a
ফাইল ছবি
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের স্কুল-কলেজগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে পাঠদান কর্মসূচি।
ফাইল ফটো
আগামী ২৩ মে থেকে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির বৈঠক শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এ তথ্য জানানো হয়।
আজ সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বলা হয় যে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ সময়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। সূত্র: নিউজ২৪
সংগৃহিত ছবি
বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা কম বেশি সকলেই করে থাকে। অনলাইনে ক্রয়কৃত মালামাল উলট পালটের ঘটনা হয়ত অনেকের কাছে একটি অবগত বিষয়। কিন্তু অনলাইনে কেনা কোন পন্যে যদি লুকানো থাকে হাজার হাজার টাকা তাহলে ত ক্রয়কারী লাখপতি বিনা পুজিতেই! ঠিক এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার এক ব্যবসায়ীর ভাগ্যে। নিজের ব্যবসায়ীক কাজে অনলাইনে ফ্রিজার কিনেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার এক ব্যক্তি।
নতুন ফ্রিজ পাওয়ার কিছুদিন পর তার মধ্যে খুঁজে পেলেন এক কোটি টাকার নোট! এত টাকার পেয়ে লোকটি কিছুটা হতবাক হলেও পরবর্তীতে পুলিশকে ফোন দিয়ে পুরো টাকা তুলে দিলেন তাদের হাতে। সততার এমনই নিদর্শন দিলেন এক ব্যক্তি। এমনি খবর নিশ্চিত করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ঐ ব্যক্তি জানান, প্রথমে খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। কিছুক্ষণ ভেবে বুঝলাম পুলিশে খবর দেওয়াই সঠিক কাজ হবে। তাই স্থানীয় থানায় ফোন করি। এরপর তার বাড়িতে এসে টাকাগুলো উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা।
এবিষয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তিনি তার পুরো কর্মজীবনে এত টাকা একসঙ্গে কখনও উদ্ধার করেননি। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী টাকা হারিয়ে গেলে এবং তার কোনো দাবিদার না থাকলে সেটা যিনি পেয়েছেন তার হয়ে যায়। যদিও ২২% কর কাটা হয়। তবে কোনও টাকার সঙ্গে অপরাধের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলে তা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে।