a মূঘলরা খারাপ হলে তাদের স্থাপত্যসমূহ রাখা দরকার নাই: নাসিরুদ্দিন শাহ
ঢাকা সোমবার, ২১ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মূঘলরা খারাপ হলে তাদের স্থাপত্যসমূহ রাখা দরকার নাই: নাসিরুদ্দিন শাহ


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১১:১১
মূঘলরা খারাপ হলে তাদের স্থাপত্যসমূহ রাখা দরকার নাই: নাসিরুদ্দিন শাহ

ফাইল ছবি: নাসিরুদ্দিন শাহ

আগামী ৩ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে নাসিরুদ্দিন অভিনীত সিরিজ তাজ–ডিভাইডেড বাই ব্লাড'। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি ফাইভে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এ সিরিজে মোগল সম্রাট আকবরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ।

সিরিজ মুক্তির আগে মোগল শাসন সম্পর্কে তিনি কঠিন মন্তব্য করে রীতিমতো বোমা ফাটালেন বলিউডের এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। কথা প্রসঙ্গে নাসিরউদ্দিন শাহ বলেন, মোগলরা যদি এতই বাজে কাজ করে থাকে, তাহলে তাদের তৈরি স্থাপত্যসমূহ লালকেল্লা, তাজমহল ইত্যাদি ভেঙে ফেলুন।

অভিনেতার মতে, মোগলদের মহিমান্বিত করার দরকার নেই। কিন্তু তাদের অপমান করাও উচিত নয়।

সাক্ষাৎকারে নাসিরুদ্দিন শাহ বলেন, সম্প্রতি ভারতের ইতিহাসকে ভুলভাবে ব্যাখা করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই এই প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। ইতিহাসে মোগলদের খলনায়ক হিসেবে দেখানো হচ্ছে। আমার অবাক লাগে যে, মানুষ আকবর এবং হত্যাকারী নাদির শাহ অথবা তৈমুরের ফারাক বোঝে না। ওরা ভারতকে লুট করতে এসেছিল কিন্তু মোগলরা তো এসব করেনি।

দেশে ইতিহাস চেতনার অভাব বাড়ছে জানিয়ে বলিউড এ অভিনেতা বলেন, মোগলরা ভারতে এসে সেখানে নিজেদের বসতি গড়ে তুলেছে। আর তাদের যা অবদান সেটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন? অতীতকে বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে দেশের একটা অংশ, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

প্রায় দেড় বছর আগেও নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন, মোগলদের নৃশংসতা নিয়ে প্রায়শয়ই চর্চা করা হয়। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এই দেশের উন্নয়নে মুঘলদের অসামান্য অবদান। মোগলরাই ভারতের চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রসিদ্ধ স্থাপত্যগুলো গড়ে তুলেছে। নাচ, গান, স্থাপত্যসহ প্রায় সবক্ষেত্রে মোগলদের অবদান। এটাকে তারা নিজেদের মাতৃভূমি হিসেবে গড়ে তুলেছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভারতের শান্তি নিকেতনে সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভা অনুষ্ঠিত


কলকাতা থেকে সুদর্শন হালদার
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪
ভারতের শান্তি নিকেতনে সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সুদর্শন হালদার কর্তৃক কলকাতা থেকে পাঠানো ছবি

কলকাতা থেকে সুদর্সাশন হালদার: সার্ক কালচারাল সোসাইটির পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা ইউনিটের পরিচালনায় ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত ভবনের সহযোগিতায়  ১৪ ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সেমিনার ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভাপতি  ডক্টর অমলকান্তি রায়, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর দীপক রায়, বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রফেসর প্রবির কুমার ঘোষ, ভারত সরকারের কৃষি বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি ও সংগীত শিল্পী শ্রী রাজেশ সাহা, সার্ক কালচারাল সোসাইটির কার্যকরি সদস্য যথাক্রমে শ্রী সুদর্শন হালদার, কবি পাঞ্চালী সিনহা , অধ্যাপক গৌতম সরকার এবং  বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

২০ জন অধ্যাপক ও গবেষক সেমিনারে পেপার পাঠ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সার্ক কালচারাল সোসাইটির বীরভূম জেলা কমিটির পক্ষে অহ্বায়ক অধ্যাপক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুচারূভাবে পরিচালনা করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চীন সেভেন সিস্টার্সের ৬০ কিলোমিটার মধ্যে প্রবেশ করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০০
চীন সেভেন সিস্টার্সের ৬০ কিলোমিটার মধ্যে প্রবেশ করেছে

ফাইল ছবি

 

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সাত রাজ্য বা সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৬০ কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করেছে চীনের সামরিক বাহিনী। শুধু তাই নয়, ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে অরুণাচল প্রদেশের আনজাও জেলার কাপাপু এলাকায় ক্যাম্পও করে ঘাটি করে বসে আছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএএল)।

দেশটির সংবাদমাধ্যমকে একাধিক সূত্র বলেছে, কাপাপু এলাকায় কাঠে আগুন ধরানো, পাথরের গায়ে রঙ ব্যবহার করে লেখা চীনের নাম এবং চীনা খাদ্য সামগ্রীর ছবি দেখে বোঝা যায়, সেখানে প্রায় ১ সপ্তাহ আগেই চীনা সৈন্যদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।

ছবিতে দেখা যায়, পাথরের গায়ে ইংরেজিতে ২০২৪ সাল লেখা রয়েছে। ভারতীয় ভূখণ্ডে নিজেদের মালিকানা দাবি করার জন্য অনুপ্রবেশের সময় চীনা সেনাবাহিনী এসব কৌশল ব্যবহার করছে বলে জানা যায়।

নিউজফাই বলছে, দুই দেশকে বিভক্তকারী ম্যাকমোহন লাইনের হাদিগ্রা পাসের কাছের কাপাপুতে ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) একটি ক্যাম্পের অবস্থান রয়েছে। আর আনজাও জেলার নিকটতম প্রশাসনিক এলাকা চাগলাগাম ম্যাকমোহন লাইন থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এছাড়া চাগলাগাম থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে পার্বত্য এলাকায় গ্লাইতাকরু পাসের অবস্থান।

এর আগে, ২০২২ সালের আগস্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, পিএলএ সৈন্যরা হাদিগ্রা হ্রদের কাছে নিজেদের অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম তদারকি করছে। সেখানে তিনটি খননকারী মেশিন দিয়ে খনন কাজ পরিচালনা করতে দেখা যায় চীনের সামরিক বাহিনীকে।

একই বছরের ১১ আগস্ট চাগলাগাম থেকে ৩০ কিলোমিটারেরও কম দূরের ওই এলাকার নির্মাণ কাজ পর্যবেক্ষণ করে চীনের সামরিক বাহিনীর এলআরপি টহল দল। ওই সময় হাদিগ্রা হ্রদের নির্মাণাধীন স্থাপনা থেকে কিছুটা উত্তরে চীনের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ক্যাম্পের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয় ভারতীয় সেনাবাহিনী।

এর আগে ২০২১ সালে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি স্যাটেলাইটে ধারণ করা চিত্র বিশ্লেষণ করে জানায়, অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে কমপক্ষে ৬০টি ভবনের দ্বিতীয় ক্লাস্টারের নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে চীনা সামরিক বাহিনী।

২০২০ সালে চীনা সৈন্যরা অরুণাচলের দিবাং উপত্যকা জেলায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। ওই সময় দুই দেশের সৈন্যদের মাঝে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে অরুণাচলের ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৪০ কিলোমিটার ভেতরে ডোইমরু নালার ওপর একটি কাঠের সেতু তৈরি করে চীনা সামরিক বাহিনী।

ভারতের বহুল আলোচিত অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া বিশাল অংশের মালিকানা দাবি করে প্রতিবেশি চীন। চীনের সাথে ভারতের মোট ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে কেবল বিরোধপূর্ণ অরুণাচলের সাথে চীনের সীমান্ত রয়েছে এক হাজার ১২৬ কিলোমিটার।  সূত্র: অরুণাচল টোয়েন্টি ফোর ও নিউজফাই

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - বিনোদন