a মাউশির ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণি পাঠদানে মূল্যায়নে ৬ নির্দেশনা
ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মাউশির ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণি পাঠদানে মূল্যায়নে ৬ নির্দেশনা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩, ১২:১২
মাউশির ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণি পাঠদানে মূল্যায়নে  ৬ নির্দেশনা

ফাইল ছবি

নতুন কারিকুলামে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পাঠদান চলছে। এ দুই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোনো প্রচলিত পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) গাইডলাইন অনুযায়ী।

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, দেশের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টির মূল্যায়ন শুরু আগামী ৫ নভেম্বর, শেষ হবে ২৮ নভেম্বর।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সামষ্টিক মূল্যায়ন নিয়ে ৬ দফা নির্দেশেনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—

১. ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরিচালনার জন্য বিস্তারিত নির্দেশনা ২৯ অক্টোবর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।
২. নির্দেশনা মোতাবেক সব বিষয়ে বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরিচালনা করতে হবে।
৩. বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনাতে ট্রান্সক্রিপ্ট ও রিপোর্ট কার্ডের ফরমেট এবং পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তরণের নীতিমালা সংযুক্ত থাকবে।
৪. পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার এবং নির্ধারিতসংখ্যক বিষয়ে পারদর্শিতার সমন্বিত ফল বিবেচনা করা হবে।
৫. রিপোর্ট কার্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য শিক্ষার্থীদের পারদর্শিতার বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ থাকবে।
৬. বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর পর ২ নভেম্বরের মধ্যে অভিভাবক সমাবেশ করে বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন সম্পর্কে অবহিত করে সমাবেশের তথ্য ও ছবি থানা/উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে।

গত জানুয়ারি থেকে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে। আগামী বছর দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু।

এরপর ২০২৫ সালে চতুর্থ, পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে তা চালু হবে। উচ্চমাধ্যমিকে একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬ সালে এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ২০২৭ সালে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল জিপিএ-৫ নিয়েও অনেকে সাবজেক্ট পায়নি


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫৪
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল জিপিএ-৫ নিয়েও অনেকে সাবজেক্ট পায়নি

ফাইল ছবি

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ভর্তিচ্ছুদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, অনেকে কম জিপিএ নিয়ে পছন্দের কলেজ-সাবজেক্ট পাচ্ছেন আবার কেউ কেউ এসএসসি-এইচএসসিতে জিপিএ-৫ নিয়েও পাচ্ছেন না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছুকরা বলছেন, মূলত বিজ্ঞান বিভাগে চলতি শিক্ষাবর্ষে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা অতিরিক্ত হওয়ায় এ জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ বিভাগটিতে একদিকে যেমন প্রতিযোগির সংখ্যা বেশি অন্যদিকে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও বেশি হওয়ায় তুলনামূলক কম জিপিএ পাওয়া ভর্তিচ্ছুরা প্রথম তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া মানবিক এবং ব্যবসা শাখার শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কলেজ-সাবজেক্ট পাচ্ছেন। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের (http://app8.nu.edu.bd/nu-web/applicantLogin.action) পাশাপাশি উত্তীর্ণদের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজের মাধ্যমে ফলাফল জানানো হচ্ছে।

এদিকে, এবারও এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তির ফল প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তিচ্ছুদের আবেদনের ভিত্তিতে এটি ছিল প্রথম মেধা তালিকা। পরবর্তীতে দ্বিতীয়, তৃতীয় মেধা তালিকাও দেবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, ডাবল জিপিএ-৫ নিয়ে পছন্দের কলেজ-সাবজেক্ট না পেলেও অনেকে আরও কম জিপিএ নিয়েও পেয়েছেন।

চলতি বছরে পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল্যায়নে পাস করেছেন সবাই। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬২০ জনই বিজ্ঞান ও গার্হস্থ্য বিভাগের (গ্রুপ) পরীক্ষার্থী। বাকিদের মধ্যে ১৯ হাজার ৬৬৪ জন মানবিক, ইসলাম শিক্ষা ও সংগীত বিভাগের এবং ১০ হাজার ৩৩০ জন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থী আবেদনের পর যারা সাবজেক্ট পেয়েছেন এসব শিক্ষার্থীদের মাঝেও রয়েছে অসন্তোষ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গতিতারকা ডেল স্টেইন


আবু হানিফ,ক্রীড়া ডেস্ক 
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:০৬
ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গতিতারকা ডেল স্টেইন

ফাইল ছবি

ক্রিকেট মাঠে ব্যাটসম্যানদের মনে ভয় জাগানিয়া বোলারদের তালিকা করা হলে উপরের দিকেই যায়গা হবে ক্রিকেটে স্টেইনগান হিসেবে পরিচিতি দক্ষিন আফ্রিকার বোলার ডেল স্টেইনের।

