a
ফাইল ছবি
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর বেশি মানুষের মৃত্যু হয় হৃদরোগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যখন বার্ধক্যের দিকে যায় তখন শরীরচর্চার অভাব এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। অথচ সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, দৈনিক মাত্র ২০ মিনিটের শরীরচর্চাও ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে হৃদরোগের আশঙ্কা কমিয়ে দিতে পারে অনেকটাই।
এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি আগে থেকে শরীরচর্চার অভ্যাস না থাকে তবুও বার্ধক্যে পৌঁছে শুরু করা যেতে পারে শরীরচর্চা। শুধু শারীরিক কসরতই নয়, সুফল মিলবে নিয়মিত হাঁটা, বাগানের পরিচর্যা করা, সাইকেল চালানো কিংবা সাঁতার কাটার মতো কাজেও।
শরীরচর্চা যে হৃদরোগের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার তা জানা ছিল আগে থেকেই, কিন্তু বেশি বয়সে গিয়ে শরীরচর্চা শুরু করলে তা আদৌ কতটা কার্যকরী হতে পারে সেটি নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না বিশেষজ্ঞরা।
দুই হাজার ৭৫৪ জন ব্যক্তির ওপর করা এই গবেষণা বলছে, এই গবেষণা চলাকালীন সময়ে এক হাজার ৩৭ জনের মধ্যে কোনও না কোনও হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিয়মিত কাজকর্ম ও শরীরচর্চা করা মানুষদের ক্ষেত্রে সংবহনতন্ত্রের রোগের ঝুঁকি ছিল অনেকটাই কম।
দেখা গেছে, যারা এই ধরনের কোনও শরীরচর্চা করেন না তাদের তুলনায় শরীরচর্চা করা ব্যক্তিদের রোগের ঝুঁকি প্রায় ৫২ শতাংশ কম। সব মিলিয়ে গবেষকদের পরামর্শ, যদি আগে থেকে শরীরচর্চা করার অভ্যাস না থেকে থাকে, তবুও সুস্থ থাকতে বার্ধক্যে পৌঁছে অবশ্যই শুরু করা উচিত নিয়মিত শরীরচর্চা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৮৩৯ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৬৭৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ১০ হাজার ৯৯০ জন।
আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৮৯৭ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫১ হাজার ৩২২ জন।
সংগৃহীত ছবি
গতকাল ২৪.০৫.২০২১ সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদল এর ঈদ উত্তর সাধারণ সভা অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় "শক্তশালী ঐক্য গড়তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্ম: আমাদের করণীয়" শীর্ষক বিষয়ে নীলদলের সদস্যবৃন্দ আলোচনা করেন।
সভায় বক্তাগণ বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানান উদ্ধৃতি টেনে সংগঠন পরিচালনায় আদর্শ, ত্যাগ ও সততার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কোন ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া, পদ-পদবীর প্রতি মোহাচ্ছন্ন না থেকে আদর্শ ভিত্তিক জনহিতৈষী কাজ করতে সবার মতামত গ্রহণের উপর জোর দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চায় শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাস বজায় রেখে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করার কথা বলা হয়।
ক্যাম্পাসে শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ বজায় রাখতে সবাই একমত পোষণ করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চর্চার মাধ্যমে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে শিক্ষকদের নিজ নিজ কর্মনিষ্ঠা অব্যাহত রাখার জন্য সবাই একমত পোষণ করেন। বিভিন্ন বিভাগে নতুন যোগদানকৃত শিক্ষকবৃন্দকে অভিনন্দন ও স্বাগত জানানো হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সমস্যাসমুহ দ্রুত নিরসনকল্পে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকবৃন্দের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করা হয়।
যে সমস্ত সহকর্মী বা তাদের আত্মীয়স্বজন করোনা মহামারীতে অসুস্থ হয়েছেন বা মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁদের জন্য সহমর্মীতা ও শোক প্রকাশ করা হয়। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, চেয়ারম্যানসহ সব স্তরের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া এর সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন নীলদলের সাধারণ সম্পাদক ড. মোস্তফা কামাল এবং অনলাইন জুম প্লাটফরম ব্যবস্থাপনায় ছিলেন নীলদলের দপ্তর সম্পাদক জনাব কাজী ফারুক হোসেন।