a
ছবি সংগৃহীত
তালবিনা একটি হৃদয় প্রশান্তকারী প্রাচীনতম ন্যাচারাল পুষ্টি খাবার। তালবিনাতে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড ও এসেন্সিয়াল ডেইলি নিউট্রিশন। এটি এতটাই পাওয়ারফুল যে, পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এটাকে “অলৌকিক অণু” বা Miracle Molecule” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অনেকে এটিকে একটি সুন্নতি খাবার বা প্রফেটিক মেডিসিন নামেও অবহিত করে থাকেন। প্রচুর ফাইবারযুক্ত এ খাবারটি উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ যা একটি উৎকৃষ্ট সম্পূরক খাবার হিসেবে বিবেচিত।
তালবিনা অত্যন্ত বরকতময় একটি খাবার। এটা শুধু বড়দের জন্য নয়, ১ বছরের বাচ্চা থেকে আবাল বৃদ্ধ সুস্থ অসুস্থ নারী পুরুষ সবাই খেতে পারেন। উচ্চ ফাইবার যুক্ত হওয়ার কারনে সহজে হজম হয়। এতে আমাদের অন্ত্রে বসবাসকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডিটি, IBS, কোষ্ঠকাঠিন্য & বদহজমের সমস্যা সমাধানে তালবিনা দারুন কাজ করে (প্রমানিত)।
তালবিনা রাসুল (সঃ) এর দেয়া প্রেসক্রিপশন যাকে প্রফেটিক মেডিসিন নামেও আখ্যায়িত করা হয়। প্রিয় নবীজির দেওয়া প্রেসক্রিপশনে তালবিনা অস্থির হৃদয় প্রশান্তকারী এক অলৌকিক খাবার। এটি এমনই এক সুপার ফুড যা আমাদের রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবাদের (রাঃ) সময়ে শোক-দুঃখসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে খেতে পরামর্শ দেওয়া হতো।
এটি আমাদের একটি ভুলে যাওয়া সুন্নাহ তাই অনেকে নাও জেনে থাকতে পারি।
নিয়মিত তালবিনা ড্রিঙ্কস পানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারঃ
★ সুস্থ ও স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
★ স্বাভাবিকভাবে কার্ডিওভাসকুলার হেলথ বা হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
★ ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
★ নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
★ হাঁড় এবং কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
★ পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি ক্ষমতা পুনর্বহাল করতে সাহায্য করে।
★ চর্বি ও শর্করার বিপাকীয়তায় সাহায্য করে।
★ অ্যান্টি-এইজিং হরমোন তৈরিতে সহযোগিতা করে।
★ ইমিউন সিস্টেমকে কার্যকর রাখতে বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
★ পেশী বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে এবং এটি শরীরচর্চাকারী উনাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
★ এটি হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ও ইমিউন প্রক্রিয়াকে কার্যকরী ও সচল রাখে।
স্বাস্থ্যের বহুবিধ উপকারিতার জন্য তালবিনা দেহে অনেক উত্তেজনাকর ঘটনার অবতারণা করে থাকে, এতে অবাক হওয়ারও কিছু নেই। তালবিনা এবং এর শক্তিশালী পুষ্টি সমৃদ্ধ উপাদানের ফলশ্রুতির মাধ্যমে আপনার পুরো পরিবারের সুস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে |
✔ সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে নিজেদের তত্ত্বাবধানে আমাদের নিজের হাতে বাছাইকৃত উৎকৃষ্ট দানা থেকে জেনুইন তালবিনা তৈরি করা হয় ।
# জেনুইন তালবিনা খাওয়ার_নিয়ম :
জেনুইন তালবিনা পাউডারের সাথে খাঁটি দুধ ও মধু একত্রে গুলিয়ে তালবিনা তৈরি করা হয়। সাথে কলা, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আম, খেজুর ইত্যাদি ফল মিক্সড করে এর স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ যোগ করা যায়।আমাদের রাসুল (সা:) মিষ্টতা বাড়ানোর জন্য মধু ব্যবহার করতেন। এভাবে খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়। কারো ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে তিনি মধু বাদ দিয়ে খেতে পারেন।
তালবিনা নরমাল পানিতে পরিমাণমতো গুলিয়ে বা ঘন করে চামচ দিয়ে খেতে পারেন। এটি দিনের যে কোন সময়ে ক্ষুধা লাগলে অথবা শরীরের ক্লান্তি দূর করতে ঝটপট তৈরি করে খেতে পারেন। তবে ডায়েট চার্টে যুক্ত করতে সকালে নাস্তা হিসেবে এবং রাতে খেতে পারেন।
এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে ৪/৫ চা চামুচ তালবিনা ও ২/৩ চা চামুচ মধু মিশিয়ে তালবিনা তৈরি করে খেতে পারেন। অথবা, প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ও বিকালে এক গ্লাস পানিতে ৪-৫ চা চামুচ মিশিয়ে খাবেন। আর যদি টেষ্টি করে খেতে চান তাহলে গুড় / লাল চিনি / মধু মিশিয়েও খেতে পারেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
৪৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ চিকিৎসকদেরকে নিয়োগের দাবিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে চলমান চিকিৎসক সংকট নিরসন এবং ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭ তম বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারের ওভারলিপিং নিরোসনে ৪৮ তম বিসিএস থেকে ৩১২০ জন এর অতিরিক্ত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অপেক্ষমান চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ৪৮তম বিসিএস নিয়োগপ্রত্যাশী সাধারণ চিকিৎসক ফোরাম।
তৃণমূল জনগোষ্ঠীর সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ ১৩/১০/২০২৫ইং দুপুরে রাজধানী ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন হয়। ডা: গোলাম সামদানী, ডা: শরিফ, ডা: সাদমান সাকিব রাফি, ডা: আল মুনতাসির এবং ডা: সেজানা খানের নেতৃত্বে এই অবস্থান কর্মসূচিতে তারা বলেন, উপজেলায় পদ খালি স্বাস্থ্য সেবায় জোড়াতলী, ডাক্তার বঞ্চিত জাতি লজ্জিত, উপজেলা ডাক্তারদের সংকট নিরসন চাই, সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার শূন্য ৪৮ থেকে নিতে আপত্তি কেন, উপজেলায় রোগী মরে ইন্টারিম কি করে?, ইফতারি সহ আরো অনেক স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তারা।
৪৮তম বিসিএস নিয়োগপ্রত্যাশী সাধারণ চিকিৎসকদেরকে শুন্য পদে নিয়োগ দেবার আহ্বান জানান বারবার। ডা: গোলাম সামদানী বলেন, ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে নিয়োগ প্রদান করুন। কারন ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ ফাঁকা রেখে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত দুরূহ। তাই সরকারের নিকট আমাদের আহ্বান, তৃণমূল জনগোষ্ঠীর সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শুন্য পদে আমাদের নিয়োগ দিন এবং জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন। এর আগে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সমাবেশ এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে সকল ডাক্তাররা বলেন, সমাজের বিত্তশীলেরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা নিতে পারেন এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তবে তৃণমূলের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর একমাত্র অবলম্বন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ। প্রায় ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ ফাঁকা রেখে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত দুরূহ।
উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সামনে ডা: সাদমান সাকিব রাফি বলেন, আমরা ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস –এ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে নিয়োগ প্রদান প্রসঙ্গে আমরা ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ নিয়োগবঞ্চিত চিকিৎসকবৃন্দ। বর্তমানে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য রয়েছে। ফলশ্রুতিতে সাধারণ জনগণ পর্যাপ্ত সরকারি চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না।
বর্তমান সরকার প্রান্তিক পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ তার মধ্যে অন্যতম। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে চিকিৎসক নিয়োগ চলমান রয়েছে, যা বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সফলতা। ইতোমধ্যে ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর মাধ্যমে ৩১২০ জনকে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ৪৪তম, ৪৫তম ও ৪৬তম বিসিএস-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া অসমাপ্ত থাকায় ওই বিসিএসগুলোর নিয়োগের বিভিন্ন পর্যায়ে অপেক্ষমান চিকিৎসকরাও ৪৮তমতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ প্রায় ১৫০০ জন প্রার্থী ৪৪তম-৪৬তম বিসিএসের নিয়োগের বিভিন্ন পর্যায়ে অপেক্ষমান রয়েছেন। ৪৭তম বিসিএস-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
