a
ফাইল ছবি
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। গতকাল সোমবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ আগামী ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত করে রুটিন প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার সূচির বিশেষ নির্দশনায় বলা হয়, কোডিড-১৯ অতিমারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এরমাঝে এমসিকিউ সিকিউ ও সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনও ধরণের বিরতি থাকবে না।
ছবি সংগৃহীত: এইচএসসি'র ফলাফল বাতিলের দাবিতে ছাত্রদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও
সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল বাতিলের দাবিতে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও করেছে একদল শিক্ষার্থী। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বকশিবাজারে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটক আটকে তারা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটকে অবস্থান অবস্থান গ্রহণ করেন। এরপর পৌনে ২টার দিকে তারা শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বাতিল ছয়টি পরীক্ষা যে পদ্ধতিতে ম্যাপিং করে ফলাফল তৈরি করা হয়েছে, তাতে চরম বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। সিলেট মাদরাসা বোর্ডের মাত্র তিনটি পরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু তাদের সাবজেক্ট ম্যাপিং করায় রেজাল্ট ভালো হয়েছে। অথচ আমরা ভালো পরীক্ষা দিয়েও ফেল করেছি। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের আজকের এই অবস্থান।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের বলেন, একদল শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফল বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে জেনেছি। তাদের সাথে কথা বলেছি, আশা করি একটা সমাধান হবে।
এ ব্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল বলেন, তাদের সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে আমাদের কোনো নির্দেশনা নেই। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলছি। বিষয়টি তিনি সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন। সূত্র: নয়াদিগন্ত
সংগৃহীত ছবি
করোনাকালীন বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। গতকাল শুক্রবার ১২টি দেশ ও অঞ্চলকে ‘সবুজ তালিকাভুক্ত' করে ভ্রমনের জন্য তালিকা প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সরকার। এখন এসব দেশ ও অঞ্চলে কোনরকম সমস্যা ছাড়াই ভ্রমণে বের হতে পারবেন যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত সকল মানুষ।
বিশ্ব মহামারী করোনার সংক্রমণের হার ও ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ‘ট্রাফিক লাইট’ ব্যবস্থায় লাল,হলুদ,সবুজ এই তিনটি ভাগে ভাগ করে তালিকা প্রকাশ করলো যুক্তরাজ্য। এইসব দেশে আগামী ১৭ মে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে সেদিন থেকে শুধু সবুজ তালিকায় থাকা দেশগুলো ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ পাবেন ব্রিটিশরা।
এই তালিকার মধ্যে যারা সবুজ তালিকাভুক্ত সে দেশে বিনাবাধায় ঘুড়তে যাওয়া যাবে হলুদা রঙ তালিকাভুক্ত দেশে বাড়তি সতর্কতা মানতে হবে এবং লাল তালিকায় থাকা দেশগুলোতে ভ্রমণে যাওয়া সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।
গতকাল ৭ মে (শুক্রবার) ব্রিটিশ জনগনের বহুল প্রত্যাশিত সেই তালিকা প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। সবুজ তালিকায় স্থান পেয়েছে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ব্রুনেই, আইসল্যান্ড, ফারো দ্বীপপুঞ্জ, জিব্রাল্টার, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, সাউথ জর্জিয়া ও সাউথ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ; সেন্ট হেলেনা, অ্যাসেনশন এবং ত্রিস্তান দা কুনহা, আর ইসরায়েল।
এদিন ফ্রান্স, গ্রিস, স্পেন ও ইতালিকে হলুদ তালিকাভুক্ত করে তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। অর্থাৎ, এসব দেশ ভ্রমণ করে দেশে ফিরলে অন্তত তাদেরকে ১০ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
এই তালিকায় নতুন করে লাল থেকে হলুদ তালিকায় স্থানান্তর করা হয়েছে তুরস্ক, মালদ্বীপ ও নেপালকে। তাই মোটামুটি বলা যায় লাল তালিকাভুক্ত দেশ ভ্রমণে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞাই দিল ব্রিটিশ সরকার।
এছাড়া লাল তালিকায় নাম আছে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত।