a মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সেই শিক্ষকের সন্ধান মিলেছে
ঢাকা শনিবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সেই শিক্ষকের সন্ধান মিলেছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২২, ১২:৪৪
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সেই শিক্ষকের সন্ধান মিলেছে

ফাইল ছবি

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. হারুনুর রশীদের সন্ধান মিলেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সায়েদাবাদে নিখোঁজের ছয় দিন পর তার খোঁজ পায় পুলিশ।

পুলিশ বলছে, নিখোঁজ নয়, মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। হারুন রাজধানীর সবুজবাগ থানার মাদারটেক শাপলা কানন আবাসিক এলাকায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন।

এর আগে ৩১ জানুয়ারি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি শিক্ষক হারুন। তাকে না পাওয়ায় পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি)  করে তার পরিবার। পরে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, হারুন ঘটনার দিন একটি ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের এসি মনতোষ বিশ্বাস বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষক হারুনকে সায়েদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে উদ্ধারের পর কাউন্সিলিং করে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিক্ষক হারুনের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, তিনি মানুষ হিসেবে খুব ভালো এবং ধার্মিক। তিনি তিন সন্তানের জনক। এর মধ্যে এক ছেলে চিকিৎসক, অন্য ছেলে বুয়েটের শিক্ষার্থী। ছোট মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষক হারুনের পরিবারের সদস্যরা সবাই ব্যস্ত থাকেন। আবার করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ বন্ধ। ফলে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি পরিবার ও পেশাগত জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ব্যক্তিজীবনে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। হারুন পুলিশকে জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য সকালে বের হয়ে মনে হলো কোনদিকে যাব? এরপর সায়েদাবাদে গিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলে একটি হোটেলে উঠে পড়ি। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হারুন কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা কয়েক দিন তিনি হোটেলেই ছিলেন। তার পরিবার কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। মোবাইল ব্যবহার না করার কারণে তাকে খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে।

এসি মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা শিক্ষকের পকেটে তার অফিসের একটি ই-মেইল ও ই-মেইলের পাসওয়ার্ড এবং বাসার মোবাইল নম্বর ছিল। শনিবার সারাদিন ওই শিক্ষক একজন পান দোকানদারের সঙ্গে বসেছিলেন। এরপর দোকানদার তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তিনি বাসা থেকে চলে এসেছেন। পান দোকানদারই পুলিশকে শিক্ষকের তথ্য দেয় এবং তাকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন মো. হারুনুর রশীদ। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে মতিঝিল আইডিয়ালে শিক্ষকতা করেন। তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জাবির সাবেক উপাচার্য


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২১ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:০৪
করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জাবির সাবেক উপাচার্য

ফাইল ছবি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান (৭৪)(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাজি রাজিউন)। গত শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের মৃত্যুর তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তার মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক তাসমিনা রহমান। অধ্যাপক তাসমিনা রহমান জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তার বাবাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

গত ০৪ আগস্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান। পরবর্তীকালে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিউ) স্থানান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের গুণী এ অধ্যাপক ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ চার বছর জাবির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে। সাবেক এই উপাচার্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

শোকবার্তায় অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, "জাবির শিক্ষা, গবেষণা এবং সম্প্রসারণে অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে"। এদিকে খন্দকার মুস্তাহিদুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশসহ বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওয়াশ সেবার দাবী


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫, ০৮:৩৮
সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওয়াশ সেবার দাবী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওযাশ) খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়া উচিত। জোর দাবী জানানো হয় যেন সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীন এবং সমতাভিত্তিক ওযাশ সেবা নিশ্চিত করা হয়। সোমবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।

পিপিআরসি, ওযাটারএইড, এমএইচএম প্লাটফর্ম, ফানসা, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অলসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা এবং সংস্থাসমূহের নেটওয়ার্ক অফ ওয়াশ নেটওয়ার্ক্স যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পিপিআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এটা সর্বজনস্বীকৃত যে একটা দেশের নাগরিকদের পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেবার প্রাপ্তি একটি জন্মগত অধিকার। এই সেবাগুলো নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে, সামাজিক উন্নয়ন টেকসই করে এবং জলবায়ু সহনশীল পেশা নির্বাচন ও উদ্ভাবনী ওয়াশ সমাধানের মাধ্যমে পরিবেশগত অবক্ষয় রোধ করে। বাংলাদেশ সরকার ওযাশ খাতে একাধিক নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে—যেমন, সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান (SDP) ২০১১–২০২৫ এবং ২০২১ সালের জাতীয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন কৌশলপত্র।

তিনি আরও বলেন যে, ২০১৬–১৭ অর্থবছর থেকে ওয়াশ খাতে বরাদ্দে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গিযেছিল, তা ২০২৩- ২৪ অর্থবছরে ব্যাহত হয় এবং ২২.৪৬% হ্রাস পায়। এই নেতিবাচক প্রবণতা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৬ (SDG) এবং জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা (NPTs ১৭–১৮) অর্জনের ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ওযাশ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮২.২৮ বিলিয়ন টাকা, যা ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ২৩% হ্রাস পেয়ে ১৩৯.৭২ বিলিয়ন টাকায় দাঁড়ায। যদিও সংশোধিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরাদ্দ কিছুটা বেড়ে ৭.২২% বৃদ্ধিসহ ১৪৯.৮১ বিলিয়ন টাকা হয়, এরপর ২০২৪– ২৫ অর্থবছরে তা ২২.৪৬% হ্রাস পেয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন যে, এই ধারাবাহিক নিম্নগামী প্রবণতা এদেশের নাগরিকদের নিরাপদ পানি এবং নিরাপদ স্যানিটেশন সেবার অধিকার নিশ্চিতকরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে এডিপি- ভিত্তিক ওয়াশ খাতে বরাদ্দের নেতিবাচক প্রবণতা তুলে ধরা হয়েছে। ওযাশ খাতে বিনিযোগে শহর ও গ্রামের মধ্যে যে ব্যবধান ছিল, তা এখনো প্রকট, যা সমতার নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। এডিপি বাজেটে ওয়াশ খাতের বরাদ্দে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি এন্ড এডভোকেসি লিড ফাইয়াজউদ্দিন আহমদ এডভোকেট বলেন যে, বাজেটে পাহাড়ি, উপকূলীয ও হাওর অঞ্চলের জন্য বরাদ্দে কোন ধারাবাহিকতা নেই। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উপকূলীয অঞ্চলের বরাদ্দ কিছুটা বৃদ্ধি পায় নতুন প্রকল্পের কারণে, তবে এসকল এলাকার মধ্যে ন্যায্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এই ধারা সরকার ঘোষিত সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানি ও নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশনের (NPTs ১৭ ও ১৮) প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ক্লাইমেট জাস্টিস এলায়েন্সের সুমাইয়া বিনতে আনোয়ার বলেন যে, ২৫টি মন্ত্রণালয জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (CCTF) এবং এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে ওযাশ সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও মাত্র ১৩টা মন্ত্রণালয ওযাশ খাতে বিনিযোগকে অগ্রাধিকার দেয় দিয়ে আসছে। তবে প্রশংসনীযভাবে, জলবায়ু-সম্পর্কিত ওযাশ বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিছু মন্ত্রণালয় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও অন্যান্য অভিযোজন কর্মসূচি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার এলায়েন্সের মোহাম্মদ যোবাযের হাসান জানান যে, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে বাজেট বাস্তবায়নে সরকারি সামর্থ্যের অভাবে দেরি হয়েছে, ফলে সংশোধিত বাজেটে আংশিক বরাদ্দ প্রত্যাহার করা হয়। গত ৮ অর্থবছরেও পূর্ণ বাজেট ব্যবহার সম্ভব হয়নি। ২০২৩-২৪ বছরের সরকারী এডিপি প্রকল্পের বাস্তবায়ন দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে পূর্ণ বরাদ্দ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।

পিপিআরসি'র মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ বলেন, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয বাজেটে এডিপি বরাদ্দের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট সম্প্রদাযের সম্পৃক্ততাকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। চর, হাওর, পাহাড়ি অঞ্চলসহ জলবায়ুগত ঝুঁকির আওতাধীন সুবিধাবঞ্চিত এলাকা এবং নগরগুলোর মধ্যকার বরাদ্দ বৈষম্য নিরসন করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ওয়াশ খাতের জন্য এডিপি'র বরাদ্দ ওঠানামা এবং কম আনুপাতিক বৃদ্ধির প্রবণতা দেখায়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাতে (এমডিজি) ওয়াশ খাতের তুলনায় এসডিজি যুগের ওয়াশ খাতের লক্ষ্যমাত্রা আরও জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং।

সম্মেলনে নেটওয়ার্ক অফ ওয়াশ নেটওয়ার্ক্স এর পক্ষ থেকে উপস্থাপিত প্রধান দাবীগুলো হচ্ছেঃ

১। শহর-গ্রাম, মাধ্যমিক ছোট শহর ও দুর্গম অঞ্চলে বৈষম্যহীন ওয়াশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। এডিপি-তে ওযাশ উপ-খাতসমূহ (পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি) এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহ (এফএসএম, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পসমূহ) সঠিক অনুপাতে ও ন্যায্যভাবে বাড়াতে হবে।

২। অন্তর্ভুক্তিমূলক ওয়াশ বিনিযোগকে উৎসাহিত করতে হবে যাতে তা নারীর অধিকার এবং প্রান্তিক ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য (চা-শ্রমিক, বেদে, দলিত, হরিজন, জলদাস/জেলেরা প্রভৃতি) ন্যায্য বরাদ্দ নিশ্চিত করতে পারে।

৩। প্রকল্প বাস্তবাযননে সক্ষমতা বাড়াতে হবে যাতে সমযমতো বাজেট ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ কমে যাওয়া কমানো যায়।

৪। ওয়াশ বাজেট বাড়ানো ও এডিপি বৃদ্ধির সম্প্রসারণের মধ্যে সামঞ্জস্য করতে হবে যাতে হুট করে ওয়াশ বাজেট ওঠানামা এড়ানো যায়।

৫। জলবায়ু অর্থায়নের আওতায় সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে (মোট ২৫টি) ওযাশ-কেন্দ্রিক প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ঝুঁকি অবহিতকরণ এবং জনগোষ্ঠীকে সংযুক্ত (আরসিসিই) করণ বিষয়ক মেথড যথাযথভাবে প্রযোগ করতে হবে, যার মধ্যে জনগণের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা