a
ফাইল ছবি
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের স্কুল-কলেজগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে পাঠদান কর্মসূচি।
ফাইল ছবি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি নেওয়া হবে। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে ২৮ জুলাই। অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।
গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভর্তির নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ২৮ জুলাই বিকেল চারটা থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন আবার শুরু হবে। অনলাইনে এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।
ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে শুরু হবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস।
সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাজধানী বৈরুতের মাদি এলাকায় ড্রোনগুলো ধ্বংস করে।
ইরাকের সাবেরিন নিউজ চ্যানেল জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সাগরের দিক থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের মাদি এলাকায় প্রবেশের চেষ্টাকালে চারটি ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করে হিজবুল্লাহর সেনারা। এগুলোকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
ইসরায়েল মাঝে মধ্যেই লেবাননের জল, স্থল ও আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে। আন্তর্জাতিক সব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লেবাননের আকাশ ব্যবহার করে এর আগে সিরিয়াতেও হামলা চালিয়েছে তেল আবিব।
লেবানন সরকার সব সময় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়ে অবহিত করার পাশাপাশি আগ্রাসন ঠেকাতে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি করে আসছে।
২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদিত ১৭০১ নম্বর ইশতেহারে বলা হয়েছে, ইসরায়েল লেবাননের বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষমূলক তৎপরতা চালাবে না। কিন্তু ইসরায়েল কখনো কোনো আন্তর্জাতিক আইন ও ইশতেহারকে মেনে মানেনি। খবর-পার্সটুডে