a
ফাইল ছবি
রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. হারুনুর রশীদের সন্ধান মিলেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সায়েদাবাদে নিখোঁজের ছয় দিন পর তার খোঁজ পায় পুলিশ।
পুলিশ বলছে, নিখোঁজ নয়, মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। হারুন রাজধানীর সবুজবাগ থানার মাদারটেক শাপলা কানন আবাসিক এলাকায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন।
এর আগে ৩১ জানুয়ারি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি শিক্ষক হারুন। তাকে না পাওয়ায় পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। পরে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, হারুন ঘটনার দিন একটি ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের এসি মনতোষ বিশ্বাস বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষক হারুনকে সায়েদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে উদ্ধারের পর কাউন্সিলিং করে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিক্ষক হারুনের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, তিনি মানুষ হিসেবে খুব ভালো এবং ধার্মিক। তিনি তিন সন্তানের জনক। এর মধ্যে এক ছেলে চিকিৎসক, অন্য ছেলে বুয়েটের শিক্ষার্থী। ছোট মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষক হারুনের পরিবারের সদস্যরা সবাই ব্যস্ত থাকেন। আবার করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ বন্ধ। ফলে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি পরিবার ও পেশাগত জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ব্যক্তিজীবনে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। হারুন পুলিশকে জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য সকালে বের হয়ে মনে হলো কোনদিকে যাব? এরপর সায়েদাবাদে গিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলে একটি হোটেলে উঠে পড়ি। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হারুন কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা কয়েক দিন তিনি হোটেলেই ছিলেন। তার পরিবার কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। মোবাইল ব্যবহার না করার কারণে তাকে খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে।
এসি মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা শিক্ষকের পকেটে তার অফিসের একটি ই-মেইল ও ই-মেইলের পাসওয়ার্ড এবং বাসার মোবাইল নম্বর ছিল। শনিবার সারাদিন ওই শিক্ষক একজন পান দোকানদারের সঙ্গে বসেছিলেন। এরপর দোকানদার তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তিনি বাসা থেকে চলে এসেছেন। পান দোকানদারই পুলিশকে শিক্ষকের তথ্য দেয় এবং তাকে উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন মো. হারুনুর রশীদ। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে মতিঝিল আইডিয়ালে শিক্ষকতা করেন। তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি থেকে সরকারি সাত কলেজ বাতিল হওয়ার পর থেকেই ২০২৪-২৫ সেশনের (স্নাতক) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়ে নানা জল্পনা ছিল। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। অধিভুক্তি কলেজগুলোর স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা তাদের নিজ নিজ কাঠামোয় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাবির অধিভুক্তি কলেজের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া ঢাবির অধীন চলমান ঢাকার বড় সাতটি কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনগ্রহণ প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
গত ৬ জানুয়ারি সাত কলেজে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকে ভর্তির আবেদন শুরু হয় এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শেষ তারিখ ছিল। আর ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা আগামী এপ্রিল মাসে।
এদিকে ঢাবি অধিভুক্তি কলেজের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত ও অধিভুক্ত ১৮২টি কলেজ-ইনস্টিটিউটের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা ধরণের ঢাকায় অবস্থিত সরকারি সাতটি কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
এছাড়াও বলা হয়েছে, কলেজগুলোর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির পরবর্তী নির্দেশনা মোতাবেক তাদের নিজ কাঠামোর (বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্যকিছু) ওয়েবসাইটে আবেদন সম্পন্ন করা হবে। এই ওয়েবসাইটে আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য ও ভর্তি পরীক্ষার জমাকৃত ফি (মোট ৩৩,১০১টি আবেদন) নতুন কাঠামোর ভর্তি পরীক্ষার আয়োজকদের সরবরাহ করা হবে। একইসঙ্গে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আগ্রহী হয়ে আবেদন করেছেন, কিন্তু নতুন কাঠামোতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আগ্রহী নয়, তাদের ভর্তি পরীক্ষার ফি ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে জানানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়টি দেখভাল করবে।
তবে, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি’ এবং ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ ধরনের বিশেষায়িত কলেজসমূহের ভর্তি আবেদন গ্রহণ চলমান রয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
আদালতের আদেশ পাওয়ার পর বাংলাদেশে পাবজি, ফ্রি ফায়ারের মত ‘বিপজ্জনক’ ইন্টারনেট গেইমের লিংক বন্ধ করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।
কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমকে (ডট) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য ‘ক্ষতিকর’ অ্যাপগুলোও বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কতগুলো অ্যাপ বন্ধ করা হবে জানতে চাইলে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, টিকটক, বিগো লাইভ ও লাইকির মত অ্যাপসহ আরো বেশ কিছু অ্যাপ বাংলাদেশে বন্ধের প্রক্রিয়া তারা শুরু করা হয়েছে।
“এখন অ্যাপগুলোর লিংক বন্ধ করলেও ভিপিএন দিয়ে চালানো যায়। এসব বন্ধ করার মত সক্ষমতা আমাদের নেই। এই সব অ্যাপের কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েও আমরা বন্ধ করার অনুরোধ জানাব।”