেন চলচ্চিত্র জগত সম্পর্কে। তার কারণে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন অন্য অভিনেত্রীরাও।
এদিকে, পুলিশ গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাবে পরীমণির ভাঙচুর ও মাতলামির সকল সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে সত্যতা পেয়েছে। এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বোট ক্লাবের ফুটেজগুলো। প্রয়োজনে পুলিশ পরীমণি ও তার সঙ্গীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।