a সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান নির্বাচিত
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান নির্বাচিত


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৪১
সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান নির্বাচিত

ফাইল ছবি

অনেক উৎবেগ, উৎকণ্ঠা, আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) অনুষ্ঠেয় এবারের নির্বাচনে ২০২২-২৪ মেয়াদের জন্য চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান।

সভাপতি হিসেবে ইলিয়াস কাঞ্চন ভোট পেয়েছেন ১৯১। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর পেয়েছেন ১৪৮ ভোট। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট। একই পদের দাঁড়িয়ে নিপুণ পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডিপজল ও রুবেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সাইমন সাদিক, যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন অভিনেত্রী শাহানূর। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন মামনুন ইমন। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জয় চৌধুরী।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গণনা শেষে নির্বাচনে ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন। কার্যকরী সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন মৌসুমী, অঞ্জনা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, সুচরিতা, কেয়া, ফেরদৌস, অমিত হাসান, জেসমিন, চুন্নু।

এর আগে শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় বিএফডিসিতে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল সোয়া ৫ টায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিনোদন কেন্দ্র ও বইমেলা বন্ধের সুপারিশ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫০
বিনোদন কেন্দ্র ও বইমেলা বন্ধের সুপারিশ

সংগৃহীত ছবি

করোনা পরিস্থিতি মোকেবেলায় বইমেলা ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধের সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ সুপারিশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ কমানোর লক্ষ্যে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। পরামর্শক কমিটি এই নির্দেশনা জারিকে স্বাগত এবং ধন্যবাদ জানায়। তবে এগুলো কার্যকর করার জন্য বাস্তবায়ন কর্মসূচি বা প্রস্তুতি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

রোগ প্রতিরোধের জন্য অবিলম্বে সামাজিক অনুষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র, বইমেলা ও অন্যান্য মেলা বন্ধ করা দরকার। পরিবহনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা এ সম্পর্কে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সব নির্দেশনা যাতে পালন করা হয় তার ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে দিক নির্দেশনা নেওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দূষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ০১:২৫
দূষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে এই বছরের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ‘ENDING PLASTIC POLLUTION’ ‘প্লাস্টিক দূষণ আর নয়' - সামনে রেখে পোশাক শ্রমিক উন্নয়ন জনকল্যাণ সংস্থা মানববন্ধন ও সমাবেশ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে দিবসটিকে উদযাপন করছে।

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে সকাল-১০ঃ৩০ ঘটিকায় এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের উদ্দেশ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিশ্বব্যাপি শ্রমজীবি মানুষকে সচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়াসে পরিবেশ নিয়ে ভাবনার জায়গায় একত্রিত হয়েছে । বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পৃথিবী চরম ঝুঁকিতে রয়েছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। পরিবেশগত এই সংকট আমাদের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সবাইকে নিজেদের অবস্থান থেকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। একমাত্র সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে আমাদের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে।

এছাড়া বন-ভূমির গাছপালা কেটে ফেলা, শিল্প কলকারখানার ধোঁয়া ও দূষিত বর্জ্যপদার্থ প্রকৃতির সাথে মিশে পরিবেশকে মারাত্মক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে । অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের মতো পোশাকশিল্পেও পরিবেশ দূষণের প্রভাব বহুদিন ধরে পরিলক্ষিত হচ্ছে । এ ধরনের পরিবশ দূষণের ফলে কারখানার আশেপাশে যেসব শ্রমিকরা থাকে তাদের খাবার, তাপমাত্রা ও তাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ হয় নোংরা এবং নোংরা পরিবেশের কারনে তারা প্রায়শই বিভিন্ন রোগের শিকার হয় । কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক বর্জ্য ও অপরিচ্ছন্ন কর্মপরিবেশের দরুন তাদের বিভিন্ন পেশাগত ব্যাধি হয়। কারখানার ভেতরে সঠিক বায়ুচলাচলের (ভেন্টিলেশন) কোনো ব্যবস্থা নেই, যা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অবিলম্বে কার্যকর ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে কর্মস্থলে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় থাকে। তাদের জন্য বাসযোগ্য আবাসস্থল নিশ্চিত করতে হবে। যথাস্থানে কারখানা নির্মাণ করতে হবে।

প্রকৃতি বিনাশ করে এভাবে শিল্প কারখানা ও স্থাপত্য নির্মাণ এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়বে । সমগ্রবিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও এখন টেকসই উন্নতির জন্য (Sustainable Development) পরিবেশ রক্ষার কথা ভাবতে হচ্ছে। এছাড়াও গ্রীন ডেভেলপমেন্ট নিয়ে পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলোও বেশ সোচ্চার এবং অগ্রনী ভুমিকা পালন করছে। বিশ্বেও অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য আজকের মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে শ্রমিকরা পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ সরকারের নিকট বলিষ্ট কন্ঠে উত্থাপন করেন ।

পদক্ষেপ সমূহঃ
পরিবেশ রক্ষায় সকলের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন ।
শিল্প কারখনার বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনায় কার্যকরী সরকারি পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন ।
শিল্প কারখানায় রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের দিক নিদের্শনা সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে, উদাহরণ স্বরুপ ইটিপির মাধ্যমে ময়লা জল নিষ্কাশন করে তা পূনঃ ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা ।
কার্বন নিঃস্বরণ কমিয়ে পরিবেশ বান্ধব কারখানা তৈরী করতে হবে ।
জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধ করে নবায়ন যোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করি ।
কারখানায় ন্যায় সঙ্গত রুপান্তরে বায়ার ও ব্র্যান্ডকে পরিবেশ বান্ধব শিল্পকারখানা তৈরীতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে ।
পাহাড় ও গাছপালা কেটে, নদী-নালা ভরাট করে শিল্পকারখানা ও স্থাপনা নির্মান রোধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে । সামাজিক সংলাপের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব সবুজ কারখানা গড়ে তোলার অঙ্গীকার বদ্ধ হতে হবে ।
পরিবেশ আইন অমান্যকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে ।
বায়ার ও ব্র্যান্ডকে পরিবেশবান্ধব শিল্পকারখানা তৈরীতে দায়িত্ব গ্রহনের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে ।
প্লাষ্টিক দ্রব্য ব্যবহার রোধে মালিক, শ্রমিক, বায়ার, ব্র্যান্ড, দেশী-বিদেশী উন্নয়ন সংস্থা ও সরকার সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করে পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে ।
পরিবেশ বান্ধব ব্যবসানীতি প্রনয়ণ করতে হবে ।
পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সর্বপরি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার্থে সরকারকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বে ফাষ্ট-ফ্যাশন এর জন্য শ্রমিকদের ঝুকিপুর্ন কাজ বন্ধ করার মাধ্যমে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ তৈরী করতে হবে ।
জাতীয় বাজেটে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধসহ শ্রমিকের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিরসনকল্পে যেসকল পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তার জন্য
বরাদ্দ রাখা।
পরিবেশ দূষণের ফলে শ্রমিকেরা যেসব ক্ষতিকর স্বাস্থ্য হানির স্বীকার হচ্ছে তা রোধকল্পে সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে ।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পোশাক শ্রমিক উন্নয়ন জনকল্যাণ সংস্থার সভাপতি, সহ- সভাপতি, দপ্তর সম্পাদক, নারী কল্যাণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক সহ বিভিন্ন এলাকার ৪০টি ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ আরো শ্রমিকগণ ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন