a ৪ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
ঢাকা শুক্রবার, ৩ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৪ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০২:১৩
৪ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে

ফাইল ছবি : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

বাংলাদেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ১৫০টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সোমবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের ৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫৮ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯৯ জন। শিক্ষক আছেন ১৫ হাজার ২৯৩ জন। এছাড়া ৪৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ১৫০টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি জানান, ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়নকল্পে ‘বাংলাদেশ ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমে দেশের চারটি জেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি জরিপ প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করা হচ্ছে। বিদ্যমান দুটি প্রতিষ্ঠান হলো কুমিল্লার রামমালার বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট এবং রাজশাহীর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট।

তিনি আরও বলেন, পটুয়াখালীর দশমিনার পটুয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট এবং যশোরের মনিরামপুরের যশোর ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটে নতুন করে ভূমি জরিপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নোটিশ না দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২২, ১২:৩১
নোটিশ না দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ

ফাইল ছবি

কোনো নোটিশ ছাড়াই পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ের রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার সকালে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, কেন্দ্রে এসে তারা জানতে পারেন, পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আজই তাদের শেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ২০২২ সালে শেষ হচ্ছে।  গত ২১ নভেম্বর পরীক্ষা শুরু হয়ে আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কোন নোটিশ ছাড়াই তা স্থগিত করা হয়েছে।

অন্য আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কেন্দ্রে আসার পর জানতে পারি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। এধরণের আচরণ শুধুমাত্র সাত কলেজের প্রতিই করা হয়েছে। আমরা এমনিতেই ভয়াবহ সেশনজটে পড়ে আছি। আজ শেষ পরীক্ষা থাকলেও কেন্দ্রে এসে জানতে পারি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ৭ কলেজের ডিগ্রির এসব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ইডেন কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

এ বিষয় ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক ও সেভেন কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুল কুদ্দুস সিকদার জানান, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন মৌখিকভাবে পরীক্ষা বন্ধ করা হয়েছে, কোনো প্রকার নোটিশ দেওয়া হয়নি। এমন আচরণ আমরাও প্রত্যাশা করি না। দূরদূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে এসেছে। তাছাড়া আজ তাদের শেষ পরীক্ষা ছিল।

বিষয়টি নিয়ে সাত কলেজের সমন্বয়কের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয়তাবাদী শক্তি সঠিক পথেই আছে: প্রফেসর ড. আকরাম আলী


কর্ণেল আকরাম: লেখক ও কলামিস্ট: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৩:২৮
জাতীয়তাবাদী শক্তি সঠিক পথেই আছে: প্রফেসর ড. আকরাম আলী

ছবি সংগৃহীত: তারেক জিয়াসহ বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ

 

নিউজ: জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোর গুরুত্ব জাতির এই সংকটময় সময়ে অপরিসীম। ১৯৭৫ সালের পর থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বদানে বিএনপি বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।  

সার্বভৌম বাংলাদেশের গঠনে বিএনপির ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল অক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। বিএনপি কখনো জনগণের বা দেশের বিপক্ষে অবস্থান নেয়নি, যদিও কিছু ভুল-ত্রুটি ছিল। ইতিহাস সর্বদা জিয়াউর রহমান ও বিএনপির ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করবে।  

বিএনপি জনগণের প্রতি অনুগত ও জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে সাফল্যের নজির স্থাপন করেছে। জনগণের বিশ্বাস, বিএনপি বর্তমান জাতীয় সংকট মোকাবিলায় নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।  

সম্প্রতি বিএনপির রিজভী আহমেদের একটি বিবৃতি সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং এটি সময়োপযোগী ও যথাযথ প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য হয়েছে। এ বিবৃতি বিএনপির সত্যিকারের অবস্থানকে পরিষ্কার করেছে, বিশেষ করে ভারতের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর করতে সহায়ক হয়েছে।  

এ বিবৃতি ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারকে খণ্ডন করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে বিএনপি দেশের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়তাবাদী শক্তি। জনগণ আন্তরিকভাবে আশা করে, বিএনপি অতীতের মতোই বিচক্ষণতার সঙ্গে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।  

বর্তমান সময়ে বিএনপির ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। পুরো জাতি তাদের নেতৃত্বে সাদরে অপেক্ষা করছে। এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো দেশের প্রতিভাবান জাতীয়তাবাদী মানুষদের খুঁজে বের করা, যেমন জিয়াউর রহমান করেছিলেন।  

১৯৭৫ সালের নভেম্বর বিপ্লবের সময় জিয়ার নেতৃত্বে যে কাজগুলো সম্ভব হয়েছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা হয়তো সম্ভব নয়। কিন্তু তার কাজের চেতনা বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা দিতে পারে।  

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লব বিভিন্ন কারণে ১৯৭৫ সালের নভেম্বর বিপ্লব থেকে ভিন্ন। সেই সময় ভারত ও আওয়ামী লীগ জিয়ার সরকারকে চ্যালেঞ্জ করার অবস্থানে ছিল না। জিয়া দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং চীনকে কৌশলগত অংশীদার করে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছিলেন।  

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। ভারত ও আওয়ামী লীগ উভয়ই বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করতে সক্ষম। আওয়ামী লীগ তাদের বিপুল অর্থ ব্যবহার করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে ভারত, যাদের ট্রাম্প প্রশাসনের মিত্র হিসেবে শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে, বর্তমান সরকারের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পিছু হটবে না।  

আমাদের সামনে যে পথ খোলা তা হলো বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তির ওপর নির্ভর করা। পাশাপাশি চীনের মতো একটি ভেটো ক্ষমতাধারী দেশের সঙ্গে দ্রুত ও শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং শত্রুর শত্রু পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করার কথা বিবেচনা করা। বাকিটা আল্লাহ তায়ালার ওপর নির্ভরশীল। ইনশাআল্লাহ, তিনি আমাদের সঠিক পথ দেখাবেন।


লেখক: সম্পাদক, সামরিক ইতিহাস জার্নাল এবং আইনের অধ্যাপক।

 

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা