a
ফাইল ছবি
আজ ওল্ড ট্রাফোর্ডের দিকে তাকিয়ে ছিলো বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। কারণ ছিল একটাই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আজ ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে পুনরভিষেক হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। ঘরের ছেলে ১২ বছর পর ফিরেছে ঘরে। সমর্থকদের উল্লাস সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তাদের আনন্দ বাড়িয়ে নিউক্যাসেলের বিপক্ষে ম্যাচটিতে মাঠে নেমেই গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন সিআর সেভেন। দল পেয়েছে বড় ব্যবধানে জয়।
প্রথমার্ধের মূল সময় শেষ হয় গোলশূন্যভাবে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ম্যান ইউকে এগিয়ে দেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ১২ বছর পর পুনরভিষেকে এটা তার প্রথম গোল। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬তম মিনিটে গোলটি পরিশোধ করে ফেলে নিউক্যাসেল। ম্যাচে চলে আসে উত্তেজনা। ৬২ তম মিনিটে রোনালদো নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ম্যন ইউকে আবারও এগিয়ে দেন। এরপরেই ম্যাচ চলে আসে ম্যান ইউয়ের নিয়ন্ত্রণে।
এই বিশেষ দিনের বিশেষ ম্যাচটিতে তাকে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। মাঠভর্তি দর্শকের সামনে শুরু থেকেই সেই চিরচেনা রূপে ধরা দেন সিআর সেভেন। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৮০তম মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন আরেক পর্তুগীজ ব্রুনো ফার্নান্দেজ। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-১। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আবারও গোল। নিউক্যাসেলের জালে এবার বল জড়ান জেসি লিংগার্ড। ৪-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সোলসারের শিষ্যরা।
ছবি: সংগৃহীত
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল–জাজিরার তৈরি কাশেফ নামের রোবট সফটওয়্যার বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের আগে ভবিষ্যদ্বাণী করছে।
আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে রোবট কাশেফ ভবিষ্যদ্বাণী করেছে লিওনেল মেসির পক্ষে। কাতারের আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে রাত ১টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
এদিন রাত ৯টায় খলিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস। এই ম্যাচে রোবট ভবিষ্যদ্বাণী করেছে নেদারল্যান্ডস তথা ডাচসের পক্ষে।
কাতার বিশ্বকাপে শুক্রবার পর্যন্ত হয়ে যাওয়া ৪৮টি ম্যাচ নিয়ে প্রতিদিনই ভবিষ্যদ্বাণী করেছে রোবট কাশেফ। এই ৪৮টি ম্যাচের মধ্যে কাশেফের ভবিষ্যদ্বাণী মিলেছে ৬৫ শতাংশ।
কাশেফ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দলের খেলার ধরন, খেলোয়াড়দের দক্ষতা, অভিজ্ঞতাসহ খেলার জয়-পরাজয়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য ফলাফল দিচ্ছে। এ জন্য প্রায় ২০০ ধরনের ১ লাখ তথ্যের একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করেছে আল-জাজিরা। গুগল ক্লাউডে থাকা এসব তথ্য দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রোগ্রামটি। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম কনটেইনার বন্দর পোর্ট অব ফেলিক্সস্টোওয়ের কর্মীরা গতকাল রোববার থেকে আট দিনের ধর্মঘট শুরু করেছেন। দেশে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যে বেতন বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘট করছেন তাঁরা। খবর আল জাজিরার।
পোর্ট অব ফেলিক্সস্টোওয়েতে প্রায় দুই হাজার কর্মী নিযুক্ত আছেন। এ বন্দরে বছরে ২ হাজার জাহাজ থেকে প্রায় ৪০ লাখ কনটেইনারের চালান খালাস করা হয়ে থাকে, যা দেশটিতে সমুদ্রপথে আসা মোট চালানের অর্ধেকের বেশি।
যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন খাতের কর্মীদের ধর্মঘট চলার মধ্যে বন্দরের কর্মীরাও ধর্মঘট শুরু করায় সরবরাহ শৃঙ্খলে সমস্যা দেখা দেওয়ার শঙ্কা বেড়েছে। যুক্তরাজ্যে রেলওয়ে কর্মীরা ধর্মঘট করার কারণে প্রতি পাঁচটি ট্রেনের মধ্যে মাত্র একটি করে ট্রেন চলাচল করছে।
পোস্টাল কর্মীরাও চলতি মাসের শেষের দিকে চার দিনের ধর্মঘটের পরিকল্পনা করছেন। টেলিকম প্রতিষ্ঠান বিটিও সম্প্রতি কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো কর্মবিরতি পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। অ্যামাজনের গুদামের কর্মী, আইনজীবী, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কর্মবিরতি পালন করতে দেখা গেছে।
ফেলিক্সস্টোওয়ের কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইউনাইট ইউনিয়নের ডকে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা ববি মর্টন বলেন, ধর্মঘটের কারণে কাজে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটবে এবং তা যুক্তরাজ্যজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে। তবে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তা পুরোপুরিভাবে কোম্পানিরই তৈরি করা।
ববি মর্টন আরও বলেন, ‘আমাদের সদস্যদের ন্যায্য প্রস্তাব দেওয়ার মতো যথেষ্ট সুযোগ কোম্পানির ছিল, তবে তারা তা করেনি।’
পোর্ট অব ফেলিক্সস্টোওয়ের মালিক প্রতিষ্ঠান সিকে হাসিসন হোল্ডিং লিমিটেড এক বিবৃতিতে কর্মীদের ধর্মঘট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটি তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া আট শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাবকে ন্যায্য বলে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ বন্দরে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের ভালো পারিশ্রমিক ও নিরাপত্তা দেওয়া হয়। অযথা এসব কর্মকাণ্ডের কারণে কেউই লাভবান হবেন না।
গত মাসে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতির হার ১০ অতিক্রম করে গেছে, যা ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে। যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্য ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আভাস দিয়েছে, চলতি বছর মূল্যস্ফীতির হার ১৩ ছাড়িয়ে যাবে। আর তা ব্রিটিশ অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। সূত্র: প্রথম আলো