৪৪তম-৪৮তম বিসিএসে সর্বমোট ৭৩৪৬টি পদ থাকলেও পূর্ববর্তী বিসিএসগুলোর নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে ৪৮তম থেকে নিয়োগ প্রদান করা হলে আনুমানিক ২২০০ রিপিট প্রার্থী থাকবে। রিপিট প্রার্থীরা সিনিয়রিটিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কারণে ৪৪তম, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসে যোগদান করবে। অর্থাৎ, ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের সহকারী সার্জন পদগুলো পুনরায় ফাঁকা হয়ে যাবে এবং চিকিৎসক সংকট নিরসন হবে না; যা রাষ্ট্রের সময়, অর্থ ও শ্রমের অপূরণীয় ক্ষতি। একই সাথে বিশেষ বিসিএস নেওয়ার মাধ্যমে তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের উদ্দেশ্যও ব্যর্থ হবে।
এছাড়াও, মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মহোদয়ের দেওয়া তথ্যমতে, আরও ৩,০০০ শূন্যপদে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাক্ষরিত হয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর বিজ্ঞপ্তির বিশেষ নির্দেশনায় বলা আছে – নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি, অবসর গ্রহণ, মৃত্যু, পদত্যাগ অথবা অপসারণ ইত্যাদি কারণে বিজ্ঞাপিত শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে। যেহেতু ৪৮তম বিশেষ বিসিএস-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত গেজেট হবার আগেই ৩,০০০ শূন্যপদে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে, সেহেতু অবিলম্বে ৪৮তম বিশেষ বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাক্রমের ভিত্তিতে শূন্যপদে নিয়োগের সুপারিশ করার আবেদন জানানো যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এখনও ৪৪তম বিসিএস-এর নিয়োগের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ সম্ভব হয়নি।
তাই ৫০তম বিসিএস-এর চূড়ান্ত নিয়োগও নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, সহকারী সার্জন পদে পর্যাপ্ত শূন্যপদ থাকায় রিপিট প্রার্থীর সংখ্যা ও সাধারণ বিসিএস-এর দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়গুলো আমলে নিয়ে, ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর আবেদন জানানো যাচ্ছে।
ফাইল ছবি
আজ বৃহস্পতিবার থেকে দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থায়ী দু’টিসহ মোট ২০টি হাটে পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। পশুর হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা।
দুই সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ নয়টি হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটসহ ১১টি হাট বসেছে। তবে, এ বছর আদালতের নির্দেশনার কারণে আফতাবনগরে হাট বসবে না।
উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা পিয়াল হাসান বলেন, রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী আটটি হাট বসবে। আজ থেকে ঈদের দিন সোমবার সকাল পর্যন্ত পাঁচ দিন হাট বসবে। কোরবানির পশু কেনাবেচা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতে করা যায়, সেজন্য ঢাকা উত্তরের হাটগুলোতে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।
বাজারে ক্রেতারা কোনো নগদ অর্থ না নিয়ে এসেও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পশু ক্রয় করতে পারবে জানিয়ে পিয়াল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইনস্ট্যান্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ টাকার লেনদেন করতে পারবে। এজন্য হাট এলাকায় অসংখ্য ব্যাংক বুথ থাকবে।
এ ছাড়া হাটে আসা মুসলিম ক্রেতাদের ওজু ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার হাট ইজারাদারদের সতর্ক করা হয়েছে। কোনো বিক্রেতা যদি রাস্তায় হাট বসায়, তবে ইজাদারের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে বলেও জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা। সূত্র: নয়াদিগন্ত