a অধরা
ঢাকা রবিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

অধরা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে, ২০২১, ০২:০১
অধরা

মুক্তা দাশ


ভালোবাসা !!! 
এ বড়ো তপস্যার বিষয় । 
বুঝিবা করেছিনু কিছু পাপ আগের জনমে... 
যে তুমি  তুমি হয়েও তুমি হয়ে উঠিলে না আর !! 
স্বার্থের এ পৃথিবী কেবলি ভোগের, তুচ্ছতাচ্ছিল্যের ! 
অগ্নি সাক্ষী রেখে যে পরালো গলে মালা
সে-ও  কি আপন রয় !?? 
যে তোমারে করছিনু পণ  পাওয়ার আশায় ! 
তোয়াক্কা করিনি   জাত-পাত, সমাজ - সংসার । 
সে তুমিও ফিরে গেলে, ফিরায়ে দিলে ;
তুচ্ছজ্ঞানে করিলে ভালোবাসার অপমান । 
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় 
পূর্ণিমার চাঁদ যেনো ঝলসানো রুটি ! 
ভালোবাসা ! 
এ বড়ো তপস্যার ধন, অমৃত যেমন। 
যতো পাই ততো চাই ! 
শত পরশেও মিটে না এ মন !! 
পাপ -পূণ্যের উর্ধ্বে 
লাভ -ক্ষতির হিসেবের বাহিরে, 
মোহে কিংবা নির্মোহে... 
কেবলি আশা- দুরাশায় কালক্ষেপণ !  তবু্ও 
শুধু ই ভালোবাসিবারে চাই আজীবন ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নাছোড়বান্দা দীর্ঘশ্বাস


ফেসবুক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ০৬:২২
নাছোড়বান্দা দীর্ঘশ্বাস

ফাইল ছবি। মুক্তা দাশ

নাছোড়বান্দা দীর্ঘশ্বাস 

একটা দীর্ঘশ্বাস !! 
তোমাকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছেটা বোধহয়, 
আজীবনের জন্য স্হায়ী নিবাস গাড়লো মনের মধ্যে । 
সময় সুযোগ পেলেই একটু ঢু মেরে দেখে আসি, 
ঘুরে বেড়াই তোমার তালা ঝুলানো বহির্বাটি।  
একবার দুবার নয়,,, দিনেরাতে মিলিয়ে অনেকবার !! 
অথচ দেখ ,,  তুমি আমার চোখের পাতায় পাতায় অনায়াসে চুমু দিয়েই যাচ্ছো!
শুধু কি তাই ??  মরি মরি ! 
লজ্জায় লাল হয়ে যাই । 
সারাক্ষণ কথায় কথায় সময় পার করছি অনায়াসে, 
হাসির চেয়ে ,  কান্নাকাটির দখলদারিত্ব ই বেশি ! 
তবুও তো জড়িয়ে থাকো    নিঃসংকোচে, অবলীলায়। 
তোমার না থাকা জুড়েই তুমি আমার হয়ে থাকো !! 
রোজকার অভ্যাস ... 
তোমার আমার এহেন  দাম্পত্য জীবনযাপনের !! 
জানি তুমি হেসেই যাচ্ছো মনে মনে
 ভাবছো--"আচ্ছা পাগলের পাল্লায় পড়লাম তো'।
সত্যি,, পাগল হয়েই গেলাম বুঝি !? 
এখন আর নিজেকে চিনতে পারি না!  কেমন যেনো এলোমেলো লাগে সব...! 
আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান --- রবি বাবু'কে পেন্নাম না করে উপায় নেই । 
দীর্ঘশ্বাস বড় নাছোড়বান্দা , শ্বাসে শ্বাসে শ্বাসকষ্টের ব্যামো বাড়ায় !   মন্দ লাগে না। 
সয়ে গেছে সব ;  তবুও
গায়ের উষ্ণতা গায়ে মেখে বিশাল একটা 
ধুন্ধুমার জ্বর বাঁধাতে চাই !  তুমি আলগোছে 
তামাক পোড়া ভেঁজা ঠোঁটে একটু জলপট্টি দিও। 
আবার দীর্ঘশ্বাস ....!! 
শুধু ই তোমার জন্যে ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জলদস্যুদের কবলে থাকা জিম্মি জাহাজে খাবারের মজুদ শেষের দিকে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩২
জলদস্যুদের কবলে থাকা জিম্মি জাহাজে খাবারের মজুদ শেষের দিকে

ছবি সংগৃহীত

সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে থাকা বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’য় থাকা পানি ও রসদ প্রায় শেষ হয়ে আসছে। জাহাজে থাকা চাল, ডাল, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য খাবারে দস্যুরাও ভাগ বসানোয় দ্রুতই মুজদ শেষ হয়ে আসছে। তাই বিকল্প ব্যবস্থায় জাহাজে খাবার পাঠানোর চেষ্টা করছে জাহাজ মালিকপক্ষ। জাহাজ নিজেদের কব্জায় নেয়ার পর চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখনো দস্যুদের সাথে যোগাযোগ হয়নি মালিক কর্তৃপক্ষের।

কবির গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখন দস্যুদের ফোনের অপেক্ষায় রয়েছি। তাদের সাথে যোগাযোগ হলেই প্রথম আমরা খাবার নিয়ে আলোচনা করবো। এছাড়া তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে জাহাজে খাবার ও পানি সরবারহের ব্যবস্থা নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি। দস্যুরা যত দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে, তত দ্রুত আলোচনা শুরু করতে পারবো।’

জানা যায়, জলদস্যুদের কবলে পড়ার সময়  ‘এমভি আবদুল্লাহ’য় খাবার ও পানি মুজদ ছিল ২৫ দিনের। মজুদ থাকা খাবারের মধ্যে ছিল হিয়ামিত মাছ, মাংস, সবজি, ফল, ডাল, চাল বিস্কুটসহ নানা ধরণের শুকনো খাবার। যা দিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ দিন চলার কথা ছিল। কিন্তু জাহাজ জিম্মি হওয়ার পর নাবিকদের পাশাপাশি দস্যুরাও জাহাজে অবস্থান করছে। ফলে জাহাজে খাবার ও পানির চাহিদা বেড়েছে। এতে করে দ্রুত শেষ হয়ে আসছে জাহাজে থাকা খাবারের মজুদ। এরআগে জিম্মি হওয়ার পর জাহাজের চিফ অফিসার আতিকুল্লাহ খান এক হোয়াটঅ্যাপের অডিও বার্তায় বলেন, আমাদের জাহাজে ২০ থেকে ২৫ দিনের খাবার ও পানি আছে। সবাইকে বলেছি, এগুলো একটু সাবধানে ব্যবহার করতে। মজুদ শেষ হয়ে গেলে বিপদে পড়ব আমরা।’

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বিগত সময়ে দেখা গেছে জাহাজের খাবার শেষ হয়ে যাওয়ার পর, দস্যুরাই নাবিকদের জন্য খাবার ব্যবস্থা করেছে। এমভি আবদুল্লাহ’র ক্ষেত্রে এটা হবে আশা করছি। তবে তারা খাবার সরবারহ করলেও পরিমাণ হবে তা কম।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে