a
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী । ফাইল ছবি
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বারাসাত কেন্দ্র থেকে পর পর তিনবার জয়ী হয়ে হ্যাট্রিক করলেন। এই তারকা প্রার্থী ২৩ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন।
তিনি ফল ঘোষণার আগেই জানিয়েছিলেন, 'হান্ড্রেড পার্সেন্ট এবারও আমিই জিতছি। হ্যাট্রিক করছি! গত দশ বছরে মানুষের জন্য যতটুকু কাজ করতে পেরেছি তার ওপর ভিত্তি করেই এই কথা বলতে পারছি। চিরঞ্জিত এখন বারাসাত বিধানসভা আসনের তৃণমূলের বিধায়ক বা এমএলএ।
২০১১ সালে প্রথম এই বারাসাত কেন্দ্র থেকে তিনি তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হন। ২০১৬ সালের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি একই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক হন। এবারও সেই কেন্দ্র থেকেই নিজ পদে পুনরায় আসীন হলেন এক সময়ের সুপারস্টারখ্যাত নায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।
ফাইল ছবি : গাজী মাজহারুল আনোয়ার
কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কালজয়ী গানের স্রষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)।
গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পুত্রবধূ শাহানা মির্জা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার পরীক্ষা করে বলেন, তার পালস পাওয়া যাচ্ছে না। এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহানা মির্জা আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে এসিডিটির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। আমরা শনিবার তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। রক্ত পরীক্ষা করানো হয়েছিল। রোববার উনার আরও অনেক কিছু পরীক্ষা করার কথা ছিল। কিন্তু সকালে তো তিনি চলে গেলেন।
দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বেতার, টেলিভিশন, সিনেমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার গান রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তার লেখা কালজয়ী গানও অসংখ্য। গীতি কবিতায় অবদান রাখার জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন তিনি। পাঁচবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
তার লেখা কিছু কালজয়ী গান হলো— ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘ও পাখি তোর যন্ত্রণা’ প্রভৃতি। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: ইমরান খান
১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির ক্রিকেটের বড় সব অর্জন নিয়ে ভিডিও বানিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে সেই ভিডিওতে ছিলেন না দেশটির ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। মূলত রাজনৈতিক কারণেই ভিডিওটি থেকে বাদ দেওয়া হয় দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে।
এরপর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পিসিবি। ভিডিও সরিয়ে ফেলে পিসিবিকে ক্ষমা চাইতে বলেন দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম। সেই সমালোচনায় অবশেষে ভিডিওটি সরে ফেলে নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। টুইটারে আপলোড করা নতুন ভিডিওতে আছেন ইমরান খান।
আগের ভিডিওতে কেন ইমরান খান ছিলেন না, সেই ব্যাখ্যাও দিয়ে টুইটারে পিসিবি লিখেছে, ‘২০২৩ বিশ্বকাপ সামনে রেখে পিসিবি প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। তারই অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট একটি ভিডিও আপলোড করা হয়। সেই ভিডিওটি ছিল সংক্ষিপ্ত, অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বাদ পড়ে গিয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ ভিডিওতে সেই ভুলগুলো সংশোধন করা হয়েছে।’