a গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৯ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:৪৮
গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই

ফাইল ছবি : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কালজয়ী গানের স্রষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পুত্রবধূ শাহানা মির্জা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার পরীক্ষা করে বলেন, তার পালস পাওয়া যাচ্ছে না। এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহানা মির্জা আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে এসিডিটির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। আমরা শনিবার তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। রক্ত পরীক্ষা করানো হয়েছিল। রোববার উনার আরও অনেক কিছু পরীক্ষা করার কথা ছিল। কিন্তু সকালে তো তিনি চলে গেলেন।

দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বেতার, টেলিভিশন, সিনেমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার গান রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তার লেখা কালজয়ী গানও অসংখ্য। গীতি কবিতায় অবদান রাখার জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন তিনি। পাঁচবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

তার লেখা কিছু কালজয়ী গান হলো— ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘ও পাখি তোর যন্ত্রণা’ প্রভৃতি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঝন্টু মামলা করেননি, চা খেয়ে চলে গেছেন : আইনজীবী


বিনোদন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১, ০৯:০০
ঝন্টু মামলা করেননি, চা খেয়ে চলে গেছেন : আইনজীবী

ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা জানান, পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ভাই আমার কাছে এসেছিলেন তবে মামলা করেননি।

বড়পর্দায় নায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। শুক্রবার (১২ মার্চ) মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর পরিচালনায় তার অভিনীত সিনেমা‘তুমি আছো তুমি নেই’। সিনেমাটির পোস্টার ও ট্রেলার প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। সিনেমার মান নিয়ে অনেকে প্রশ্নও তুলেছেন। ট্রেলারের একটি দৃশ্যে দীঘির হাতে বোতলের মাইক্রোফোন ব্যবহার নিয়ে ট্রলও হয়েছে।

এদিকে, এসব নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীঘি নিজেই সিনেমাটি নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। যে কারণে পরিচালক ঝন্টু চটেছেন দীঘির উপর। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের দাবি করেন বরেণ্য এই নির্মাতা। তিনি বলেন, ‘দীঘি, তার বাবা এবং মামা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি’। তবে ঝন্টুর আইনজীবীর বলছেন উল্টো কথা। ঝন্টুর আইনজীবীর দাবি, মামলা এখনো হয়নি। ঝন্টু তাঁর কাছে এসে চা খেয়ে চলে গেছেন।
 
ঝন্টু কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন বলে দেশের একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে বিকেলে ও সন্ধ্যায় দুই দফা তাঁর সঙ্গে কথা বললে তিনি মামলার ব্যাপারটি নিশ্চিত করে বলেন,‘ঢাকার জজ কোর্টে মামলা করেছি। আমার আইনজীবী মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা।’

তবে সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী জানান ভিন্ন তথ্য। তাঁর দাবি,‘পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ভাই আমার কাছে এসেছিলেন। শলা-পরামর্শ করে, চা খেয়ে চলে গিয়েছেন। কোনো মামলা করেননি।’তবুও বার বার মামলার কথা শিকার করে বছেন খোদার কসম আমি মামলার নথি পত্রে সাময়িক সাক্ষর করে চলে আসছি বাকিটা আমার আইনজীবী (অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফোরকান মিঞা) জানেন।’

জানা গেছে, আগামী ১২ মার্চ মুক্তির অপেক্ষায় থাকা‘তুমি আছো তুমি নেই’সিনেমার পোস্টার ও ট্রেলারে হতাশ হয়েছেন দর্শকদের একাংশ। অন্তর্জালজুড়ে দীঘি যতটা জনপ্রিয়, ঠিক ততটাই সমালোচনা হচ্ছে প্রথম সিনেমার মান নিয়ে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, সিনেমাটির ট্রেলার দেখে নিজের ভালো না লাগার কথা জানান দীঘি। তাঁতেই ক্ষুব্ধ হন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ০৪:৫৬
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৪তম বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে নতুন রাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশ। একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র জনগণের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ অবস্থায় ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় স্বাধীনতার যুদ্ধ, মহান মুক্তিযুদ্ধ।

পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশের) জনগণের স্বাধিকারের দাবি কখনো মেনে নিতে পারেনি। ব্রিটিশ শাসনের অবসানে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিতর দিয়ে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠা হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। শুরু থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর শোষণ ও দমনপীড়ন চালাতে থাকে। তাদের নীলনকশার প্রথম আঘাত আসে বাঙালির মাতৃভাষা বাংলার ওপর। ১৯৫২ সালে বুকের রক্ত দিয়ে জাতির বীরসন্তানরা মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের এ আত্মদানের ভিতর দিয়ে জাতি উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে স্বাধিকারের চেতনায়। ক্রমে ক্রমে তা রূপ নেয় স্বাধীনতাসংগ্রামে।

মুক্তিকামী বাঙালিকে চিরতরে দমনের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পশ্চিম পাকিস্তানের কিছু রাজনীতিবিদ ও সেনাবাহিনী। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করা সত্ত্বেও বাঙালির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে ছলচাতুরী করে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা। এর প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের মার্চে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে বাংলাদেশের মানুষ। ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে গণহত্যা শুরু করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। লাখো শহীদের আত্মদানের পথ ধরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে আমরা অর্জন করি কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা।

আজ জাতি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি কাঙ্খিত স্বাধীনতা। এবার এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন করা হচ্ছে মহান স্বাধীনতার ৫৪তম বার্ষিকী। গত বছর জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বীরত্বে জাতি স্বৈরাচারের অত্যাচার-নিপীড়নের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। জাতি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্পে উদ্যাপন করছে স্বাধীনতা দিবস।

মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতি মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। প্রত্যুষে সূর্যোদয়ের লগ্নে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি জাতির পক্ষে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শ্রদ্ধা জানাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, বিদেশি কূটনীতি­ রাজনীতিবিদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এর পরই জাতির গৌরব আর অহংকারের এ দিনটিতে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে উঠবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন