a
ফাইল ছবি । আশরাফুল মান্নান
জীবন নদীর পাড় ভাঙে
আশরাফুল মান্নান
----------------------
উথাল-পাথাল ঢেউয়ের তোড়ে
জীবন নদীর পাড় ভাঙে
ঢেউয়ের সাথে আছাড় খেয়ে
বাম পাঁজরের হাড় ভাঙে।
সোঁতের ভেতর ডিগবাজী খাই
কূল-কিনারার নাই দেখা
অথৈ জলে যাচ্ছি ভেসে
কোথায় যে তার পাই দেখা?
বাঁচার মতো বাঁচতে আবার
নিরাশ বুকে সাধ জাগে
উগ্র নদীর বক্ষে যদি
একটু উঁচু বাধ জাগে--
সেথায় গিয়ে ফুরফুরে বায়
একটু খানি শ্বাস ফেলে
নতুন করে রচবো স্বপন
জীবনদাতার পাস পেলে।
তারিখ: ২০ মে ২০২১, মেলান্দহ, জামালপুর
ফাইল ছবি
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের দ্বিতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তার ভাগ্নে মাওলানা এহসানুল হক। তিনি বলেছেন, আমার শ্রদ্ধেয় মামা আল্লামা মামুনুল হককে তার দ্বিতীয় স্ত্রী (আমার মামী)সহ নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রিসোর্টে আক্রমণ করেছে।
তিনি জানান, এ বিয়ে কোনো লুকোচুরির বিষয় নয়। এটি পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মামুনুল হকের বিয়ে নিয়ে রাজধানীর জামিয়া রহমানিয়ার শিক্ষক মাওলানা এহসানুল হক বলেন, ‘শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের পরিবারের সদস্যরা আজ নির্বাক, স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ। আমরা মজলুম ইয়া আল্লাহ। একজন আলেম তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গেলেও দুশমনদের হাতে এভাবে হেনস্তা হতে হবে?
ইয়া আল্লাহ, তুমি আমাদের পরিবারের ওপর রহম করো। আমার সম্মানিত মামাকে হেফাজত করো। একজন আলিমের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে আমাদের কলিজা ছিঁড়ে দিলো ওরা। যারা এমন হয়রানি করলো তাদের বিচার চাই। তুমি সব দেখছো আল্লাহ।’
ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি ও দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকার কারণে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজিসহ পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলোতে আটকে পড়ে শত শত বাংলাদেশি। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর সহযোগিতায় তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।
সে প্রেক্ষিতেই আজ ১৬০ বাংলাদেশি দেশি ফিরলো। বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে আজ বুধবার (৫ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তাঁরা। গতকাল মঙ্গলবার (৪ মে) ১৬০ বাংলাদেশিকে নিয়ে লিবিয়ার বেনগাজি বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে আইওএম এর চার্টার্ড করা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইট।
ফ্লাইটটি আজ বুধবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আজকে ফেরত আসা যাত্রীদের ফ্লাইটে লিবিয়ায় মৃত্যুবরণকারী একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃতদেহও দেশে আনা হয়েছে।
দেশে আসার সাথে সাথেই সরকার নির্ধারিত নিয়মঅনুযায়ী বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁরা সবাই নিজ ইচ্ছায় দেশে ফেরত এসেছেন।
তারা অনেকেই সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল, পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিল কিন্তু করোনার কারনে তা সম্ভন হয়ে উঠছিল না। তাছাড়া লিবিয়ার বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা চিন্তা করে তাঁরা দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশ সরকার অবহিত হলে সরকারের পক্ষ থেকে আইওএম এর সহায়তায় লিবিয়ায় আটকে পড়া সকল বাংলাদেশিদের একে একে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
করোনা পরিস্থিতিতে লিবিয়ায় আটকে পড়াদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এটি নবম ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত মোট ১৩৭৯ জন অভিবাসীকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।