a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৪৪১ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৬৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৯২ হাজার ১৯৬ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১২৭৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩২ হাজার ৮১০ জন।
ফাইল ছবি
আজ ঢাকায় আসছে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দেওয়া অক্সফোর্ড আ্য্যস্ট্রাজেনেকার দুই লাখ ৪৫ হাজার ২০০ ডোজ টিকা। টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের আওতায় এ টিকা দিচ্ছে জাপান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপহারের এই টিকা গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিত্সু মোতেগি ১৫টি দেশের জন্য ১ কোটি ১০ লাখ আ্য্যস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্য থেকে বাংলাদেশকে কয়েক ধাপে ২৯ লাখ টিকা দেবে দেশটি। আজ আসবে জাপানের উপহারের প্রথম চালান। পর্যায়ক্রমে বাকি টিকা আসবে।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন টিকা আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিঠির বরাতে আমরা জানতে পেরেছি জাপান থেকে দুই লাখ ৪৫ হাজার ডোজ টিকা শনিবার দেশে আসবে।
এর আগে যাদেরকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে এই টিকা দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে দেওয়া হবে। আশা করছি শিগগিরই আমরা টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারব।
গত ৭ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছিলেন, জাপানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টিকা পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। কয়েকদিন আগে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টিকা নিয়ে আমার কথা হয়েছে। টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের আওতায় জাপানের কাছ থেকে আমরা এ টিকা চেয়েছি।
ফাইল ছবি
ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। রবিবার (১৪ আগস্ট) সকালে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এসময় তাকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মিশেল ব্যাচেলেট প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, এনজিও, একাডেমিয়া, সুশীল সমাজসহ অন্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের সফরকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, এ সুযোগে মানবাধিকার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে সরকার। মানবাধিকার ঠিক রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নের অবস্থা তুলে ধরা হবে । সূত্র: ইত্তেফাক