a
ফাইল ছবি
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রথম ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের সাথে ৩-০ ব্যবধানে হারার পর বার্সা বস কোমেনকে তিন ম্যাচ সুযোগ দিয়েছে বার্সা বোর্ড। তবে স্প্যানিশ গণমাধ্যমে অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে গ্রানাডার বিপক্ষে ম্যাচেই নাকি রোনাল্ড কোম্যানের ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে। তাহলে কি তার অধীনে শেষ ম্যাচ খেললো বার্সেলোনা? ঘরের মাঠে যে গ্রানাডার বিপক্ষে ড্র করেছে বার্সেলোনা। এখন বার্সেলোনার ড্রয়ের থেকে কোম্যানের ভবিষ্যত নিয়ে কথা চলছে বেশি।
সোমবার (২০ সেপ্টম্বর) ন্যু ক্যাম্পে লা লিগার ম্যাচের গ্রানাডার বিপক্ষে মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল হজম করে বার্সা। সে গোল শোধ দিতে ম্যাচের শেষ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে কাতালান ক্লাবটিকে।শেষ পর্যন্ত রোনাল্ড আরাউহোর শেষ মিনিটের হেডে রক্ষা হয় বার্সার। তা না হলে হয়তো, ঘরের মাঠে গ্রানাডার বিপক্ষে হারটা নিশ্চিতই ছিল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বশেষ ম্যাচের একাদশ থেকে পাঁচ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বার্সেলোনা। কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়, চোট জর্জর বার্সেলোনার জন্য এটা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। তবুও ম্যাচে ৭৭ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখে বার্সা।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দেয় গ্রানাডা। গ্রানাডার নেওয়া কর্ণার ঠিকমত ক্লিয়ার করতে পারেনি বার্সেলোনার ডিফেন্ডাররা। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের ক্রস থেকে হেড দিয়ে গোল করেন দুয়ার্তে। এর ফলে শুরুতে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। এরপর একের পর এক আক্রমণ সাজায় বার্সেলোনা। তবে ক্রসবার, ফরওয়ার্ডদের ব্যর্থতায় আর সমতায় ফেরা হয়ে উঠে নাই। একদম ম্যাচের শেষ মিনিটে এসে দলের ত্রাণকর্তা হয়ে দাঁড়ান রোনাল্ড আরোহো। গাভির ক্রস থেকে হেডে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি।
লিগে চার ম্যাচ খেলে দুইটি করে জয় এবং ড্র করেছে বার্সেলোনা। আট পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে আছে তারা। পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে আছে রিয়াল মাদ্রিদ।
সংগৃহীত ছবি
আর্জেন্টিনা আলেহান্দ্রো গোমেসের শুরুর গোলে প্যারাগুয়েকে হারালো। এই জয়ে কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলো আর্জেন্টিনা।
মঙ্গলবার ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে গ্রুপ 'এ'র ম্যাচে ১-০ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। সব মিলিয়ে ৪ ম্যাচ পর প্যারাগুয়েকে হারানোর স্বাদ পেল আর্জেন্টাইনরা।
উরুগুয়ের বিপক্ষে যে একাদশ সাজিয়েছিলেন, আজ তাতে ৬টি পরিবর্তন আনেন স্কালোনি। রক্ষণে তাগলিয়াফিকো এবং পেজ্জেলাকে নামানো হয় ওতামেন্দি ও আকুনার জায়গায়। মিডফিল্ডে দে পল এবং লো সেলসোকে সরিয়ে আনা হয় গোমেস ও পারেদেসকে। আক্রমণে লাউতারো মার্তিনেস ও নিকোলাস গঞ্জালেসের জায়গায় নামেন দি মারিয়া ও সার্জিও আগুয়েরো।
খেলার শুরুর কয়েক মিনিট ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। বেশকিছু আক্রমণ শানিয়েছিল দলটি। এর মধ্যে অষ্টম মিনিটে দারুণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সার্জিও আগুয়েরো। প্যারাগুয়ের দুই ডিফেন্ডার গুস্তাভো গোমেস ও পিরিস দুজনেই একসঙ্গে লাফিয়ে হেড করতে চেয়ে মিস করে বসেন। তাদের ভুলে পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে যান আগুয়েরো। কিন্তু এত কাছ থেকে শট নিয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার।
তবে আগুয়েরোর গোল মিসের দুই মিনিট পরেই আর্জেন্টিনাকে স্বস্তি এনে দেন গোমেস। আনহেল দি মারিয়ার থ্রো-বল পেনাল্টি বক্সে পেয়ে এগিয়ে আসা প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পাশ কাটিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই সেভিয়া ফরোয়ার্ড।
অষ্টাদশ মিনিটে মেসির ফ্রি কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে প্যারাগুয়ে। আর্জেন্টিনার রক্ষণে বেশ কয়েকবার হানা দিলেও অবশ্য গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে কঠিন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি তারা।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দি মারিয়ার শট ঝাঁপিয়ে ফেরান প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক। কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি, উল্টো গোমেসের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন জুনিয়র আলোনসো। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলবঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা রক্ষণে জোর দিতে শুরু করে। ফলে প্যারাগুয়ে প্রচুর জায়গা পেয়ে যায়। এমনকি একবার তো টানা চারটি কর্নার পেয়ে যায় তারা। কিন্তু কোনোটাই অবশ্য কাজে লাগাতে পারেনি তারা। অপরদিকে আর্জেন্টিনাও নিজেদের জাল অক্ষত রাখায় মনোযোগ দিলে শেষ দিকে খেলায় তেমন কোনো উত্তেজনা থাকেনি।
এই ম্যাচে খেলতে নেমে দেশের হয়ে হাভিয়ের মাসচেরানোর সর্বোচ্চ ১৪৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করলেন মেসি। ম্যাচটাকে স্মরণীয় করে রাখার একটা সুযোগ শেষদিকে এসেছিল তার সামনে। কিন্তু বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের ফ্রি-কিক ফিরিয়ে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক।
৩ ম্যাচে ২ জয় ও ১ ড্রয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠলো আর্জেন্টিনা। বলিভিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা প্যারাগুয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে তিন নম্বরে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে চিলি আছে দুই নম্বরে। ১ পয়েন্ট নিয়ে চারে উরুগুয়ে। এখনও জয়ের দেখা না পাওয়া বলিভিয়া আছে পাঁচে।
ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ চারজনের জামিন আবেদনের শুনানি হবে আজ।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার জামিন শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
অন্য দুজন হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম।
গত ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে পুলিশ রাজধানীর বাসা থেকে আটক করে। পরদিন আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত মঞ্জুর করেন।
গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে একজন নিহত ও শতাধিক আহত হন। ওইদিন নয়াপল্টন কার্যালয় দলটির সিনিয়র কয়েকজ নেতাসহ শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় পরদিন ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখসহ বিএনপির কয়েক হাজার নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা করা হয়।
পরদিন ৮ ডিসেম্বর দিনগত রাতে উত্তরার বাসা থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং শাহজাহানপুরের বাসা থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আটক করে পুলিশ। ডিবি গত শুক্রবার দুপুরে তাদের গ্রেফতার দেখায়। সূত্র: ইত্তেফাক