a করোনায় (২৬মে) মৃত্যু ১৭, শনাক্ত ১৪৯৭ এবং সুস্থ ১০৫৬
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২, ০১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

করোনায় (২৬মে) মৃত্যু ১৭, শনাক্ত ১৪৯৭ এবং সুস্থ ১০৫৬


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
বুধবার, ২৬ মে, ২০২১, ০৫:৪৮
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

করোনাভাইরাস

             
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৪৫৮ জন।
 
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৪৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯৩ জন।
 
আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১০৫৬ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৬ জন।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনা আবারও বাড়তে থাকায় সতর্ক থাকতে বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ০৬:৪১
করোনা আবারও বাড়তে থাকায় সতর্ক থাকতে বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সবাইকে সতর্ক থাকতে বললেন। সোমবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া অটোমেশন বিষয়ক সভা শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিড কিছুটা বেড়েছে। সতর্ক হতে হবে। মাস্ক পড়তে হবে, সামাজিক দূরত্ব ভুলে গেলে হবে না। রোগী বাড়ছে। গত কয়েক দিন থেকে ৫০-৭০ এর ঘরে সংক্রমণ থাকলেও সবশেষ শনিবার (১২ জুন) দেশে ১০৯ জনের শরীরে সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কোভিড কিছুটা বেড়েছে। গত কয়েক মাস আমরা দেখেছি ৩০-৩৫ জন সংক্রমিত হতো, গতকাল ছিল ১০৯ জন। সেই তুলনায় বেশ বেড়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের কোভিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কোভিড এখনও নির্মূল হয়নি। আমরা এখন একটা স্বাভাবিক অবস্থায় আছি, আমরা যেন অস্বাভাবিক অবস্থায় না যাই সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ড. ইউনূসকে আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দাবি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১০:২০
ড. ইউনূসকে আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দাবি

ফাইল ছবি

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের দুই নেতা এবং বাংলাদেশে কাজ করা মানবাধিকার কর্মীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।

এক বিবৃতিতে তিনি মানবাধিকারকর্মী ও অন্যান্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি ও মার্তা হুরতাদো গণমাধ্যমকে এ উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে ড. ইউনূস হয়রানি ও ভয়ভীতির মুখোমুখি।  বর্তমানে তিনি শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির দু’টি অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। যেগুলোতে তার কারাদণ্ড হতে পারে।

হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশে সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী এবং ভিন্নমত পোষণকারীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য এ মামলাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অধ্যাপক ইউনূস সুপরিচিত। তিনি আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, অধিকারের নেতা আদিলুর রহমান খান ও নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যেগুলোর রায় ৭ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সঙ্গে ১০ বছর আগের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সম্পর্ক রয়েছে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার বলেন, ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনেক সময়ই মানহানিকর প্রচারণা আসছে। আমরা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। এতে তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

যথাযথ প্রক্রিয়া এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে এই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যালোচনা নিশ্চিতের আহ্বান জানান হাইকমিশনার।

বাংলাদেশের নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনটিও জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে ভলকার তুর্ক বলেন, নতুন আইনটিতে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি অপরাধের জন্য জামিনের সুযোগ থাকবে। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে আটকাতে আইনের স্বেচ্ছাচারী ব্যবহার রোধ করতে সব উদ্বেগের সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য