a
সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা এবং কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তারা। জাতির পিতা ও তার পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যসহ সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে তাদের আত্মার শান্তি কামনায় ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে শেখ কামালের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
কনসাল জেনারেল বলেন, বহুগুণের অধিকারী শেখ কামালের কর্মময় জীবন ও আদর্শ সবসময় আমাদের কাছে বিশেষ করে যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। শহীদ শেখ কামালকে একজন পরিপূর্ণ আলোকিত মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে কনসাল জেনারেল শেখ কামালের কর্মময় জীবন ও বাংলাদেশের ক্রীড়া, শিল্প, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে তার অবদান সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে অবহিত করার জন্য সকলকে আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের আলবেনীতে বসবাসরত শহীদ শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামালের বড় বোন মিসেস খালেদা রহমান অনলাইনে যোগ দেন এবং মর্মস্পর্শী স্মৃতিচারণ করেন। সূত্র: যুগান্তর
ছবি সংগৃহীত
জুলকার নাইন সায়ের ভাই চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি সুব্রত বাইনকে নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট দেন।
সেই পোস্টে যা যা লেখা ছিল, আজ দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে হুবহু সেই একই তথ্যই উঠে এসেছে। প্রশ্ন হলো—তাকে এখন এতদিন পর ধরা হলো কেন? এতদিনে তো সে তার অপারেশন সম্পূর্ণ করে ফেলতে পারতো!
বিদেশে বসে একজন সাংবাদিক তিন মাস আগে যে তথ্য প্রকাশ করেছিলেন, দেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই তথ্যের সত্যতা খুঁজে পেল তিন মাস পর!
জনাব তারেক রহমানকে শেষ করার দায়িত্ব ছিল সুব্রত বাইনের উপর—এমনটাই শোনা যায়। বলা হয়, আর্মি ও পুলিশ মিলে তাকে বিশেষভাবে ট্রেনিংও দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আর কে কে সেই ট্রেনিং পেয়েছিলেন? এই প্রশ্ন কি কেউ করবে? আর্মি ও পুলিশের কাজ কি এটাই ছিল?
সূত্র: প্রিসিলা, নিউইয়র্ক
ফাইল ছবি
লকডাউনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনায় দুই পেশাজীবী সংগঠনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন।
আদালতে আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনার পর পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পাল্টাপাল্টি বিবৃতির প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
আদালত ইউনুছ আলী আকন্দকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গতকাল আপনি এই বিষয়টি নিয়ে এসেছিলেন। আপনি তো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নন। তাহলে আপনি কেন এসেছিলেন? এ পর্যায়ে ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, আমার মেয়েও একজন চিকিৎসক। তাছাড়া আত্মীয়-স্বজনের মধ্যেও অনেক চিকিৎসক রয়েছেন।
আদালত চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। আবার এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়াও ঠিক হয়নি। দুটি পেশাজীবী সংগঠনের মাঝে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয়।
উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে লকডাউনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চিকিৎসক-পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ব্যাপক আকারে প্রচার হয়।