আজ সব ধরনের ক্রিকেটকে অবসরের ঘোষণা দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই পেসার। মঙ্গলবার ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলার।

টেস্ট ক্রিকেটে ওয়ান্ডারার্সে গতির ঝড় তোলার পাশাপাশি গলের স্পিনসহায়ক উইকেটেও ব্যাটসম্যানদের নাস্তানাবুদ করা পেসার বলতেই সবার মনে পড়বে ডেল স্টেইনের নামটাই।

২০০৪ সালের ১৩ ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ২১ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে টেস্ট অভিষেক হয় পরের বছরর হয় ওয়ানডে অভিষেক এক যুবকের। সুইং আর গতিই তার মূল অস্ত্র। আর এই সুইং গতি দিয়েই শাসন করেছেন ক্রিকেট বিশ্ব প্রায় ১৫ বছর।

দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২০ সালে এরপর বিভিন্ন ঘরোয়া লীগ খেললেও ২০২১সালেই ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা বোলার ডেল স্টেইন।

বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ডটি তার নামের পাশে। বিশ্ব ক্রিকেটে তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন মাত্র তিনজন পেসার, তিনজনই স্টেইনের চেয়ে অনেক বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাকে সর্বকালের সেরা বোলার হিসাবে আখ্যায়িত না করা হলেও সেরার তালিকায় তিনি উপরের দিকেই থাকবেন।

আধুনিক ক্রিকেটের সেরা বোলার স্টেইন। এমনকি স্টেইনের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী জেমস অ্যান্ডারসনও স্টেইনকেই সেরা মানেন। এশিয়ায় একজন নন-এশিয়ান বোলার হিসাবে সবচেয়ে সফল ডেল স্টেইন। কে কতটা পরিপক্ক পেসার তার প্রমাণ পাওয়া যায় এশিয়ার স্পিনিং উইকেটে আর ডেল স্টেইন এখানে কারো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এই শতাব্দীতে এশিয়ার মাটিতে তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন মাত্র পাঁচজন বোলার, পাঁচজনই এশিয়ার পেসার।

আর তাদের মাঝে কেবল শোয়েব আখতার স্ট্রাইকরেট ও গড়ে এগিয়ে আছেন। টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার করা জেমস অ্যান্ডারসনও ডেল স্টেইনের সমান এশিয়ার মাটিতে ২২টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কিন্তু তিনি সফল হতে পারেননি। এমন অনেক রেকর্ডই আছে যেখানে অনেক কিংবদন্তিরাও টাচ করতে পারেননি। এমন অনেক রেকর্ড করেছেন যা হয়ত আগামী ১০০ বছরেও ভাঙ্গা যাবে না।

পরিসংখ্যানে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন তার পূর্বসূরি পেসারদের। ইনজুরি রোজ জীবনের সাথী না হলে এতদিন হয়ত ছাড়িয়ে যেতেন সবাইকে থাকতেন এমন কোন জায়গায় যেখান থেকে তাকে শুধু দেখতে হতো। ছুঁয়ে দেখতে পরিশ্রম করতো এ সময়কার বোলাররা। ডেল স্টেইন সর্বকালের সেরা পেসারদের কততম স্থানে আছেন, সেটা জানা না গেলেও এই শতাব্দীর সেরা পেসার হিসাবে ডেল স্টেইন যে একক ভাবেও তৃতীয়, সেটা কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে বলে দেওয়া যেতেই পারে।

স্টেইন জাতীয় দলের হয়ে ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডে খেলেছেন ১২৫টি। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ৪৭টি। তিন ফরমেটের মধ্যে টেস্টে উইকেট শিকার করেছেন ৪৩৯টি, ওয়ানডেতে ১৯৬টি এবং টি-টোয়েন্টিতে উইকেট নিয়েছেন ৬৪টি।

বিদায় বেলায় স্টেইন ব্যক্ত করেছেন তার মনের কথা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, অনুশীলন, ম্যাচ, সফর, হার, জিত, স্ট্রাইপড ফিট, জেট ল্যাগ, আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের ২০ বছর কেটে গেল। বলার মতো অনেক স্মৃতি আছে। ধন্যবাদ দেওয়ার মতো অনেক মানুষ আছে। এই হিসাবের দায় আমি বিশেষজ্ঞদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।

আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলাকে আজ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাচ্ছি। তিক্ত মিষ্টি তবে কৃতজ্ঞ। সবাইকে ধন্যবাদ, আমার পরিবার থেকে সতীর্থ, সাংবাদিক থেকে ভক্ত, সবাইকে। এটি দারুণ একটি সফর ছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা