a ডেল্টা ভাইরাস প্রতিরোধে পরামর্শ দিলেন ড. বিজন কুমার শীল
ঢাকা সোমবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ডেল্টা ভাইরাস প্রতিরোধে পরামর্শ দিলেন ড. বিজন কুমার শীল


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৭ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:০৫
ডেল্টা ভাইরাস প্রতিরোধে পরামর্শ দিলেন ড. বিজন কুমার শীল

ফাইল ছবি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অণুবিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বলেছেন, করোনা আক্রান্তের পর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে চিকিৎসা নিতে হবে। ডেল্টার চিকিৎসার মতো ওষুধ বিশ্ববাজারে আছে। এছাড়া জিংকের সমন্বয়ে তৈরি ভিটামিন-সি গ্রহণের মাধ্যমে ডেল্টা ধরন প্রতিরোধ সম্ভব। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও এ ধরনের ভিটামিন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে অনুমোদন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

শনিবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি এসব তথ্য জানান।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ডেল্টা ধরনের ভয়াবহতার জন্য অন্যান্য মিউটেশনের (পর্যায়ক্রমে রূপান্তর) সঙ্গে টি-১৯আর (T19R) মিউটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিয়মিত মাস্ক পরিধান এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ডেল্টা ধরনের সঙ্গে ফ্লু ভাইরাসের যথেষ্ট মিল রয়েছে। এটি খুব দ্রুত ছড়ায়। ফলে পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে বাকি সবাই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনে কেউ আক্রান্ত হলে, তার আশপাশের সবাইকে পরীক্ষা করতে হবে। হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় অবশ্যই কাপড় বা টিস্যু ব্যবহার করতে হবে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লায়লা পারভীন বানুর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল। এতে আরও বক্তব্য  দেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, টিকার একটি ডোজ তৈরি করতে আধ ডলারের বেশি খরচ হয় না। এর জন্য ন্যূনতম ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। দেশে যারা ব্যবসায়ী আছেন, পরীমনির জন্য যারা বিনিয়োগ করে থাকেন, তারা ইচ্ছা করলে সাত দিনের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা জোগার করে দিতে পারেন। এতদিন যারা দেশ শোষণ করেছেন, তারা ভালো একটা কাজ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের টার্গেট হওয়া উচিত ছয় মাসের মধ্যে নিজস্ব টিকা তৈরি করা। কিউবা যেমন টিকা তৈরি করেছে, ইরান যেমন টিকা তৈরি করেছে, তেমনি বাংলাদেশ যদি চায় তাহলে রাশিয়া সহযোগিতা করবে। আমরাও কিউবার মতো টিকা তৈরি করতে পারব, তখন এর দাম পড়বে আধ ডলার।

ওয়েবিনারে আরও বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক একে আজাদ চৌধুরী, পিএইচসির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক জাকির হোসেন, বিএসএমএমইউর ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সায়েদুর রহমান, আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাক হোসেন, প্রধান স্বাস্থ্য বাতায়ন ডা. নিজাম উদ্দীন আহমেদ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. এস. তাসাদ্দেক আহমেদ, উপাধ্যক্ষ ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার, গণস্বাস্থ্যের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রমুখ। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনায় (৩ এপ্রিল) মৃত্যু ৫৮, শনাক্ত ৫৬৮৩, সুস্থ ২৩৬৪


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪২
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

সংগৃহীত ছবি

গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৯ হাজার ২১৩ জন। 

এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৫৬৮৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জন।
 
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
 
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২৩৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, করোনার টিকা কেবল মারাত্মক অসুস্থতা কমায়


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৪৯
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, করোনার টিকা কেবল মারাত্মক অসুস্থতা কমায়

ফাইল ছবি

ভারতে টিকা দেওয়ার পরও করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়া নিয়ে দেশটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা এই ভাইরাসের শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে পারে না, এটি শুধু আক্রান্ত রোগীর মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং মৃত্যুহার কমায়। শুধু মাস্কই এই ভাইরাস নাক-মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ ঠেকাতে পারে। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা করোনায় একবার আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছেন তাদের জন্য টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট। খবর হিন্দুস্তান টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের

