a ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
ঢাকা বুধবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২, ১২:০১
ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

ফাইল ছবি

শীত মৌসুমে খুশখুশে কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা প্রায় লেগেই থাকে। এ জন্য রং চা খাওয়া যেতে পারে। আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, তুলসী, সামান্য লবণ ও মধু দিয়ে তৈরি লাল চা পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। একটু সচেতন হলেই এসব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশিতে ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করে ‘ঠাণ্ডা’কে দূরে রাখা যায়।

মধু: ত্বকের পাশাপাশি শরীরের জন্যও মধু বেশ উপকারী। গলার খুসখুসে ভাব কমিয়ে দ্রুত আরাম দেয়। মধু গরম বলে ঠাণ্ডা প্রতিরোধ করে। হালকা গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া আঙ্গুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে এমন কি চা-এ চিনির পরিবর্তে মধু দিয়ে খেতে পারেন। বয়স্করা মধুর সঙ্গে এক চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলেও বেশ উপকার পাবেন।

আদা: প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি ও মাথাব্যথার জন্য আদার ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা চা গলার কফ পরিষ্কার করে ও খুসখুসে ভাব কমায়। এ ছাড়াও আদা রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে কুসুম গরম করে দিনে তিনবার খান। দ্রুত কাশি নিরাময় হবে।

রসুন: রসুনে রয়েছে আলিসিন ও অন্যান্য অর্গানোসালফার উপাদান যা সংক্রমণকারী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিনাশ করে। গলা বসে গেলে রসুন থেঁতো করে তাতে গরম পানি দিয়ে শরবত করে নিন। পাঁচ মিনিট পর মিশ্রণটি পান করুন, অতি দ্রুত ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

লেবু: লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা ঠাণ্ডার ভালো ওষুধ। লেবু চা খেতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খেয়েই দেখুন ভালো ফল পাবেন। গলাব্যথা বা গলা বসে গেলে গরম পানিতে লেবুর রস ও সামান্য লবণ দিয়ে গড়গড়া করুন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার করুন।

গোলমরিচ: গরম পানিতে এক চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ার সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। গোলমরিচের দানা নিচে জমা হলে ধীরে ধীরে পান করুন। অতি দ্রুত ঠাণ্ডা থেকে মুক্তি পাবেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

পিয়াজের রস : পিয়াজের রস কাশি নিরাময় করে, এটি অনেকেরই অজানা। পিয়াজ রস করে তাতে মধু দিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়াও খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন কাঁচা পিয়াজ।

লবঙ্গ : কয়েক টুকরা লবঙ্গ সেদ্ধ পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুসুম গরম থাকতে খেয়ে নিন। এটি ভীষণ উপকারী। এ ছাড়াও লবঙ্গ ও আদা পানিতে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলেও উপকার পাবেন।

হলুদ মিশ্রিত দুধ : হলুদে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান যা বিভিন্ন ভাইরাসজনিত ইনফেকশন সারাতে কার্যকর।  গরম দুধের সঙ্গে খানিকটা হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে পান করলে সর্দি ও গলা ব্যথা থেকে অতি দ্রুত মুক্তি পাবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সতর্কতার সাথে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৫৭
সতর্কতার সাথে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

ফাইল ছবি

লাল মাংসের স্বাদই আলাদা। তবে লাল মাংস নিয়ে বেশি সতর্কতার ফলে এই মাংসের প্রতি আমাদের এক ধরণের ভীতি জন্মেছে। সঠিক উপায়ে লাল মাংস থেকে তা শরীরের জন্য উপকারী।

কুরবানির ঈদে গরু, খাশি বা যে কোনো ধরনের লাল মাংস সচরাচর বেশি খাওয়া হয়।

লাল মাংস প্রচুর জিংকসমৃদ্ধ, যা আমাদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট পুষ্টিবিদ জান্নাত আরা ঊর্মি।  

লাল মাংসে (রেডমিট) প্রচুর পরিমাণে সাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল থাকে,  উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্টিক ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।

আমরা আজ জানবো যেভাবে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো-

১. মাংস ছোট টুকরো করে কাটুন। মাংস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে খেলে সবচেয়ে ভালো। এতে মাংস থেকে অতিরিক্ত চর্বি ও তেল থাকে না।

২. মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ছড়িয়ে রান্না করুন।

৩. গরুর মাংসের যেসব জায়গায় অতিরিক্ত চর্বি থাকে, যেসব জায়গায় জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে। তাই চর্বি ছাড়িয়ে নিন।

৪. অতিরিক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। প্রতি বেলায় ২ থেকে ৩ পিস মাংস খেতে পারেন।

৫. মাংস রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। মাংসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সবজি ও সালাদ খান।

 ৬. লাল মাংস খেলে অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। চাহিদা মাফিক পানি পান করুন।

৭. মাংস খেয়ে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও হাঁটুন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সঠিক কথা বলেননি: ফখরুল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১, ১১:৪১
প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সঠিক কথা বলেননি: ফখরুল

ফাইল ফটো: মির্জা ফখরুল

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘ঐতিহাসিক ৯ মার্চ’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপি নেতারা এ কথা বলেন। তারা বলেন, এক দিনে, একজনের ভাষণে দেশের স্বাধীনতা আসেনি- বিএনপির এমন বক্তব্যের পরপরই সরকারপ্রধান ক্ষিপ্ত হয়ে অনেক কথা বলেছেন।

বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভা হয়। জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালাম সভা পরিচালনা করেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ পল্টন ময়দানে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পাকিস্তানি শাসকদের প্রতি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা স্বীকার করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলব।’

সভায় আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে যুদ্ধ শুরু হতো না। প্রবাসী সরকার গঠন হওয়ার অনেক আগেই ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়ায় জিয়াউর রহমান, এমএজি ওসমানীসহ সেক্টর কমান্ডাররা সবাই বসে বৈঠক করে ‘ন্যাশনাল কমান্ড ফর লিবারেশন ওয়ার’ তৈরি করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ২৫ ও ২৬ মার্চের সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে জড়িয়ে দেওয়া বক্তব্য হাস্যকর ছাড়া কিছু নয়। এটা কেউ বিশ্বাস করবেন না। এটার কোনো প্রমাণ সরকারপ্রধান দেখাতে পারবেন না। কোনো নেতাকে ছোট বা কাউকে বড় করার জন্য নয়, স্বাধীনতা অর্জনে যার যে অবদান আছে, তা আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, অবশ্যই আওয়ামী লীগের বিরাট অবদান আছে। ১৯৭১ সালের তাদের যে অবদান, তা কেউ কোনোদিন অস্বীকার করে না। কিন্তু তারা যখন অন্যদের অবদানকে অস্বীকার করে, তা আমরা কোনোমতেই মেনে নিতে পারি না। জিয়ার খেতাব তুলে নেবে, নিক। তাতে কিছু আসে যায় না। জিয়া এ দেশের মানুষের অন্তরে রয়েছেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ৭ মার্চ পালন করেছি। তাতে আওয়ামী লীগের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এরকম অসত্য ভাষণ জাতির জন্যও লজ্জাকর।

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, স্বাধীনতা এক দিনে, কারও একক প্রচেষ্টায় আসেনি। তাই কেউ এককভাবে এর কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, একাত্তরের ৯ মার্চ মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করার জন্য পল্টন ময়দানে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ফিচার

ফিচার এর সব খবর