a
ফাইল ছবি
চলতি বছর কোপা আমেরিকার জয়ের পর আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামেনি আর্জেন্টিনা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আবারও মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের তিন ম্যাচে খেলবে আলবিসেলেস্তারা। এ তিন ম্যাচের জন্য ৩০ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা।
চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভেনিজুয়েলা, ৬ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল এবং ১০ সেপ্টেম্বর বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা । এ তিন ম্যাচের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা বস লিওনেল স্কালোনি।
পিএসজির হয়ে সর্বশেষ ম্যাচে কাঁধে চোট পান ফরওয়ার্ড মাউরো ইকার্দি। ৩-৪ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েছেন তিনি। কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা স্কোয়াড থেকে দুইজন বাদ পড়েছেন। তারা হলেন গোলরক্ষক অগাস্টিন মার্চেসিন এবং সার্জিও আগুয়েরো। দুইজনই ইনজুরির কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন।
আর্জেন্টিনা স্কোয়াডে ফিরেছেন চার ফুটবলার। এরমধ্যে পাওলো দিবালা তিন বছর পর আবারও জাতীয় দলে ডাক পেলেন। এছাড়াও ফিরেছেন এমিলিয়ানো বুয়েনদিয়া, জেরোনিমো রুলি এবং হুয়ান ফয়েথ। গোলরক্ষক অগাস্টিন মার্চেসিনের পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন জেরোনিমো রুলি।
আর্জেন্টিনা স্কোয়াড
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফ্রাঙ্কো আরমানি, হুয়ান মুসো এবং জেরোনিমো রুলি
ডিফেন্ডার: গঞ্জালো মন্তিয়েল, নাহুয়েল মলিনা, আরমান পেজ্জেলা, হুয়ান ফয়থ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লুকাস মার্টিনেজ, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, মার্কোস অ্যাকুইনা এবং নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো।
মিডফিল্ডার: রদ্রিগো ডি পল, এক্সেকুয়েল প্যালাসিও, লিয়ান্দ্রো পারদেস, গিদো রদ্রিগেজ, নিকোলাস ডমিনগুয়েজ, জিওভান্নি লো চেলসো, আলেহান্দ্রো গোমেজ এবং অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া।
ফরওয়ার্ড: অ্যাঞ্জেল কোরেয়া, জুলিয়ান আলভারেজম হোয়াকুইন কোরেয়া, নিকোলাস গঞ্জালেস্ম এমিলিয়ানো বুয়েনদিয়া, লাওতারো মার্টিনেজ, লিওনেল মেসি এবং পাওলো দিবালা।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই উত্তেজনা চরম আকারে পৌঁছে গেছে। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেই এরূপ ঘটনা ঘটে থাকে। তবে লাতিন আমেরিকার দুই দেশ থেকে ১৫ হাজার মাইল দূরের দেশ বাংলাদেশে এ দ্বৈরথ নিয়ে উন্মাদনা একটু বেশিই বলা চলে। বাগবিতণ্ডা, তর্ক ছাড়াও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে থাকে।
বিষয়টি সম্পর্কে ভালোই অবহিত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আর্জেন্টাইন দূতাবাস।
আর্জেন্টিনার দূতাবাস বাংলাদেশে নেই। তবে বাংলাদেশে যে আর্জেন্টিনার ভক্তের সংখ্যা অগণিত সে সম্পর্কে অবগত আছেন সেই দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উন্মাদনা সম্পর্কে তারা জানেন। আর তাই আর্জেন্টাইন দূতাবাসের কর্মকর্তারা ফাইনালে আর্জেন্টিনা দলের জন্য বাংলাদেশের আকুণ্ঠ সমর্থন চেয়েছেন।
এ বিষয়ে দিল্লিস্থ আর্জেন্টাইন দূতাবাস থেকে একটি প্রেস নোট এসেছে দেশের এক গণমাধ্যমে।
সেখানে তারা লিখেছে, ‘বাংলাদেশের নাগরিকবৃন্দকে আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আর্জেন্টিনা কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেছে। আমরা জানি, বাংলাদেশে অসংখ্য আর্জেন্টাইন সমর্থক আছেন। মেসি ও নেইমারের লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন তারা।
আর্জেন্টাইন দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন সমর্থকদের শুভেচ্ছা। অনুগ্রহ করে, উপভোগ করবেন দুর্দান্ত এই ফাইনাল খেলা। আমরা ফুটবল ভালোবাসি। এর উত্তেজনা ও সৌন্দর্য্যের চূড়ান্ত বিকাশে বিশ্বাসী। সারা বিশ্ববাসী এখন সুপার ক্ল্যাসিকোর ফাইনাল ম্যাচ মাঠে দেখবে।’
ফাইল ছবি
বিশ্বের ধনী দেশগুলোর স্বার্থপরভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ন্ত্রণকে অনৈতিক এবং অন্যায্য বলেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দরিদ্র দেশগুলোকে ভ্যাকসিন লাভের সুযোগ না দেয়ায় মহামারির বিরুদ্ধে দেশগুলো সুরক্ষা হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকিতেই থাকছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, প্রত্যেক দেশে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশী লোককে টিকাদান করতে হবে। কিন্তু কোভিড-১৯ সংকট কাটাতে কাজ খুব কম হয়েছে। ধনী দেশগুলোকে এসব দরিদ্র দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
হু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রতিটি দেশের ১০ শতাংশ লোককে ভ্যাকসিন প্রদান সম্পন্ন করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল, তবে ৫৬ টি দেশে এই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। হু প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসিস বলেন, এ ক্ষেত্রে এসব দেশের নিজেদের কোন দোষ ছিল না।
সংস্থা বলেছে, প্রতিমাসে ১.৫ বিলিয়ন ভ্যাকসিন তৈরি করা হচ্ছে, অথচ এক সপ্তাহের কম সময়ের উৎপাদন দিয়ে এই ১০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যেতো।
হু প্রধান টেড্রোসের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “ভ্যাকসিন সরবরাহে বৈষম্য কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় প্রতিবন্ধক হয়ে রয়েছে।”