a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৪৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২২ হাজার ১৫০ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১২,৬০৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ২০৭ জন।
আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৫৪৯৪ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ লাখ ৭২ হাজার ৪৩৭ জন।
উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।
ফাইল ছবি । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টিকা পাওয়ার জন্য নিবন্ধনের বয়সসীমা ১৮ বছর করার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ সম্প্রসারণ এবং ওপিডি উদ্বোধন শেষে তিনি এই কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি টিকার জন্য নিবন্ধনের বয়সসীমা ১৮ বছর পর্যন্ত করার সুপারিশ করেছে। এর প্রেক্ষিতে ‘আমরা চিন্তা করছি টিকার জন্য বয়সসীমা আরও কমিয়ে আনা যায় কি না। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। উনারও একটা নির্দেশনা আছে। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটিও গতকাল আমাদের জানিয়েছে ১৮ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে টিকা দেওয়া যায় কি না।’
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েদের তাড়াতাড়ি স্কুল-কলেজে পাঠাতে চাই। শিক্ষকদের টিকা দিচ্ছি, এখন ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা আছে তাদেরও টিকার আওতায় নিয়ে আসব। তাদের স্কুল-কলেজে যাওয়ার সুযোগ করে দিব। কারণ তাদের জীবনের একটা বছর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটা দেশের জন্য, জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ২৬ জানুয়ারি টিকার জন্য নিবন্ধন শুরু হয়। শুরুতে ৪০ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিকরা টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারতেন। আর গত ৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ৩৫ বছর হলেই টিকার জন্য নিবন্ধন করা যাবে। তবে করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় সম্মুখসারিতে যারা কাজ করছেন তাদের জন্য এই বয়সসীমা প্রযোজ্য নয়।
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তর বাড্ডা থেকে গুম করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রবিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে তিনি এই অভিযোগ জানান। নুর বলেন, আমি ভাড়ায় একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল হলো চালক কার সঙ্গে কথা বলছে, তার লোকেশন কথা বলছে। হঠাৎ সে থেমে গাড়ি থেকে নেমে যাই। কিছু লোকের সঙ্গে সে কথা বলে এবং তারা গাড়িচালককে বলে আপনি চলে যান আমরা গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাব। এরপরই দ্রুত আমরা গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশের মানুষকে বিষয়টি জানাই এবং পরে একটি শো-রুমের মধ্যে ঢুকে পড়ি।
ভিপি নুর বলেন, আমি গুলশান-১ নম্বর থেকে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ফিরছিলাম। আমাদের মামলাগুলো কীভাবে আইনিভাবে লড়া যায় সেই পরামর্শের জন্য তার চেম্বারে যাই। ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ড্রাইভারকে তারা বলেছে, তারা নাকি ডিবির লোক। কিন্তু তাদের গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। আমরা যখন বুঝতে পারলাম তখন গাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি নেমে গেছি। তারা মূলত আমাকে গুম করার জন্য আটক করতে চেয়েছিল।
নুর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দলের নেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী একাধিক ব্যক্তি এভাবে গুম হয়েছেন। আমিও যে কোনো সময় বাসা থেকে গুম কিংবা খুনও হতে পারি। আমি আগেই দেশবাসীর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন