a
ফাইল ছবি
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের স্কুল-কলেজগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে পাঠদান কর্মসূচি।
ফাইল ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তির জন্য ১ হাজার ৮৮৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে তিন লাখ ৭ হাজার ৯৭৮ জন শিক্ষার্থীর। সে হিসেবে প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়বে ১৬৩ জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ২০ জুন থেকে অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা বাড়িয়ে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে শনিবার (১৪ আগস্ট) রাত ১২টা পর্যন্ত ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পেয়েছে।
জাবি কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান জানান, এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক আবেদন শেষে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন মোট তিন লাখ ৭ হাজার ৯৭৮ জন শিক্ষার্থী। যা গত বছরের তুলনায় ৫১ হাজার ৯৮৪ জন কম।
তিনি আরও জানান, এ বছর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মোট ৯টি ইউনিটের জন্য পৃথকভাবে ফরম পূরণ করতে হয়েছে। এর মধ্যে এ ইউনিট (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ) ৬৮,২০২ জন, বি ইউনিট (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ) ৩৭ হাজার ৮৪৭ জন, সি ইউনিট (কলা ও মানবিক অনুষদ) ৪১ হাজার ৬৭৭ জন, সি ১ ইউনিট (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগ) ১০ হাজার ২৬৮ জন, ডি ইউনিট (জীববিজ্ঞান অনুষদ) ৬৯ হাজার ১২৯ জন, ই ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) ১৮ হাজার ৩৩ জন, এফ ইউনিট (আইন অনুষদ) ২৪ হাজার ৭৩ জন, জি ইউনিট (ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) ৮ হাজার ৮৬১ জন, এইচ ইউনিট (ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি) ২৩ হাজার ২৪০ জন এবং আই ইউনিট (বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট) ৬ হাজার ৭১০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।
ভর্তি পরীক্ষা কবে নাগাদ হতে পারে এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আমরা ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের বিজ্ঞপ্তিতেই জানিয়েছে যে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এখনো সেই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে আমাদের জানানো হলেই পরে আমরা জানিয়ে দিতে পারবো।
সংগৃহীত ছবি
মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে ফেরিতে করে বাড়ি যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষ।
শুক্রবার সকালে শিমুলিয়া ঘাটে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ ফেরিতে করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। সেখানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতে মানা হচ্ছে না কোন স্বাস্থ্যবিধি। যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়ে ফেরিতে যানবাহন উঠার সুযোগই পাচ্ছে না। এতে হিমশিম খাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ ও স্থানীয় পুলিশ। গাদাগাদি করে মানুষকে ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে।
গত সোমবার মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ঘাটে স্পিডবোট ও বাল্কহেডের সংঘর্ষে ২৬ যাত্রী নিহত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে বিআইডব্লিউটিএ ও নৌ পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন।
এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে। ফেরিতে উঠে নদী পার হওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরির ডালা খোলার অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ ও ভোগান্তি পোহাচ্ছে ঘরমুখো যাত্রী।
বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ঘাট কর্তৃপক্ষ জানান, ঈদকে সামনে রেখে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথ দিয়ে ঘরে ফিরছে মানুষ। আজ ভোর থেকে এ নৌপথে মানুষ ও যানবাহনের ভিড় বাড়তে থাকে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীর চাপ আরও বেড়ে যায়।