a আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৩৮
আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য

ছবি সংগৃহীত


আইনের শাসন যে কোনো সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ। আইন সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং আইনের শাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সুশাসন ও সৎ বিচারব্যবস্থা ছাড়া আইনের শাসন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি একটি পূর্বশর্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ব্রিটিশ শাসনকাল ছাড়া উপমহাদেশের ইতিহাসে আমরা কখনো প্রকৃত অর্থে আইনের শাসনের অভিজ্ঞতা পাইনি।  

আজকের বিশ্বে আইনের শাসনকে সমাজ শাসনের একটি কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজ্ঞ এ. ভি. ডাইসি ‘আইনের শাসন’-এর প্রবক্তা। তিনি সমাজে শৃঙ্খলা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। আইনের শাসনের তিনটি মূলনীতি হলো—  
১. আইনকে স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবহার করা যাবে না।  
২. প্রতিটি নাগরিক আইনের চোখে সমান।  
৩. নাগরিকদের অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত থাকতে হবে।  

কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তার সামাজিক অবস্থান বা ক্ষমতা যাই হোক না কেন। "আপনি যত উচ্চ পদেই থাকুন না কেন, আইন আপনার ঊর্ধ্বে"—এই নীতিই আইনের শাসনের মূল আদর্শ।  

স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও চ্যালেঞ্জসমূহ:
একটি স্বাধীন ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তবে এটি বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। যেহেতু পুরো বিষয়টি জটিল, তাই তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সুফল আসবে না। এ কাজে যথাযথ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতেও কুণ্ঠাবোধ করা উচিত নয়, কারণ দক্ষ ও পেশাদার ব্যক্তিদের ছাড়া বিচারব্যবস্থার সংস্কার সম্ভব নয়।  

একটি কার্যকর বিচারব্যবস্থা গঠনে নতুন বিচারকদের নির্বাচন, নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এটি একদিনের মধ্যে সম্ভব নয়, তবে দেরি না করে অবিলম্বে কাজ শুরু করা উচিত।  

বর্তমান বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা:
বর্তমান বিচারব্যবস্থা সমাজে প্রকৃত অর্থে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম নয়। এটি একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে সুবিধা দিতে গঠিত হয়েছে, জনগণের কল্যাণে নয়। তাই পুরো বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। যদিও বিচারকগণ বিচারব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি, তবে আইনজীবীদের ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিচারব্যবস্থা শুধু বিচারকদের নিয়ে গঠিত নয়, আইনজীবীরাও এর অংশ। আইনজীবীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ও উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে।  

আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার পুরোপুরি নির্ভর করে বিচারক ও আইনজীবীদের সততা ও পেশাদারিত্বের ওপর। যদি এই দুই সম্প্রদায়ের কোনো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত হয় বা পেশাগতভাবে অযোগ্য হয়, তাহলে সমাজে আইনের শাসন কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।  

তদন্ত ও অপরাধ বিচার ব্যবস্থায় সংস্কার:
অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অপরাধ তদন্ত কর্মকর্তাদের অবশ্যই সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। অপরাধ দমন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।  

এ ছাড়াও, সমাজের দায়িত্বও কম নয়। জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কীভাবে সাধারণ মানুষ এই সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন জনগণের চারিত্রিক পরিবর্তন আনতে পারে, যা এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  

অর্থনৈতিক সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন:
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—গরিব জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। অন্যথায় কোনো সংস্কারই টেকসই ফল আনবে না। বেশিরভাগ অপরাধ দারিদ্র্যের কারণে সংঘটিত হয়, তাই মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জরুরি অর্থনৈতিক সংস্কার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক যাকাত ব্যবস্থা গরিব মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর উপায় হতে পারে।  

গণমাধ্যমের ভূমিকা:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম যদি সঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে বিচারব্যবস্থা সংস্কার সহজ হবে। তারা একদিকে সমাজকে সচেতন করতে পারে, অন্যদিকে বিচারব্যবস্থার পর্যবেক্ষক হিসেবেও কাজ করতে পারে।  

আইনের শাসনকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য, তবে শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়। সমগ্র সমাজকে এই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে, তবেই টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

লেখক: অধ্যাপক কর্ণেল আকরাম
সম্পাদক, মিলিটারি হিস্টোরি জার্নাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করলো বিএসডিপি


সবুজ হালদার, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৮ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৪:১৪
বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করলো বিএসডিপি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

বাংলাদেশ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (BSDP) এর ঐতিহাসিক উদ্বোধন হয় জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায়। আজ ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে বাংলাদেশ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (BSDP) এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত পালন করল। আনন্দঘন এই ঐতিহাসিক সময়ে বিএসডিপি ১১১ সদস্যের জাতীয় কমিটির মাধ্যমে এই রাজনীতিক যাত্রা শুরু করেছে, যার চেয়ারম্যান জনাব ড. প্রকৌশলী বিভূতি রায় এবং মহা সচিব প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুল আলম (মাহবুব সুমন)।