ভারতের পাটনা, দিল্লি, চেন্নাইসহ কয়েকটি শহরে গত কয়েক মাসে টিকা গ্রহণের পরও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে। দিল্লির শ্রী গঙ্গারাম হাসপাতালের ৩৭ জন ডাক্তার সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এদের মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। যাদের প্রায় সবাই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার দুই ডোজ টিকাই গ্রহণ করেছিলেন।

হায়দরাবাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লক্ষ্মী লাবণ্য আলাপাটি বলেন, দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডিগুলো উন্নত হয় এবং এটি সংক্রমণের জটিলতা এবং মৃত্যুহার হ্রাস করে। টিকা গ্রহণের পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি ৮৫ ভাগ কমে। কিন্তু টিকা ভাইরাসকে শরীরে প্রবেশ করা ঠেকায় না। শুধু মাস্কই এটি করতে সক্ষম। 

দিল্লি সরকারি হাসপাতালের এক জ্যেষ্ঠ ডাক্তার বলেন, টিকা করোনার বিরুদ্ধে পূর্ণ নিরাপত্তা সুরক্ষা দেয় না। মাস্ক না-পরলে টিকা গ্রহণকারীর নাক ও মুখের মাধ্যমে ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। ফলে অনেকেই টিকা গ্রহণের পর মাস্ক না-পরায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

মনে রাখতে হবে, আমাদের সবচেয়ে বড় টিকা হচ্ছে মাস্ক। দিল্লিতে ৫৪ বছরের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী ২২ ফেব্রুয়ারি করোনায় স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগে মারা যান। তার ছেলে ধীরাজ বলেন, আমার বাবা ১৭ ফেব্রুয়ারি টিকা নেন। বাসায় আসার পর থেকেই তিনি অসুস্থ বোধ করেন, তার তাপমাত্রা বেড়ে যায়, দু-তিন দিন পরই তিনি মারা যান। চেন্নাইতে ১৫ মার্চ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারী এক ব্যক্তির ২৯ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং ৩০ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ৪ এপ্রিল মারা যান।

সেরে উঠলে এক ডোজ টিকাই যথেষ্ট: করোনায় যারা একবার আক্রান্ত হয়েছেন এবং পরে সেরেও উঠেছেন-কোভিড টিকার একটি ডোজই তাদের জন্য যথেষ্ট। টিকার একটি ডোজ নিলেই করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য তাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠে। গবেষণাটি চালিয়েছে আমেরিকার পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিনের পেন ইনস্টিটিউট অব ইমিউনোলজির বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘সায়েন্স ইমিউনোলজি’তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। 

গবেষকরা পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪ জন সুস্থ মানুষকে বায়োএনটেক-ফাইজার ও মডার্নার তৈরি ‘মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ)’ কোভিড টিকা দিয়েছিলেন। ৪৪ জনের মধ্যে ১১ জন আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তারা সবাই সেরে ওঠেন। কীভাবে তাদের শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তা বুঝতে গবেষকরা টিকা নেওয়ার আগে ও পরে দুবার করে মোট চারবার ৪৪ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করেন।

টিকাও যাদের সুরক্ষা দিতে পারবে না: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ডা. অ্যান্ড্রু ওলোউইৎজ নিজেকে নিউইয়র্কের মামারোনেকে বাড়ির ভেতর বন্দি করে রেখেছেন। ৬৩ বছর বয়সি এ চিকিৎসক সম্প্রতি করোনার টিকা নিয়েছেন। অবশ্য তাতে ওলোউইৎজের শরীরে কোনো অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে না। তিনি হচ্ছেন লাখ লাখ আমেরিকানের একজন, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করে না। এদের অনেকে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা ছাড়া কিংবা ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে জন্মেছেন। অন্যরা হয় কোনো রোগে ভুগে কিংবা থেরাপির কারণে তাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করেছেন। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা এ ব্যক্তিদের অধিকাংশই তাদের ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত নন। লিউকেমিয়া অ্যান্ড লিম্ফোমা সোসাইটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. লি গ্রিনবার্গার বলেন, তারা বাইরে হেঁটে বেড়ান, মনে করেন যে তারা নিরাপদ, কিন্তু তেমনটা না-ও হতে পারে। সূত্র: যুগান্তর
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য