a
মুক্তা দাশ
ভালোবাসা !!!
এ বড়ো তপস্যার বিষয় ।
বুঝিবা করেছিনু কিছু পাপ আগের জনমে...
যে তুমি তুমি হয়েও তুমি হয়ে উঠিলে না আর !!
স্বার্থের এ পৃথিবী কেবলি ভোগের, তুচ্ছতাচ্ছিল্যের !
অগ্নি সাক্ষী রেখে যে পরালো গলে মালা
সে-ও কি আপন রয় !??
যে তোমারে করছিনু পণ পাওয়ার আশায় !
তোয়াক্কা করিনি জাত-পাত, সমাজ - সংসার ।
সে তুমিও ফিরে গেলে, ফিরায়ে দিলে ;
তুচ্ছজ্ঞানে করিলে ভালোবাসার অপমান ।
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
পূর্ণিমার চাঁদ যেনো ঝলসানো রুটি !
ভালোবাসা !
এ বড়ো তপস্যার ধন, অমৃত যেমন।
যতো পাই ততো চাই !
শত পরশেও মিটে না এ মন !!
পাপ -পূণ্যের উর্ধ্বে
লাভ -ক্ষতির হিসেবের বাহিরে,
মোহে কিংবা নির্মোহে...
কেবলি আশা- দুরাশায় কালক্ষেপণ ! তবু্ও
শুধু ই ভালোবাসিবারে চাই আজীবন ।।
ছবি সংগৃহীত
পরকীয়া একটি মানসিক ব্যাধি। পরকীয়া পারিবারিক অশান্তি এবং বিবাহ বিচ্ছেদের একটি অন্যতম কারণ। অধিকাংশ পরকীয়ার সম্পর্ক গুলোতেই ভালোবাসা থাকে না, পরকীয়ার সম্পর্কে যে অনুভূতিগুলো তৈরি হয় সেটিকে প্রেম বলা যেতে পারে যেখানে রোমান্স থাকে, শারীরিক সম্পর্কের একটা বিষয় থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরকীয়া সম্পর্কগুলো ক্ষণস্থায়ী হয়, সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন বছর এই সম্পর্কিত মানুষ দুটির একে অপরের প্রতি আকর্ষণ থাকে। এরপর সম্পর্কের পরিণতি হতে থাকে। ক্ষণস্থায়ী এই সম্পর্কের প্রভাব অনেক ক্ষতিকর যা দুটি সুন্দর সাজানো সংসারকে ধ্বংস করে দেয়। পরকীয়া থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিটি তার জীবন সঙ্গীর কাছে আগের মত আর বিশ্বস্ত হতে পারে না। ভাঙা বা ছেরা জিনিসকে সুপার গ্লু দিয়ে জোরা লাগালে জোরা লাগবে কিন্তু একটা দাগ থেকে যায়।
পরকীয়া সম্পর্ক দিন দিন বেড়েই চলছে। যার ফলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি এবং বিবাহ বিচ্ছেদ। এই সম্পর্ক গুলো গড়ে ওঠার পেছনে কে দায়ী? কেন মানুষ পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত হয়? অনেক মানুষ তার স্বভাবগত কারণে পরকীয়া সম্পর্ক করে থাকে। কখনো কখনো তারা একটি নয়, একই সঙ্গে একাধিক পরকীয়া সম্পর্ক করে। একটি সম্পর্ক ভেঙে গেলে আবার অন্য কারো সঙ্গে নতুন করে পরকীয়া করে। এই বিকৃত স্বভাবের মানুষগুলোর এই ধরনের আচরণ গড়ে ওঠার পেছনে তার ত্রুটিপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ, পরিবার থেকে ন্যায় নীতি এবং ধর্মীয় শিক্ষার অভাব এবং বিকৃত সামাজিক অবস্থা অনেক ভূমিকা পালন করে। পরকীয়ায় লিপ্ত আছে এমন কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকলেও পরকীয়া করার প্রতি প্রভাবিত হতে পারে।
পরকীয়ার অন্যান্য কারণ গুলোর মধ্যে একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে পাওয়া অবহেলা। বিশেষ করে পুরুষরা যখন তার স্ত্রীর কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অবহেলিত হয় এবং স্ত্রীরা সে বিষয়ে উদাসীন থাকে তখনই একজন পুরুষ বহির্মুখী হয়। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক বা যৌন সম্পর্কের অপরিপূর্ণতা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।অপর পক্ষে একজন স্ত্রীও যখন স্বামীর কাছ থেকে অবহেলিত হন তখন সে পরকীয়া করতে পারে।
পরকীয়া কখনোই স্থায়ী হয় না সুতরাং যে সম্পর্ক স্থায়ী হয় না বরং এর প্রভাব দুটো পরিবারের উপরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। স্বামী এবং স্ত্রী উভয়কেই সুন্দর সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য মনোযোগী হতে হবে। উভয়েই উভয়ের চাহিদাগুলো পূরণ করার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। স্বামী-স্ত্রীর সুন্দর সম্পর্ক পরকীয়ার চেয়ে হাজার হাজার গুণ বেশি শ্রেয়। তাই এই সম্পর্ক কে টিকিয়ে রাখার জন্য সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। আর যারা জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে সবকিছু পাওয়া সত্বেও পরকীয়ার উপর নির্ভরশীল তাদের উচিত একজন ভালো মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেয়া।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং সুন্দর সম্পর্কে সম্পর্কিত থাকুন।
নাসরীন আহমেদ
প্রাক্তন শিক্ষক মনোবিজ্ঞান বিভাগ
সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়
বেইলী রোড, ঢাকা
বাংলাদেশ
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ২৭৭ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১,৫৬২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১,৬০৩ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪ হাজার ৭০৯ জন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৩৭৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৩৩ হাজার ৩২৭টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।