BSDP লক্ষ্য স্পষ্ট: একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান সুযোগ এবং মর্যাদা পাবে। কয়েক দশক ধরে, বাংলাদেশের জনগণ একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা করে আসছে, যা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সমতা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতীক। BSDP এই আকাঙ্ক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাজনীতির একটি নতুন যুগের সূচনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেগুলি পুরণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করবে।

অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে তারা বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ কল্পনা করি যেখানে প্রতিটি ব্যক্তির উন্নতি, অংশগ্রহণ এবং জাতির অগ্রগতিতে অবদান রাখার সুযোগ থাকবে। বিএসডিপির প্রতিষ্ঠাতা নেতারা বলেন 'আমাদের লক্ষ্য ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রগতিকে উৎসাহিত করা, আমাদের প্রিয় দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিশ্চিত করা এবং একটি উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে আমাদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা।

বিএসডিপির মূল উদ্দেশ্যঃ
১. গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা: আমরা সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক এবং স্বচ্ছ গণতন্ত্র নিশ্চিত করব, ভোট পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে (Vote Recall) নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করব এবং প্রশাসনে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করব।
২. কর্মসংস্থান প্রথম: আমাদের লক্ষ্য হবে সকলের জন্য, বিশেষ করে সক্ষম এবং অদক্ষ যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা ।
৩. সকলের জন্য স্বাস্থ্য: আমরা কোনও বৈষম্য ছাড়াই অ্যাক্সেসযোগ্য এবং ন্যায়সঙ্গত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৪. কর্মমুখী শিক্ষা: আমরা আসাদের যুবকদের কর্মশক্তির জন্য প্রস্তুত করার জন্য বৃষ্টিমূলক প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার প্রচার করব।
৫. শ্রমিকদের অধিকার এবং অর্থনৈতিক সমস্যা: আমাদের দল ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং ইউনিয়ন করার অধিকার সহ শ্রম অধিকারের পক্ষে ওকালতি করবে।

৬. পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচার: আমরা এমন নীতি গ্রহণ করব যা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমাধান প্রচার করবে।
৭. নারী ও শিশু অধিকার: নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের এজেন্ডার অগ্রভাগে থাকবে ।
৮. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে লড়াই: সরকারের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৯. সামাজিক ন্যায়বিচার: আমরা সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ তৈরি এবং সম্পদের বৈষম্য দূর করতে নিবেদিতপ্রাণ।
১০. প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি: আমরা ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সকলের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার জন্য কাজ করব, ডিজিটাল বৈষম্য দুর করব।

আমাদের প্রতিশ্রুতিঃ বিএসডিপি তার জনগণের ক্ষমতায়ন এবং একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও উন্নত ও মানবিক সমাজে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনায় বিশ্বাস করে। আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য আমরা সকল স্তরের নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।“গণতন্ত্র, সাম্য, ন্যায়বিচার এবং একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এই যাত্রায় আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আমরা আমাদের দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি,” যোগ করেন BSDP নেতারা। উপস্থিত নেতারা আরো বলেন, আসুন একসাথে, আমরা একটি নতুন সমাজ, একটি সমৃদ্ধ জাতি এবং একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি যা সত্যিকার অর্থে তার জনগণের।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

২৯ মে চালু হচ্ছে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ১১:০৬
২৯ মে চালু হচ্ছে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট

ফাইল ছবি

করোনার বিধিনিষেধের জন্য বন্ধ থাকা বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের বিমান চলাচল আগামী ২৯ মে থেকে পুনরায় শুরু হবে। গতকাল রবিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবে প্রাতিষ্ঠানিক হোটেল কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ সুবিধা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২৯ মে থেকে ফ্লাইট পরিচালনা আরম্ভ করতে যাচ্ছে। 

অর্থাৎ কেউ সৌদি আরবে যেতে চায় তাকে আগে সেখানে কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য হোটেল বুকিংসহ কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ এবং বিমানের আসন সংরক্ষণের জন্য বিমানের যে কোনো সেলস কাউন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সৌদি আরব সরকার ২০ মে থেকে বিভিন্ন শর্ত আরোপ করায় পাঁচদিনের জন্য সৌদি আরবগামী সকল ফ্লাইট স্থগিত করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ।

আরো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইট, অথবা বিমান কল সেন্টার ০১৯৯০ ৯৯৭ ৯৯৭ নম্বরে অথবা বিমানের ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেকোনো সমস্যায় বিমান বাংলাদেশ সুপরামর্শ দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি